mdhboy
Samir mahat
সমীর মাহাত

দিনমজুরের ছেলে মাধ্যমিকে স্কুলে ভাল ফল করায়, ঝাড়গ্রামের শুকনাখালি গ্রামে খুশির হাওয়া। এ দিনও রোজকার মতো দিনমজুরের কাজে বেরিয়ে ছিলেন, ঝাড়গ্রামের দুধকুন্ডি এলাকার শুকনাখালি গ্রামের শেখ হাসান আলি। মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হতেই উৎফুল্লিত হয়ে ওঠে মন, কেন না তাঁর ছেলে তাজাম্মুল আলি এ বারে গজাশিমূল কে সি এম হাইস্কুল থেকে নজরকাড়া ফল করেছ।

দারিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী এই পরিবারের এমনিতেই নুন আনতে পান্তা ফুরোয়, তার মাঝে তাজাম্মুলের ঠকুমার চিকিৎসা চালাতে হিমসিম খাচ্ছে বাবা। এ সবের ফাঁকে একাগ্রতায় তাকে এই জায়ায় পৌঁছে দিয়েছে বলে জানান তাজাম্মুল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর, বাংলা-৮০, ইংরেজি-৪৭, অঙ্ক-৮১, ভৌত বিজ্ঞান-৬১, জীবন বিজ্ঞান-৮৭, ইতিহাস-৮০, ভূগোল-৮৪, ঐচ্ছিক-৭৬, মোট প্রাপ্ত নম্বর-৫২০।

তাজাম্মুলের এই কৃতিত্বে সবার কাছে বার্তা দিয়েছেন, তাঁরই শিক্ষক মনোরঞ্জন মাহাত। সোস্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ইতিমধ্যে তাঁকে অনেকেই শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন। বাপি দাস বলেন, “ইংরেজিতে একটু কম নম্বর হল”। তাজাম্মুলকে অভিন্দন জানিয়েছেন আদিবাসী কুড়মি সমাজের নেতৃত্ব প্রধান তথা শিক্ষক রাজেশ মাহাত, গৌতম মাহাত প্রমুখেরা। তাজাম্মুল তাঁর ঘনিষ্ট মহলে  জানান, ইংরেজি পরীক্ষা খানিকটা খারাপ হয়ে ছিল, তবে এতটা কম নম্বর আসবে বুঝতে পারিনি। শুকনাখালি গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা অনেকেই ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার চাহিদা মতো সুযোগ-সুবিধা দিতে পারি না। তবুও গ্রামের ছেলে স্কুলে প্রথম, এটাই আমাদের গর্ব, বিরাট পাওনা”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here