BJP lotus

ওয়েবডেস্ক: দিলীপ ঘোষের আশঙ্কাই তা হলে কি সত্যি হতে চলেছে?

উত্তরবঙ্গের দুই জেলায় এমন একাধিক বিজেপি হয়ে মনোনয়ন জমা করা একাধিক প্রার্থীর হদিশ মিলল, যাঁরা এখন থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলেছেন। শুধু যোগাযোগই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিজেপির গোপন কিছু তথ্য তাঁরা পৌঁছে দিচ্ছেন শাসক দলের হাতে। এ ব্যাপারে কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে প্রায় ডজন দুয়েক নেতার এমন কার্যকলাপের তথ্য এসেছে রাজ্য বিজেপির কাছে।

পঞ্চায়েত ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগে থেকেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “তৃণমূল থেকে আসা কোনো স্থানীয় নেতাকে টিকিট দেওয়া হবে না”। দিলীপবাবুর আশঙ্কার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের সক্রিয়তা। মুকুলবাবু যে ভাবে জেলায় জেলায় ঘুরে বিজেপির প্রার্থী জোগাড়ে নেমেছিলেন, তা তে সংশয় দেখা গিয়েছিল বিজেপির একাংশে। খোদ দিলীপবাবু বলেছিলন, “তৃণমূল বাদে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল থেকে কোনো নেতা এলে তাঁকে প্রার্থী করা হবে। কিন্তু তৃণমূলের কাউকে টিকিট দেওয়া হবে না। যুক্তি হিসাবে তিনি বলেছিলেন, তৃণমূল থেকে আসা নেতারা বিজেপির টিকিটে জিতে ফের তৃণমূলে ফিরে যেতে পারেন। কিন্তু অন্য দলের ক্ষেত্রে তার সম্ভাবনা কম”।

কিন্তু মনোনয়নের সংখ্যা বাড়ানোর ফাঁদে পা দিয়ে বাছাই পদ্ধতি শিকেয় ওঠে। বিজেপি প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেওয়া ওই নেতাদের কেউ কেউ বিজেপির ‘ক্ষতি’ করতেও পিছপা হচ্ছেন না। এর মধ্যে রয়েছেন বেশ কিছু প্রবীণ বিজেপি নেতাও। দলের এক নেতা বলেন, ‘ওই তৃণমূল নেতারা বিজেপির অন্দর মহলে ঢোকার ছাড়পত্র পেয়ে যাওয়ায় বিপদে পড়তে হচ্ছে বিজেপিকেই। তাঁরা দলীয় গোপন বৈঠকের কথা চালান করছে। ফলে বিজেপি কর্মীরা শাসক দলের হাতে আক্রান্ত হচ্ছে’।

বিজেপির রাজ্য নেতারা এই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট ভাবিত। কিন্তু এই সমস্যা থেকে যে সহজে নিষ্কৃতী মিলবে না, তা তাঁরা বিলক্ষণ জানেন। তবে গোপনীয়তা বজায় রাখতে ওই দু’মুখো নেতাদের চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here