Connect with us

রাজ্য

অভিভাবকরা স্কুল-ফি দিচ্ছেন না, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সিবিএসই স্কুল-প্রধানদের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: অভিভাবকরা স্কুল-ফি দিচ্ছেন না, ফলে গভীর সংকটে পড়েছে স্কুল। এই সংকটের কথা জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (West Bengal CM) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Bandyopadhyay) চিঠি লিখেছেন কলকাতা ও বিভিন্ন জেলার ১০০টি সিবিএসই স্কুলের (CBSE schools) অধ্যক্ষরা। ওই চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরে।

চিঠিতে অধ্যক্ষরা জানিয়েছেন, ৭০ শতাংশের বেশি অভিভাবক স্কুল-ফি দিচ্ছেন না। ফলে গভীর আর্থিক সংকটে পড়েছে স্কুলগুলি। এই অবস্থায় আর কিছু দিনের মধ্যেই তাঁরা স্কুলশিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বেতন দিতে পারবেন না। হয়তো স্কুলই বন্ধ করে দিতে হবে।

এ বছর স্কুল-ফি না বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকার শহরের স্কুলগুলির কাছে বার বার আবেদন করছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সিবিএসই স্কুল-প্রধানদের এই চিঠি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চিঠিতে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, তাঁরা এ বছর স্কুল-ফি বাড়াননি, অথচ অভিভাবকরা এখনও এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে যাচ্ছেন এবং এপ্রিল মাস থেকে স্কুল-ফি আটকে রেখেছেন। এর ওপর তাঁরা বিভিন্ন ধরনের ছাড় দাবি করছেন। এর ফলে স্কুলগুলো অর্থ সংকটে পড়েছে। পরিস্থিতিটা যাতে অভিভাবকরা সম্যক উপলব্ধি করতে পারেন এবং তাঁরা যাতে স্কুল-ফি মিটিয়ে দিতে এগিয়ে আসেন তার জন্য রাজ্যের হস্তক্ষেপ দরকার।

এ বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য এবং বকেয়া মিটিয়ে স্কুল-ফি দেওয়া স্কুল শুরু করার ব্যাপারে অভিভাবকদের উদ্দেশে নির্দেশ জারি করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, “ফি মকুব করার মতো অবৈধ নির্দেশ অনুসরণ করতে স্কুলগুলিকে বাধ্য করা উচিত নয়। ফি মকুব করা হলে তার যা ফল ফলবে তাতে স্কুল চালানো যাবে না।”

চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে, মুখে স্লোগান দিতে দিতে অভিভাবকরা মিছিল করে স্কুলের দিকে আসছেন, স্কুলগেটের বাইরে জড়ো হয়ে, কখনও কখনও স্কুলের ভেতরে ঢুকে আক্রমণাত্মক ভাবে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠছে – গোটা ঘটনায় স্কুলের পক্ষে প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণার সৃষ্টি হচ্ছে। “কোনো ভাবেই স্কুল-ফি বাড়ানো হয়নি, অথচ তাঁরা ফি মকুব বা আংশিক মকুব করার দাবি জানাচ্ছেন।”

সিবিএসই স্কুলের অধ্যক্ষদের মঞ্চ ‘সহোদয় স্কুলস’-এর ব্যানারে অধ্যক্ষরা রাজ্য প্রশাসনের কাছে এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “ফি না দেওয়ার বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ার মঞ্চে বিকৃত ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে এবং একে সমর্থন করাটা এখন একটা প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন ভাবে গোটা ব্যাপারটা তুলে ধরা হচ্ছে যেন স্কুলগুলো শয়তান।”

তবে চিঠিতে এটা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যে সব অভিভাবকের কাজ চলে গিয়েছে বা যাঁরা আর্থিক সংকটে রয়েছেন তাঁরা কনসেশনের জন্য যথাযথ প্রমাণ নিয়ে অধ্যক্ষদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।                  

রাজ্য

এ বার মাস্ক না পরলে শাস্তি‍! নতুন নির্দেশিকা রাজ্য়ের

মাস্ক না পরলে কী হতে পারে?

কলকাতা: এ বার মাস্ক না পরে রাস্তায় বের হলে যেতে হতে পারে আদালতেও!

রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার নতুন নির্দেশিকা জারি করে বাইরে বেরনোর সময় মাস্ক (Mask) পরার অনুরোধের পাশাপাশি আইনত শাস্তির কথাও জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস (Coronavirus) সংক্রমণ মোকাবিলায় মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হয়েছে আগেই। তবে কেউ কেউ সেই নিয়ম না মেনে উদাসীন ভাবেই চলাফেরা করছেন। যা করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্দেশিকা জারি করে সাধারণ মানুষকে মাস্ক-সচেতন করে তোলার উদ্যোগ নিল রাজ্য।

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্য়েই জেলা প্রশাসন, পুরসভা এবং পুলিশের কাছে নতুন নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে। ফলে শুক্রবার থেকেই এই নিয়ম চালু হয়ে যাবে।

কী হতে পারে?

মাস্ক না পরে বাইরে বেরোতে দেখলেই পুলিশ ধরবে। এর আগেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হলেও কিছু মানুষের আচরণ বদলায়নি।

মাস্ক না পরার কারণ জানাতে হবে পুলিশকে। মাস্ক পরতে রাজি না হলে রাস্তা থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

মাস্ক না পরলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।

ক্ষেত্র বিশেষে আদালতে পর্যন্ত যেতে হতে পারে। সেখানে গিয়েই মাস্ক না পরার ব্যাখ্য়া দিতে হবে।

আগে কী বলেছিল রাজ্য?

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরুতেই রাজ্য় মাস্ক বাধ্য়তামূলক করে। মাস তিনেক আগে মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা একটি নির্দেশিকায় জানান, রের বাইরে বেরোতে হলে মুখাবরণ থাকতেই হবে। সেই মুখাবরণ মাস্ক হতে পারে, হতে পারে দোপাট্টা বা গামছাও। এমনকি কাপড়ের টুকরো বা রুমালও চলতে পারে, তবে তা যেন নাকমুখ ঢাকার মতো হয়।

মুখ্যসচিব বলেছিলেন, মুখাবরণ থাকলে কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ অনেকটাই রোধ করা যায়। তাই সকলেরই মুখাবরণ ব্যবহার করা উচিত।

কেন মাস্ক পরতে হবে?

চিকিৎসকরা জানান, যে হেতু কোভিড ১৯ (COVID 19) মুখের ড্রপলেট থেকে ছড়ায়, সে হেতু মুখাবরণ ব্যবহার করলে এর সংক্রমণ অনেকটাই ঠেকানো যেতে পারে।

মাস্ক ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি:

এ ভাবে মাস্ক না পরাই ভালো

১. মাস্ক পরার আগে ভালো করে সঠিক নিয়ম মেনে হাত ধুতে হবে।

২. মুখ এবং মাস্কের মধ্যে কোনো শূন্যস্থান থাকলে চলবে না।

৩. মাস্ক স্পর্শ করা যাবে না। ছুঁতে হলে ফের সঠিক নিয়মে হাত ধুতে হবে।

৪. একক ব্যবহারযোগ্য মাস্ক পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।

৫. মাস্ক খোলার সময় পিছনের দিক থেকে খুলতে হবে। সামনের দিকে মোটেই হাত দেওয়া যাবে না। তা করতে হলে সঠিক নিয়মে হাত ধুতে হবে।

পড়তে পারেন: ১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

Continue Reading

রাজ্য

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

thunderstorm

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বৃষ্টির অভাবে গত কয়েক দিনে সর্বোচ্চ পারদ চড়ছিল হুহু করে। সেই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কিছুটা স্বস্তি শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যেই মিলতে পারে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে।

দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহের শনিবার আর রবিবার কলকাতায় প্রবল বর্ষণ হয়। সোমবার কলকাতায় বৃষ্টি না হলেও দক্ষিণবঙ্গের বাকি জায়গায় বৃষ্টি হয়। কিন্তু তার পর থেকেই বৃষ্টি কার্যত উধাও। বৃষ্টি কমে যাওয়ার ফলে ক্রমশ বাড়তে শুরু করে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

বৃহস্পতিবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে যায় ৩৯ ডিগ্রির ঘরে। জুলাইয়ে এই রকম পারদবৃদ্ধি শেষ কবে হয়েছিল কার্যত মনেই পড়ে না। তবে ওই দিন সন্ধ্যাতেও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে টুকটাক বৃষ্টি হয়, যদিও কলকাতার ভাগ্যে কিছুই জোটেনি।

অবশেষে শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে ফের সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বর্ষা। তারই ফলস্বরূপ এ দিন সন্ধ্যায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ড আর বিহার বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়ে গিয়েছে। ধীরে ধীরে তা বাংলার দিকেই এগিয়ে আসছে।

শুক্রবার বিকেল থেকে রাতের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলা আর উত্তরবঙ্গের মালদা আর দক্ষিণ দিনাজপুরে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।

Continue Reading

রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ রুটে বেসরকারি ট্রেন, ভাড়া বাড়বে কি?

সাধারণ ট্রেনের তুলনায় বেসরকারি ট্রেনের ভাড়ার ফারাক হবে বিপুল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যা সাধারণ যাত্রীদের নাগালের বাইরেও চলে যেতে পারে।

ওয়েবডেস্ক: আগামী ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে সারা দেশের ১০৯টি রুটে মোট ১৫১টি বেসরকারি ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রেলমন্ত্রক। এর মধ্যে শুধুমাত্র হাওড়া ক্লাস্টার থেকেই ১০টি-সহ পশ্চিমবঙ্গের ১৫টি রুটে চলবে এ ধরনের বেসরকারি ট্রেন। এই ট্রেনগুলির পরিচালনভার বেসরকারি হাতে গেলে ভাড়া বাড়বে কি না, এখন সেই প্রশ্নই উঠে আসছে।

গত বুধবার‌ রেলমন্ত্রক ১৫১টি ট্রেন বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার প্রারম্ভিক পর্বে ‘যোগ্যতা যাচাইয়ের অনুরোধ’ বা রিকোয়েস্ট ফর কোয়ালিফিকেশন (RFQ) জমা দেওয়ার কথাও জানায়। বৃহস্পতিবার রেলবোর্ডের চেয়ারম্যান বিনোদকুমার যাদব এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পেশ করেন।

বেসরকারি ট্রেন চালানোর জন্য মূলত লাভজনক রুটগুলি বেছে নেওয়া হচ্ছে, চেয়ারম্যানের ঘোষণা থেকে তা স্পষ্ট। তবে নতুন বেসরকারি ট্রেন চালু হলেও পুরনো ট্রেনগুলি আগের মতোই চলবে বলে জানা যায়। একই সঙ্গে রেলের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, সাধারণ ট্রেনের তুলনায় বেসরকারি ট্রেনের ভাড়ার ফারাক হবে বিপুল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যা সাধারণ যাত্রীদের নাগালের বাইরেও চলে যেতে পারে।

এক নজরে ১৫টি রুট

১. হাওড়া-ভাগলপুর

২. শিয়ালদহ-গুয়াহাটি

৩. হাওড়া-বারাণসী ভায়া পটনা

৪. হাওড়া-আনন্দবিহার

৫. নিউ বঙ্গাইগাঁও-হাওড়া

৬. হাওড়া-রাঁচি

৭. পুরী-হাওড়া

৮. হাওড়া-চেন্নাই

৯. হাওড়া-পুনে

১০. রাঁচি ভায়া পুরুলিয়া-হাওড়া

১১. মুম্বই-হাওড়া

১২. আসানসোল-পুরী

১৩. আসানসোল-সুরত

১৪. হাওড়া-বেঙ্গালুরু

১৫. হাওড়া-সেকেন্দরাবাদ

রেল জানিয়েছে, বেসরকারি ট্রেনের ভাড়া হবে ‘ফ্লেক্সিবল’। অর্থাৎ, যাত্রী চাহিদা বাড়া-কমার সঙ্গেই ভাড়া‌র তারতম্য ঘটবে। তবে এর জন্য কোপ পড়বে না পুরনো ট্রেনগুলির সময়তালিকায়। রেল জানায়, ওই ট্রেনগুলি আগের মতোই চলবে। বেসরকারি উদ্যোগে আরও পাঁচ শতাংশ ট্রেনকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে যাত্রী পরিকষেবা আরও উন্নত হবে।

বেসরকারি হাতে ট্রেন পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কেন্দ্রীয় এই পরিকল্পনাটি গত ২০১৯ সালেই গৃহীত হয়েছিল। সেই পরিকল্পনাই এখন দ্রুত বাস্তবায়িত করতে চাইছে কেন্দ্র। যা নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে রেলের কর্মী সংগঠনগুলিও সরব হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, “ভারতীয় রেল দেশের গরিব মানুষের একমাত্র জীবনরেখা। কেন্দ্রীয় সরকার এখন সেটাকে ছিনিয়ে নিতে চাইছে। দেশের জনতা এর কড়া জবাব দেবেন, এ কথা মনে রাখবেন”।

১২টি ক্লাস্টার

১. বেঙ্গালুরু

২.চণ্ডীগড়

৩.চেন্নাই

৪. দিল্লি-১

৫. দিল্লি- ২

৬. হাওড়া

৭. জয়পুর

৮. মুম্বই-১

৯. মুম্বই -২

১০.পটনা

১১. প্রয়াগরাজ

১২. সেকেন্দরাবাদ ক্লাস্টার।

বেসরকারি ট্রেন চালাতে সারা দেশকে এই ১২টি ক্লাস্টারে ভাগ করেছে রেল।

পড়তে পারেন: ট্রেন চালানোর জন্য কেন বেসরকারি বিনিয়োগের মুখাপেক্ষী নরেন্দ্র মোদী?

Continue Reading
Advertisement
রাজ্য13 mins ago

এ বার মাস্ক না পরলে শাস্তি‍! নতুন নির্দেশিকা রাজ্য়ের

ক্রিকেট19 mins ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: ম্যাচ গড়াপেটার তদন্ত বন্ধ করল শ্রীলঙ্কা

দেশ49 mins ago

নাগাল্যান্ডে নিষিদ্ধ হল কুকুরের মাংস

দেশ57 mins ago

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, রেল বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে ট্রেড ইউনিয়নগুলি

দেশ2 hours ago

‘বিস্তারবাদ’ অতীত, বিশ্বে এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক, লাদাখে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

gst
শিল্প-বাণিজ্য3 hours ago

জিএসটি-তে বড়োসড়ো স্বস্তি, কমল জরিমানা

দেশ3 hours ago

এক মাসে ভারত-বাংলাদেশ পণ্যবাহী শতাধিক ট্রেন চলেছে

thunderstorm
রাজ্য4 hours ago

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

নজরে