bocachoda

ওয়েবডেস্ক: সিপিএম না কি তৃণমূল? আগামী লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে কার সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় যাবে জাতীয় কংগ্রেস? এমন প্রশ্নেই দ্বিধাবিভক্ত পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস নেতৃত্ব। কেউ কেউ এই বিতর্ককে এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে ফেলেছেন যে, অপছন্দের দলের সঙ্গে জোট করার কারণ দেখিয়ে কংগ্রেস ছেড়ে দেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে চলেছেন।

নওদার বিধায়ক আবু তাহের খান, ফরাক্কার পাঁচ বারের বিধায়ক মইনুল হক ও রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান। মুর্শিদাবাদের এই তিন বিধায়ককে নিয়েই চিন্তিত প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। কারণ, বিভিন্ন সূত্র থেকে খবর পাওয়া গিয়েছে, এঁরা না কি খুব শীঘ্রই দলবদল করতে চলেছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত ব্যক্তিগত ভাবে কোনো বিধায়কই সে কথা স্বীকার করেননি।

subhendu adhikari

মুর্শিদাবাদ ও মালদহ জেলার তৃণমূল কংগ্রেস পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী পঞ্চায়েত ভোটে নির্বাচিত নতুন সদস্যদের নিয়ে বৈঠকে বসে জানিয়েছিলেন, ওই দুই জেলার একাধিক নক্ষত্র রাজনীতিক তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। কিন্তু তিনি স্পষ্ট করে কারও নাম বলেননি। কয়েক সপ্তাহ আগে মালদহের দুই কংগ্রেস সাংসদ আবু হাশেম খান চৌধুরী এবং মৌসম বেনজির নুরকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে ঢালাও খবর প্রকাশিত হলেও তাঁরা দল পরিবর্তনের বিষয়টিকে গুজব বলে প্রমাণ করে দিয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক এই তিন বিধায়ক যে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন, তা প্রায় নিশ্চিত বলেই দাবি করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, আগামী ২ জুলাই বহরমপুরে সভা করবেন পরিবহণ ও পরিবেশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সে দিনই সম্ভবত তাঁর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেবেন ওই তিন বিধায়ক। এই দলবদলের নেপথ্য তুলে ধরা হচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর ছৌধুরীর ভূমিকায়। সভাপতির সঙ্গে যে এই বিধায়করা একাধিক বিষয়ে ঐকমত্যে আসতে পারছেন না, ঘনিষ্ঠ মহলে বলছেন তেমন কথাও।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here