কলকাতা: হাইকোর্টের নির্দেশে প্রায় ৪৩ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের উপর চাপ বাড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ৪২,৯৪৯ শিক্ষকের নিয়োগের তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে তারা। সেই মর্মেই জেলা প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলকে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে পর্ষদ। বলা হয়েছে, বুধবারের (১৩ জুলাই) মধ্যে এক্সেল ফরম্যাটে প্রত্যেকের নিয়োগ তথ্য ই-মেল করতে হবে সংসদকে।

২০১১ সালের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই এই সমস্ত শিক্ষক নিয়োগপত্র পেয়েছেন। প্রত্যেকের নিয়োগ-নথি খতিয়ে দেখবে সিবিআই। সেই মর্মে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফ থেকেও তথ্য তলব করা হয়েছে। টেটের রোল নম্বর, টেট পাশের সার্টিফিকেট-সহ টেটের যাবতীয় নথি জমা দিতে হবে বলে জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, পর্ষদের ই-মেল আইডি দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষকদের। সেখানেই পাঠাতে হবে যাবতীয় নিয়োগ তথ্য। সেই সব তথ্য হাতে পাওয়ার পর সংসদের তরফে তা পাঠিয়ে দেওয়া হবে সিবিআই-কে।

অন্য দিকে, ২০১৪ সালের প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে মঙ্গলবারই জানান প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এ দিন মামলার শুনানি চলাকালীন ডিভিশন বেঞ্চ বলে, যে ভাবে দুর্নীতি হয়েছে, যে ভাবে বিভিন্ন প্রমাণপত্র আসছে, তা দেখে প্রাথমিক ভাবে আদালত মনে করছে মামলা গ্রহণ করা দরকার। রাজ্যকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রকাশিত প্রাথমিক টেটের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে পরীক্ষা হয়েছিল পরের বছর ২০১৫ সালে। ২০১৬ সালে প্রথম প্যানেলের ভিত্তিতে নিয়োগ হয়। ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় প্যানেল। যাবতীয় অভিযোগ ওই প্যানেলকে ঘিরেই।

আরও পড়তে পারেন:

শ্মশান দুর্নীতিতে গ্রেফতার কাঁথির প্রাক্তন পুরপ্রধান সৌমেন্দু অধিকারীর গাড়িচালক

সিংহের মুখের প্রকৃতি বদল! নতুন সংসদ ভবনে অশোক স্তম্ভের অবমাননা নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা তৃণমূলের

নতুন শিল্প নগরী, আইটি হাব! পাহাড়ের উন্নয়নে একগুচ্ছ প্রকল্প ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দিল্লিতে ২৮০, মুম্বইয়ে ২৩৫, কিন্তু কলকাতায় ৪৯৮!

গ্রীষ্মাবকাশ শেষ হতেই নজির গড়ল সুপ্রিম কোর্ট, একদিনে ৪৪ মামলার রায়

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন