mahalaya tarpan
মহালয়ায় তর্পণ। ছবি রাজীব বসু।

কলকাতা: নিঃসন্দেহে বছরের শ্রেষ্ঠ সকাল। ভোর চারটেতেই ঘুম ভেঙেছে আম বাঙালির। তার পর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে চণ্ডীপাঠের মধ্যে দিয়ে কার্যত শারদোৎসবের সূচনা।

তবে প্রকৃত অর্থে শারদোৎসবের সূচনা আগামীকাল রবিবার থেকে হতে পারে। কারণ আজ যে পিতৃপক্ষের শেষ দিন। রবিবার, প্রতিপদের মধ্যে দিয়ে সূচনা হবে দেবীপক্ষের।

আজকের সঙ্গে ‘শুভ’ বা ‘অশুভ’-এর কোনো সম্পর্ক নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে বেড়ানো ‘শুভ মহালয়া’ বার্তাটিও কেমন যেন বেমানান। পিতৃপুরুষদের স্মরণ করার মধ্যে ‘শুভ’, ‘অশুভ’-এর ব্যাপারটা কেন থাকবে, তা নিয়ে বিতর্কও চলছে নেটিজেনদের মধ্যে।

তবে আজ নিঃসন্দেহে বাঙালির কাছে উল্লেখযোগ্য দিন। আর এই দিনটাকে স্মরণ করে রাখতে সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে তর্পণ।

মহালয়ার সকালে বাবুঘট। ছবি রাজীব বসু।

আজ ভোর থেকেই গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে সমাগম হয়েছেন বহু মানুষ। পূর্বপুরুষকে আহ্বান জানিয়ে তর্পণ করছেন তাঁরা। রাত থেকেই ওই সব ঘাটে ভিড় জমিয়েছেন। ভোর থেকে পা ফেলার জায়গা নেই বাগবাজার, শোভাবাজার, আহারিটোলার ঘাটে। বিভিন্ন জেলাতেও একই ছবি ফুটে উঠেছে বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন জেএনইউ-এর পর আর এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাম-দলিত জোটের দখলে

এ বারের মহালয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও রয়েছে যথেষ্ট। কারণ আজ সকাল ১১টায় বাগবাজার ঘাটে তর্পণ করবেন বিজেপি কার্যনির্বাহী সভাপতি জেপি নাড্ডা। রাজ্যের রাজনৈতিক হিংসায় মৃত বিজেপি কর্মীদের আত্মার শান্তিতে এই তর্পণ করা হবে।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন