Tmc Rally

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: নয়াগ্রাম ব্লকের চন্দ্ররেখা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলডিহা চাতালের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। এই ঘটনা সামনের পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে রীতি মতো প্রভাব ফেলবে, তা তাঁদের কথায় স্পষ্ট ধরা পড়ছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই চাতালের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হয়। ঠিকাদার বরাদ্দ মতো সামগ্রীর বদলে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করান বলে অভিযোগ। এই মর্মে গ্রামবাসীরা মহকুমা ও জেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঝাড়গ্রাম মহকুমা শাসক নকুলচন্দ্র মাহাত।

স্থানীয় বাসিন্দা বুদ্ধেশ্বর মুর্ম্মু, ভীমচরণ মুর্ম্মু, বুদ্ধেশ্বর টুডু-সহ অনেকেই বলেন, চাতালের দু’পাশের মাটির কাজ অসম্পূর্ণ। বর্ষা নেমে এলে যেটুকু কাজ হয়েছে তাও নষ্ট হয়ে যাবে। কুলডিহা, লোহাবেড়ায়া, চিল্কিপাদা, কুইলিসুতা ও তুলসীবনি- এই পাঁচ মৌজায় জলের অভাবে চাষ হবে না। গ্রামবাসীরা প্রশাসনের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলছেন, টাকা বরাদ্দ হয়ে যাওয়ার পরেও কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে কেন? ভুক্তভোগী ওই এলাকার কৃষকেরা অভিযোগ করেন, শোনা যাচ্ছে সারা রাজ্য জুড়ে উন্নয়নের যজ্ঞ চলছে। তা হলে তাঁদের কেন বঞ্চিত হতে হচ্ছে। এই ধরনের সার্বিক উন্নয়নের কাজ যাঁদের দেখাশোনা করার কথা প্রায়শই তাঁদের নাগাল পাওয়া যায় না। অথচ ভোট আসতেই এখন তাঁরা হাজার রকমের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন।

নজরে নয়াগ্রাম ব্লক

সব মিলিয়ে কুলডিহা গ্রামের চাতাল নির্মাণ নিয়ে এলাকায় যথেষ্ট চাপা ক্ষোভ রয়েছে। স্থানীয় ৩ নম্বর অঞ্চলের কদমডিয়া বুথের বিজেপি প্রর্থী খগেশ্বরী মাহাতর শ্বশুর সর্ব্বেশ্বর মাহাত বলেন, “উন্নয়নের কাজ ঠিকঠাক না হলে গ্রামবাসীদেরই ক্ষতি। বর্ষার আগে মাটির কাজ না হলে সরকারি এই প্রকল্প জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে”।

নয়াগ্রাম ব্লকের এক তৃণমূল নেতার কথায়, “কাজ শেষ হওয়ার আগেই স্থানীয়রা বিভিন্ন কারণে অভিযোগ জানায়। ফলে সমস্যার সৃষ্টি হয়ে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচন পার হলেই ফের মাটির কাজ করা হবে”।

ছবিতে: তৃণমূল প্রার্থীর প্রচার

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here