tarantula

নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি : ‘মাকড়ি’ আতংক এ বার উত্তরেও। জলপাইগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া, মেখলিগঞ্জে দেখা মিলল বিষাক্ত ট্যারান্টুলার।

শনিবার দুপুরে জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজ অফ আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা চলছিল। সেই সময় কলেজ চত্বরে বাইকস্ট্যান্ডের পাশে একটি জঙ্গুলে জায়গায় লোমশ আটপেয়ে প্রাণীটিকে দেখতে পান কলেজের সহকারী গ্রন্থাগারিক হরিপদ রায়। সন্দেহ হওয়ায় তিনি সেটিকে উদ্ধার করে বোতলবন্দি করে নিয়ে যান প্রাণীবিদ্যার অধ্যাপক ড. তন্ময় দত্তের কাছে। আটপেয়ে লোমশ প্রাণীটিকে দেখেই তিনি বুঝতে পারেন এটি সেই রাজ্য জুড়ে আতংক ছড়ানো ‘ট্যারেণ্টুলা’। খবর ছড়িয়ে পড়তেই সেটিকে দেখতে ভিড় জমায় ছাত্রী-ছাত্রীরা, কিন্তু দূর থেকেই। কারণ, তারা জেনে গিয়েছে এটি সেই বিষাক্ত মাকড়ি।

তবে প্রাণীবিদ্যার অধ্যাপক ড. তন্ময় দত্ত জানিয়েছেন, বিষাক্ত হলেও এর কামড়ে মৃত্যুভয় প্রায় নেই। তবে ‘নিউরোটক্সিন’ জাতীয় বিষ থাকায় নার্ভ সিস্টেম বিকল হয়ে সারা শরীর সাময়িকভাবে অসাড় হয়ে যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব মারাত্মক হতে পারে।

কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবদুল রজ্জাক জলপাইগুড়ি বনবিভাগে খবর দেন। সেখান থেকে বনকর্মীরা এসে সেটিকে নিয়ে যান। পর্যবেক্ষণের পর নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে সেটিকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে বন দফতর সূত্রে। বনকর্মীরা কলেজ চত্বরেও তল্লাশি চালান, যদিও আর কোনো ট্যারেন্টুলার দেখা মেলেনি।

তবে জলপাইগুড়ির পাশাপাশি শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া এবং কোচবিহারের মেখলিগঞ্জেও দেখা পাওয়া গিয়েছে  এই লোমশ আটপেয়ে মাকড়ির।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here