Connect with us

রাজ্য

তিন দিন নিম্নমুখী হওয়ার পর বাড়ল তাপমাত্রা, তাও জোরদার শীত অব্যাহত রাজ্য জুড়ে

ওয়েবডেস্ক: তিন দিন ধরে একটু একটু করে নামছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার তা ফের একবার ঊর্ধ্বমুখী হল। রাজ্যের বাকি জেলায় জোরদার শীত এখনও চললেও কলকাতার তাপমাত্রা এ দিন কিছুটা বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪.৩ ডিগ্রি। গত তিন দিন পারদ ছিল ১৩-এর ঘরে। তবে মাঝ ফেব্রুয়ারিতেও এ রকম তাপমাত্রা যথেষ্ট ঠান্ডারই ইঙ্গিত দেয়।

মজার ব্যাপার হল এ দিন দিল্লির সঙ্গে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় ফারাক ছিল মাত্র দু’দিগ্রির। দিল্লিতে বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৩ ডিগ্রি।

কলকাতায় পারদ কিছুটা বাড়লেও, রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে কিন্তু প্রবল শীতের জারিজুরি এখনও রয়েছে। এ দিন পানাগড়ের তাপমাত্রা ছিল ১০.৩ ডিগ্রি। একই রকম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীনিকেতনের ক্ষেত্রেও। বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম আর পশ্চিম মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এ দিন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২-এর মধ্যে ছিল।

আরও পড়ুন ‘লোক দেখানো!’ হাফিজ সঈদের কারাদণ্ডের প্রতিক্রিয়া দিল ভারত

তবে শীতে এখনও কাঁপছে উত্তরবঙ্গ। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৪ ডিগ্রি। কোচবিহার আর জলপাইগুড়ির তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮-৯ ডিগ্রির মধ্যে। দুই শৈলশহর দার্জিলিং আর কালিম্পংয়ের এ দিন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৬.২ আর ৭.৫ ডিগ্রি।

উত্তরবঙ্গে শীত এখনও বহাল থাকলেও, দক্ষিণবঙ্গে এ বার ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। পাওয়া যাবে বসন্তের ছোঁয়া। শনিবার থেকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে ৩০-এর ঘরে আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬-১৭ ডিগ্রির ঘরে উঠতে পারে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা এখনও কিছুটা কম থাকলেও, কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে শীতের বিদায় এ বার আসন্ন।

রাজ্য

রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার দিন আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতার হারও

খবরঅনলাইন ডেস্ক: এই প্রথম রাজ্যে দৈনিক নমুনা পরীক্ষা ১১ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল। স্বাভাবিক ভাবেই রেকর্ড সংখ্যক নমুনা পরীক্ষার দিন, আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড তৈরি হল। একই সঙ্গে পাঁচশোর বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে ওঠায় সুস্থতার হারে আরও কিছুটা উন্নতি এসেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে ৬৬৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা কুড়ি হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে এখন এসে দাঁড়িয়েছে ২০,৪৮৮তে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাজ্যে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার সময়সীমা এখন বেড়ে হয়েছে ২১ দিন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনামুক্তি ঘটেছে ৫৩৪ জনের। ফলে এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে করোনাকে জয় করে ফেলেছেন ১৩,৫৭১ জন। ১৮ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭১৭। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৬৬.২৩ শতাংশ। সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬,২০০।

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী চার জেলা

গত কয়েক দিনের তুলনায় কলকাতায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বেশ কিছুটা কম। এ দিন শহরের ১৮২ জন বাসিন্দা নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে শহরে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬,৬২২। যদিও কলকাতায় সুস্থতার হার বেশ ভালোই। কারণ এখনও পর্যন্ত ৪,১৪২ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কলকাতায় করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪০২। ফলে শহরে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২,০৭৮।

কলকাতার পরেই আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে উত্তর ২৪ পরগনা (১৩৪) আর হাওড়া (১০২)। অন্য দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগণা আর হুগলিতে আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ৬২ জন করে। এই চার জেলার মধ্যে শুধুমাত্র দক্ষিণ ২৪ পরগণাতেই সক্রিয় রোগীর সংখ্যা আগের দিনের থেকে কমেছে।

দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলা

পূর্ব মেদিনীপুর বাদে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা দশের কমেই রয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্তের খোঁজ মেলেনি ঝাড়গ্রাম, আর বীরভূমে। ঝাড়গ্রাম তো এমনিতেই করোনামুক্ত। অন্য দিকে বীরভূমে মোট আক্রান্তের সংখ্যা তিনশো ছাড়ালেও সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ২৮৫ জন।

বর্তমানে পুরুলিয়া আর বাঁকুড়ায় সক্রিয় রোগী রয়েছেন যথাক্রমে ৮ আর ৪৯। পূর্ব আর পশ্চিম বর্ধমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩১ আর ৩২। পূর্ব আর পশ্চিম মেদিনীপুরে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৯৯ আর ৫২। অন্য দিকে নদিয়া আর মুর্শিদাবাদে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা যথাক্রমে ৭৩ আর ৫২।

উত্তরবঙ্গ

উত্তরবঙ্গে মালদা আর দার্জিলিং নিয়ে চিন্তা রয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের। গত ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিংয়ে ২৬ আর মালদায় ৩৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দার্জিলিংয়ের সব আক্রান্তই শিলিগুড়ির। এর মধ্যে মালদায় বর্তমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৯৩ আর দার্জিলিংয়ে ১২৫।

আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, কালিম্পং আর দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো করোনা আক্রান্তের সন্ধান মেলেনি। এর মধ্যে করোনামুক্ত হওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে কোচবিহার। কারণ, ওই জেলায় এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন মাত্র এক জন। আলিপুরদুয়ারে সক্রিয় রোগী ৯ জন।

কালিম্পং এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ জন। উত্তর আর দক্ষিণ দিনাজপুরে যথাক্রমে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৫৮ আর ৩৫ জন।

নমুনা পরীক্ষার তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১১,০৫৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত দৈনিক সর্বোচ্চ। এর ফলে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৫ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়ে গেল। রাজ্যে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার বর্তমানে রয়েছে ৩.৯৪ শতাংশ।

Continue Reading

রাজ্য

এ বার মাস্ক না পরলে শাস্তি‍! নতুন নির্দেশিকা রাজ্যের

মাস্ক না পরলে কী হতে পারে?

কলকাতা: এ বার মাস্ক না পরে রাস্তায় বের হলে যেতে হতে পারে আদালতেও!

রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার নতুন নির্দেশিকা জারি করে বাইরে বেরনোর সময় মাস্ক (Mask) পরার অনুরোধের পাশাপাশি আইনত শাস্তির কথাও জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস (Coronavirus) সংক্রমণ মোকাবিলায় মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হয়েছে আগেই। তবে কেউ কেউ সেই নিয়ম না মেনে উদাসীন ভাবেই চলাফেরা করছেন। যা করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্দেশিকা জারি করে সাধারণ মানুষকে মাস্ক-সচেতন করে তোলার উদ্যোগ নিল রাজ্য।

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্য়েই জেলা প্রশাসন, পুরসভা এবং পুলিশের কাছে নতুন নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে। ফলে শুক্রবার থেকেই এই নিয়ম চালু হয়ে যাবে।

কী হতে পারে?

মাস্ক না পরে বাইরে বেরোতে দেখলেই পুলিশ ধরবে। এর আগেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হলেও কিছু মানুষের আচরণ বদলায়নি।

মাস্ক না পরার কারণ জানাতে হবে পুলিশকে। মাস্ক পরতে রাজি না হলে রাস্তা থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

মাস্ক না পরলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।

ক্ষেত্র বিশেষে আদালতে পর্যন্ত যেতে হতে পারে। সেখানে গিয়েই মাস্ক না পরার ব্যাখ্য়া দিতে হবে।

আগে কী বলেছিল রাজ্য?

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরুতেই রাজ্য় মাস্ক বাধ্য়তামূলক করে। মাস তিনেক আগে মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা একটি নির্দেশিকায় জানান, রের বাইরে বেরোতে হলে মুখাবরণ থাকতেই হবে। সেই মুখাবরণ মাস্ক হতে পারে, হতে পারে দোপাট্টা বা গামছাও। এমনকি কাপড়ের টুকরো বা রুমালও চলতে পারে, তবে তা যেন নাকমুখ ঢাকার মতো হয়।

মুখ্যসচিব বলেছিলেন, মুখাবরণ থাকলে কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ অনেকটাই রোধ করা যায়। তাই সকলেরই মুখাবরণ ব্যবহার করা উচিত।

কেন মাস্ক পরতে হবে?

চিকিৎসকরা জানান, যে হেতু কোভিড ১৯ (COVID 19) মুখের ড্রপলেট থেকে ছড়ায়, সে হেতু মুখাবরণ ব্যবহার করলে এর সংক্রমণ অনেকটাই ঠেকানো যেতে পারে।

মাস্ক ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি:

এ ভাবে মাস্ক না পরাই ভালো

১. মাস্ক পরার আগে ভালো করে সঠিক নিয়ম মেনে হাত ধুতে হবে।

২. মুখ এবং মাস্কের মধ্যে কোনো শূন্যস্থান থাকলে চলবে না।

৩. মাস্ক স্পর্শ করা যাবে না। ছুঁতে হলে ফের সঠিক নিয়মে হাত ধুতে হবে।

৪. একক ব্যবহারযোগ্য মাস্ক পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।

৫. মাস্ক খোলার সময় পিছনের দিক থেকে খুলতে হবে। সামনের দিকে মোটেই হাত দেওয়া যাবে না। তা করতে হলে সঠিক নিয়মে হাত ধুতে হবে।

পড়তে পারেন: ১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

Continue Reading

রাজ্য

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

thunderstorm

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বৃষ্টির অভাবে গত কয়েক দিনে সর্বোচ্চ পারদ চড়ছিল হুহু করে। সেই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কিছুটা স্বস্তি শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যেই মিলতে পারে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে।

দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহের শনিবার আর রবিবার কলকাতায় প্রবল বর্ষণ হয়। সোমবার কলকাতায় বৃষ্টি না হলেও দক্ষিণবঙ্গের বাকি জায়গায় বৃষ্টি হয়। কিন্তু তার পর থেকেই বৃষ্টি কার্যত উধাও। বৃষ্টি কমে যাওয়ার ফলে ক্রমশ বাড়তে শুরু করে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

বৃহস্পতিবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে যায় ৩৯ ডিগ্রির ঘরে। জুলাইয়ে এই রকম পারদবৃদ্ধি শেষ কবে হয়েছিল কার্যত মনেই পড়ে না। তবে ওই দিন সন্ধ্যাতেও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে টুকটাক বৃষ্টি হয়, যদিও কলকাতার ভাগ্যে কিছুই জোটেনি।

অবশেষে শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে ফের সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বর্ষা। তারই ফলস্বরূপ এ দিন সন্ধ্যায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ড আর বিহার বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়ে গিয়েছে। ধীরে ধীরে তা বাংলার দিকেই এগিয়ে আসছে।

শুক্রবার বিকেল থেকে রাতের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলা আর উত্তরবঙ্গের মালদা আর দক্ষিণ দিনাজপুরে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।

Continue Reading
Advertisement

নজরে