রবীন্দ্রভবন, মংপু। নিজস্ব চিত্র

মংপু: মংপুর রবীন্দ্র ভবনে কোনো চুরির ঘটনা ঘটেনি। সেখান থেকে কোনো জিনিসপত্র খোয়াও যায়নি। এই মর্মে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে সাফ জানিয়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্তর্গত সিঙ্কোনা অ্যান্ড আদার মেডিসিনাল প্লান্টসের ডিরেক্টর স্যামুয়েল রাই।

রবীন্দ্র ভবনে চুরির ঘটনা ঘটেছে, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। এই মর্মে একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে ডিরেক্টরেটের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, “ডিরেক্টরেটের তরফে পুরো রবীন্দ্রভবনটি খতিয়ে দেখা হয়েছে। ভবনটি সারিয়ে তোলার আগে এখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে লেখা কিছু চিঠি ছিল, যা দেখভালের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়।”

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভবনটির সারিয়ে তোলার কাজ শেষ হয়ে গেলে পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ কমিশনের সদস্য অরুনেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় প্রস্তাব দেন, রবীন্দ্রনাথ ব্যবহৃত যে সব জিনিসপত্র ঠিকঠাক অবস্থায় রয়েছে, সেগুলিই যেন এখানে প্রদর্শিত করা হয়। নষ্ট হয়ে যাওয়া জিনিসপত্রের প্রদর্শন করা উচিত নয় বলে প্রস্তাব দেন তিনি।

স্যামুয়েল বলেন, “নষ্ট হয়ে যাওয়া চিঠিপত্রগুলি ডিরেক্টরেটের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এখানে কোনো রকম চুরির ঘটনা বা জিনিসপত্র খোয়া যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি।” এই চিঠিপত্রগুলি কেউ দেখতে চাইলে ডিরেক্টরেটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মংপুর এই বাড়িতে বেশ কয়েক বার এসেছেন রবীন্দ্রনাথ। ১৯৪৪ সালে বাড়িটিকে রবীন্দ্র স্মৃতি ভবন করা হয়। এর পরে ২০০৯-তে বাড়িটিকে ‘রবীন্দ্র সংগ্রহশালা’ বলে ঘোষণা করে তৎকালীন বাম সরকার। বর্তমানে বাড়িটি আরও ভালো করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এই বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করে রাজ্য পর্যটন দফতরও।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here