bjp protest
প্রতীকী চিত্র

ওয়েবডেস্ক: শনিবার বিকেল থেকেই পঞ্চায়েত ভোটের প্রচার বন্ধ নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী। ফলে শাসক-বিরোধী উভয়পক্ষকই ব্যস্ত ঠান্ডা মাথায় অঙ্ক কষতে। সেখান থেকেই উঠে এল এক মারাত্মক তথ্য। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, মনোনয়ন এবং প্রচার থেকে শুরু করে যে ভাবে তাঁরা এগোচ্ছেন, তাতে ভোটের দিনেও যথাযথ ‘প্রতিরোধ’ গড়ে তুলতে পারলে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদে উল্লেখযোগ্য ফল করতে পারে গেরুয়া শিবির।

প্রথমেই চলে আসে মনোনয়ন পর্বের ‌উত্তেজক পরিস্থিতির কথা। সারা রাজ্যেই বিরোধী দল মনোনয়ন জমা নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে। প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জলপাইগুড়িও যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে প্রতিরোধ মন্ত্রকে সামনে রেখে জেলার ১৯টি পরিষদ আসনেই প্রার্থী দিতে সক্ষম হয়েছে বিজেপি। অন্য দিকে সমিতিতেও প্রার্থী মনোনয়নের হার ৯০ শতাংশের বেশি। বিজেপি একই সাফল্য ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতেও।

দ্বিতীয়ত, প্রচারের কাজেও শাসক দল তৃণমূলের সঙ্গে সমানে ‌টক্কর দিয়েছে বিজেপি। দলের প্রায় সমস্ত রাজ্য নেতৃত্ব সভা করেছেন জলপাইগুড়ির বিভিন্ন ব্লকে। এমনকী  কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় একাধিক বার গিয়েছেন জলপাইগুড়িতে। অন্য দিকে দলীয় পঞ্চায়েত আহ্বায়ক মুকুল রায় নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন স্থানীয় বুথ স্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গেও। স্বাভাবিক ভাবে উচ্চ নেতৃত্বের এই বাড়তি গুরুত্ব জেলার বিজেপি কর্মীদের মনে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন: উত্তরে তিন এবং দক্ষিণে একটি জেলা নিয়ে চিন্তিত তৃণমূল!

তৃতীয় ধাপে রয়েছে, ভোটের দিন বুথ পাহারা। জেলার বিজেপি নেতৃত্ব বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন এই বিষয়টিতে। আগামী ১৪ মে দলীয় এজেন্টরা যাতে ভোট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বুথ কামড়ে পড়ে থাকেন, তেমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোন বুথে কখন কী ঘটছে, সে বিষয়ে বাড়তি নজরদারি চালানোর জন্য একটি টিম গঠনের কথা জানা গিয়েছে বিজেপি সূত্রে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here