tarapith temple
তারাপীঠ মন্দির। ছবি: ফেসবুক থেকে

ওয়েবডেস্ক: কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে সেজে উঠেছে তারাপীঠ। ইতিমধ্যেই পৌঁছেতে শুরু করেছেন অগণিত ভক্ত। নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

শনিবার রাত ১:৫২ মিনিট থেকে পরের দিন রাত ১১:৪০ মিনিট পর্যন্ত থাকছে এই অমাবস্যার সময়কাল। তারাপীঠে অমাবস্যার এই বিশেষ তিথি উপলক্ষ্যে তারামায়ের বিশেষ নিশিপুজোর আয়োজন করা হয়।

এই অমাবস্যার আরেক নাম তারারাত্রি৷ তন্ত্রসাধনার জন্য এই অমাবস্যাকে খুবই গুরুত্বপুর্ণ বলে মনে করা হয়। শোনা যায়, কৌশিকী অমাবস্যার দিনেই তারাপীঠ মহাশ্মশানের শ্বেতশিমূল বৃক্ষের তলায় মা তারার আরাধনায় সাধক বামাখ্যাপা সিদ্ধি লাভ করেন। তাই এই পীঠকে ‘সিদ্ধপীঠ’ বলা হয়।

কী মাহাত্ম্য এই কৌশিকী অমাবস্যার?

কথিত আছে, শুম্ভ-নিশুম্ভের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন স্বর্গের দেবতারা। শেষে দেবতারা মহামায়ার তপস্যা শুরু করেন। সেই তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে দেবী কালী শীতল মানস সরোবরের জলে স্নান করে নিজের দেহের সব কালো কোশিকা পরিত্যাগ করেন এবং পূর্ণিমার চাঁদের মতো গাত্র বর্ণ ধারণ করেন। কৌশিকী রূপে মহামায়া এই বিশেষ তিথিতেই ‘শুম্ভ’ ও ‘নিশুম্ভ’ নামের দুই অসুরকে বধ করেন। তাই এই বিশেষ তিথিতে মা তারাকে তারাপীঠে ‘কৌশিকী’ রূপে পূজা করা হয়।

অনেকেই বিশ্বাস করেন, এই দিন মা তারার পুজো দিলে এবং দ্বারকা নদীতে স্নান করলে পুণ্যলাভ হয় এবং কুম্ভস্নান করা হয়। এই বিশ্বাসে আজও ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ওই দিনটিতে তারাপীঠে পুজো দিতে যান।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন