zoo

শুভদীপ চৌধুরী, পুরুলিয়া: গ্রীষ্মের প্রখর তাপে তপ্ত গোটা পুরুলিয়া জেলা। কয়েকদিন আগেও পুরুলিয়ার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করেছে ৪০ ডিগ্রি বা তার আশেপাশে। প্রবল গরমে কাবু হয়ে পড়েছিল মানুষের মতো বন্যপ্রাণীরাও। তাই পুরুলিয়ার সুরুলিয়া মিনি জু–তে থাকা হরিণ, ভালুক থেকে শুরু করে সমস্ত পশুদের খাবারের মেনু পাল্টে ফেলা হয়।

ওআরএস থেকে ভিটামিন পাউডার, এমন‌কী, জলের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি সবুজ পাতা থেকে তরমুজ, মিক্সড ভেজ–সহ নানা খাবার খাইয়ে একেবারে ভালোভাবে রাখা হচ্ছে মিনি জুয়ের পশুদের। কর্তৃপক্ষের দাবি, বর্ষা এসে গেলেও পশুদের খাদ্য তালিকায় এখনও তেমন পরিবর্তন করা হয়নি। পুরুলিয়ায় এখন গরমের দাপট কমেনি, সোমবারও তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি। তাই এখানকার পশুরা এ দিনও গরমে হাঁসফাঁস করছে। তাই তাদের খাবারের তালিকা অপরিবর্তিতই রয়েছে ।

পশুদের যে সব খাবার দেওয়া হচ্ছে, তা আরও দিন পনেরো দেওয়া হবে বলে জানায় জু কর্তৃপক্ষ। তার পর কিছু পরিবর্তন আনা হতে পারে তাদের খাবারে। বর্তমানে পুরুলিয়ার মিনি জু–তে ছোট–‌বড়ো প্রায় ৪০টি হরিণ, ২টি ভালুক–সহ বাঁদর, হনুমান ও সাপ রয়েছে। মে মাসে প্রবল গরম পড়ায় সব পশুরই খাবারের মেনু একেবারে বদলে ফেলা হয় ।

মিনি জু–তে কর্মরত গণেশ রাজোয়াড়, যুধিষ্ঠির রাজোয়াড়রা বলেছেন, “গরমের জন্য হরিণ, ভালুকের খাবারের মেনু একেবারে বদলে ফেলা হয়। সকাল–‌বিকেল ওআরএস দেওয়ার পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে ভিটামিন ও যথেষ্ট পরিমাণে পানীয় জল। হরিণদের সকালে গমের ভুষি, অড়হর ডাল, যব দেওয়া হয়। দেওয়া হয় সবুজ ঘাস, পাতাও। দুপুরে দেওয়া হয় মিক্সড ভেজিটেবল, যার মধ্যে ছিল শসা, গাজর, বিনস, লাউ। আর বিকেলে দেওয়া হয় সবুজ ডাল, পাতা প্রভৃতি। সারাদিন দেওয়া হয় পর্যাপ্ত জল এবং ওআরএস। আর ভালুকদের মেনু একটু আলাদা। সকালে দুধ–রুটি। দুপুরে খেজুর, তরমুজ। বিকেলে দুধ, পাউরুটি। স্নানের জন্য পর্যাপ্ত জলও তাদের দেওয়া হয়”।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন