online fish market

কলকাতা: সল্টলেক, কেষ্টপুর, বাগুইআটি এবং কাঁকুড়গাছিতে পরীক্ষা মূলক ভাবে মাছ বিক্রি করার পর এ বার সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে ‘স্মার্ট ফিশ’-এর দরজা। না, ‘স্মার্ট ফিশ’ কোনো দোকান বা ভ্রাম্যমান বিক্রয় কেন্দ্র নয়, রাজ্য সরকারের মৎস্য দফতরের নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ। যা মোবাইলে ডাউনলোড করে নিলেই মৎস্যপ্রেমীরা ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন তাঁর পছন্দের মাছ বা মাছের পদ। গত পরশু দিন এমন কথাই জানানো হয়েছিল দফতরের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই অ্যাপ ডাউনলোড করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে অতি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদেরও। সম্ভবত সরকারি ভাবে এই অ্যাপের প্রচারে জোরালো উদ্যোগের খামতি রয়ে গিয়েছে বলেই ধারণা করছেন মৎস্যপ্রেমীরা। ঠিক কী ভাবে এই অ্যাপের ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রচারের প্রয়োজনীয়তার দাবি করছেন তাঁরা।

মোবাইলে অ্যাপ ডাউনলোডে চলে গেলেই দেখা যাবে, ‘স্মার্ট ফিশ’-এর একাধিক অ্যাপের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। এক মধ্যে ঠিক কোনটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তা বোঝা সহজ নয়। তবে যেটির নীচে ওয়েস্ট বেঙ্গল উল্লেখিত রয়েছে সেটিকেই ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু অন্যান্য অ্যাপের মতো ডাউনলোড করে নিলেই কাজ মিটে যাচ্ছে না। প্রথমে সাইনআপ করতে হচ্ছে। আর সমস্যা বাঁধছে সেখানেই। মোবাইলের ইন্টারনেট পরিষেবা পুরোদস্তুর বজায় থাকলেও সাইনআপ পদ্ধতি সম্পূর্ণ করতে পারছেন না অনেকেই।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দফতর জানিয়েছিল, সদ্য জালে ওঠা রুই-কাতলা-তেলাপিয়া হোক বা হিমায়িত গঙ্গার মাছ কিংবা যদি প্রয়োজন হয় শুঁটকির-এখন আর বাড়তি ঝামেলা পোহানোর কোনো দরকারই নেই। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের নিজস্ব অ্যাপটি ডাইনলোড করে দিন নিজের মোবাইলে। আর সেখান থেকেই দিয়ে ফেলুন অর্ডার। দেখবেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাজছে আপনার বাড়ির কলিংবেল। মাছ হাতে চলে এসেছেন ডেলিভারি বয়। সঙ্গে রয়েছে আপনার পছন্দের সেই মাছটি।

রাজ্য সরকারের মৎস্য দফতরের উদ্যোগে এই অ্যাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে গত পরশু মৎস্য মেলায়। এর আগেও অবশ্য অনলাইনে মাছ বিক্রি করত দফতর। কিন্তু সেগুলি ছিল কোনো না কোনো ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ। কিন্তু এ বার একেবারে স্বতন্ত্র ভাবে কাজ করছে ‘স্মার্ট ফিশ’।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here