নন্দীগ্রাম মামলা: পাল্টা পদক্ষেপ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী, জল গড়াল সুপ্রিম কোর্টে

0

খবর অনলাইন ডেস্ক: নন্দীগ্রাম মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে উঠতেই তাঁর সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক নিয়ে সরব হয় তৃণমূল। মামলাটি অন্য বিচারপতির এজলাসে সরানোর আর্জি জানানো হয়। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ার কারণেই মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বিচারপতি চন্দ। এ বার অন্য বিচারপতির বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি শুরু হতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।

কী এই নন্দীগ্রাম মামলা?

এ বারের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর পূর্ব মেদিনীপুরের এই কেন্দ্রে শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হন তিনি। মমতা পরাজিত হলেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নবান্নে ফিরে আসে তৃণমূল সরকার। তৃতীয় বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মমতা। এর পরই ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি। ভোট পুনর্গণনার দাবিও জানানো হয়।

কী বলেছে কলকাতা হাইকোর্ট?

নিয়ম মেনে নির্বাচন পক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যেই আদালতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাভাবিক ভাবেই এই ইলেকশন পিটিশন বৈধ বলে জানিয়ে দেয় হাইকোর্ট। বুধবার মামলার সব পক্ষ অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, নির্বাচন কমিশন, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসারকে নোটিশ পাঠায় হাইকোর্ট। বিচারপতি শম্পা সরকার এ দিন ইভিএম, নথি, ভিডিয়ো রেকর্ডিং-সহ নির্বাচনের যাবতীয় নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দেন কমিশনকে।

কী চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী?

দেশের অন্য কোনো হাইকোর্টে সরানো হোক এই মামলা, এমনটাই চাইছেন শুভেন্দু। তিনি মনে করেন, কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার নিরপেক্ষ বিচার পাওয়া যাবে না। তাই দেশের অন্য যে কোনো হাইকোর্টে এই মামলা সরানোর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। নিজের আর্জি নিয়ে বুধবার-ই সর্বোচ্চ আদালতের গিয়েছেন শুভেন্দু। যদিও এই মামলার শুনানি কবে হবে, তা এখনও নির্ধারণ করেনি সুপ্রিম কোর্ট।

আরও পড়তে পারেন: নন্দীগ্রাম মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন বৈধ, শুভেন্দু অধিকারী-সহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিশ হাইকোর্টের

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন