sensex,Nikkei 225,Dow Jones Industrial Average

বিশেষ প্রতিনিধি: মঙ্গলবারের রেকর্ড পতন দেখেছে সারা বিশ্ব। আমেরিকা-ইউরোপ-এশিয়া, তিন মহাদেশের প্রায় প্রতিটি দেশের শেয়ার সূচকের ওই পতনে আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা হলেও খুশির বাতাবরণ বয়ে নিয়ে এল ডাউ জোনস। বাজার খোলার সময় অনেকটা নীচে নেমে আত্মপ্রকাশ করলেও দিনের শেষে প্রায় আড়াই শতাংশ বেড়ে বন্ধ হয়েছে ওই সূচক। আবার টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জ সূচক নিক্কেইয়ের ক্ষেত্রে একই ঘটনা দেখা গেল। সেটিও তিন শতাংশ বেড়ে মাত্র ১০-১৫ মিনিটেই। রাতারাতি কী করে সম্ভব হল এই ভোলবদল?

তেল বাজার। তেল বাজারের সুখবরই বাজারকে চাঙ্গা করে তুলেছে। মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি, শক্তি সম্পর্কিত সমস্ত স্টকের দাম আশ্চর্যজনক ভাবে পড়ে গিয়েছিল বিশ্ব বাজারে। ভারতেও তার বড়োসড়ো প্রভাব পড়েছিল। আজ সকাল পর্যন্ত বিশ্বের প্রধান স্টক একচেঞ্জগুলির সবুজে সবুজে হওয়ার নেপথ্য কারিগরও তারাই। ধারণা করা হচ্ছে সেনসেক্স বা নিফটি-কেও হয়তো তারা আজ কিছুটা হলেও অক্সিজেন জোগাতে পারে। তবে পুরোটাই অনুমান নির্ভর।

বিনিয়োগকারীরা বাজারের প্রতি সব রকমের বিশ্বাসকে জলাঞ্জলি দিয়ে মঙ্গলবার যে হারে শেয়ার বিক্রি করেছেন, তাতে ওই ক্ষত সারিয়ে তুলতে বেশ কয়েক মাস সময় লাগবে। ২০১৮-১৯ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের পর থেকেই এ দেশের বাজারে ধস নামতে শুরু করেছিল। গত চার দিনে যে হারে বিনিয়োগ তুলে নেওয়া হয়েছে তাতে যে কোনো স্টকই নতুন ক্রেতা খুঁজে বেড়াবে। এই সময় আদর্শ না হলেও বিনিয়োগের ঝুঁকি নেওয়া যেতে পারে শর্ট টার্মের ভিত্তিতে। নিফটি তার ১০,৩০০ পয়েন্টের সাপোর্ট ভেঙে ফেলেছে, দ্বিতীয় সাপোর্ট ১০,০০০। ফলে দ্বিতীয় সাপোর্ট ভাঙার জন্য অপেক্ষা যেমন করা যেতে পারে তেমনই বর্তমান বাজারে বিনিয়োগে মোটেই হাত পুড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন