adhir ranjan chowdhury

কলকাতা: সিআইডি তদন্তে কাজ হবে না, ভারতী ঘোষ কাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে সিবিআইয়ের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। অধীরবাবু বলেন, “পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষের সন্ধানে রাজ্যের সিআইডি ভিন রাজ্যে তল্লাশি চালাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বুঝে গিয়েছেন, সমস্ত সত্য প্রকাশ্য়ে এলে তিনি বিপদে পড়বেন। সেই কারণেই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচনের আগেই ভারতীর মুখ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। নোটবন্দির সময় যখন কলকাতা থেকে গাড়ি ভর্তি টাকা নিয়ে মেদিনীপুর গিয়ে ১৮০ কেজি সোনা কিনে ফেলা হল তখন সিআইডি কী করছিল? ঘুমোচ্ছিল?”

অধীরবাবু মনে করেন, এই ঘটনার তদন্তে সিআইডি খুব বেশি দূর এগোতে পারবে না। সব থেকে ভালো হয় যদি রাজ্য স্বতপ্রণোদিত হয়ে এই মামলাটির জন্য সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হয়।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে তিনি রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “উনি যদি সত্যিই ভারতী ঘোষ কাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে আগ্রহী হন তা হলে অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করুন। সিআইডি তো বেশ কয়েকদিন হল ভারতীদেবীর খোঁজে ভিন রাজ্যে গিয়েছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনো হদিশ দিতে পারেনি। তবে এই কাজটাই যদি সিবিআইয়ের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়, তা হলে বিষয়টা অনেক সহজ হয়ে যাবে।”

এ প্রসঙ্গেই চলে আসে আরও এক প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়কের নাম। বিধান ভবনের এক নেতা বলেন, ওই বিধায়ক যখন কংগ্রেসে ছিলেন তখন প্রায়শই ভারতীদেবীর শাসক দলের হয়ে কাজ করার বিষয়টি প্রদেশ কংগ্রেসের গোচরে নিয়ে আসতেন। কী ভাবে এক জন পুলিশ আধিকারিক শাসক দলের ইন্ধনে সরাসরি প্রশাসনিক কাজে দখলদারি চালাচ্ছিলেন, সে সব কথাই অভিযোগের সুর নিত তাঁর মুখে। আশ্চর্য জনক ভাবে বর্তমানে তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই না কি মুখ্যমন্ত্রীর সন্দেহের তালিকায় সংযোজিত হয় ভারতীদেবীর নাম।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here