jgargram1
Samir mahat
সমীর মাহাত

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিজের ব্লক এলাকায় প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন এঁদের কেউ কেউ। এ বার নির্বাচন কমিশন প্রার্থীপদ বেঁধে দেওয়ায়, জয়ী প্রার্থীরা অনেকেই নিজের এলাকায় দাঁড়াতে পারেননি। ঝাড়গ্রাম ব্লকের তপন বন্দোপাধ্যায় এ বার বিনপুর-২ (লালগড়) এলাকা থেকে জেলা পরিষদের প্রার্থী হয়েছেন। একই ভাবে ঝড়গ্রাম ব্লক এলাকা ছেড়ে শুভ্রা মাহাত জামবনি ব্লক এলাকা থেকে জেলা পরিষদের প্রার্থী হয়েছেন।

ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদে মোট ১৬টি আসন। তার মধ্যে বেশির ভাগ তফশিলি জাতি, উপজাতি, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি এবং মহিলা সংরক্ষিত। এই সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা মোট আসনের অর্ধেক। ২০১৩ নির্বাচনে ঝাড়গ্রাম মহকুমা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ঝাড়গ্রাম নতুন জেলা ঘোষণা হওয়ার পর প্রশাসনিক ভাবে জরুরি ভিত্তিতে ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ গঠিত হয়। ফলে যাঁরা নিজের এলাকা থেকে গত নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে জয়ী হয়েছিলেন, অচেনা এলাকায় কি সে ভাবেই জয় পাবেন? দলের অন্দরেই তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। ঝাড়গ্রাম ব্লক তৃণমূলের যুব সভাপতি অশোক মাহাতর বক্তব্য, “প্রতি এলাকায় পঞ্চায়েত ও সমিতিতে প্রত্যাশিত ভোট পেলে জেলা পরিষদ প্রার্থীর ক্ষেত্রে জয়লাভ স্বতঃস্ফূর্তই হবে।”

আরও পড়ুন: উন্নয়নে ছয়লাপ, তবু ‘পথ’ই যেখানে পঞ্চায়েত জয়ে ‘পথের কাঁটা’

জামবনি ব্লকের এক তৃণমূল নেতা বলেন, “এলাকার পরিচিত মুখ হলে আমাদের প্রচারের সুবিধা বেশি। সে ক্ষেত্রে প্রার্থীর জয়ের ব্যবধান আরও বেশি হয়।” এ ব্যপারে জেলা পরিষদ প্রার্থী তপন বন্দোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল মানেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। যে ভাবে জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে, তাতে আমাদের প্রতীক ছাড়া গ্রামের মানুষ অন্য কোথাও ভোট দেবেন বলে মনে হয় না। শাসকদলে অনেকই প্রার্থী হতে চায়। ১৬ এপ্রিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন, তার পরই প্রকৃত চিত্রটা সামনে আসবে।”

-ফাইল চিত্র

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন