cpim and tmc

ওয়েবডেস্ক: নারায়ণ খেরিয়া, রাজীব ওরাওঁ এবং সন্ধ্যা সরকার ছেত্রী কয়েক দিন ধরেই নিখোঁজ ছিলেন নকশালবাড়ি থেকে। তাঁদের খুঁজে না পেয়ে স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন নিয়ে উত্তপ্ত বঙ্গে ওই তিন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের ‘অপহরণের’ ইস্যুকে তুলে ধরে প্রতিবাদে নামে বামফ্রন্ট। কিন্তু এ সবের মাঝেই আচমকা উদয় হয়ে তাঁরা ঘোষণা করলেন, সিপিএম ছেড়ে তাঁরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

নকশালবাড়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা ২৬। যেখানে বামেদের দখলে ছিল ১৫টি এবং তৃণমূলের ১০টি। কিন্তু ওই তিন সদস্য শাসক দলে যোগ দেওয়ায় অঙ্কের হেরফের হয়ে তৃণমূল ও বামফ্রন্টের সদস্য দাঁড়াল যথাক্রমে ১৩ ও ১২। অর্থাৎ বামেদের থেকে এগিয়ে গেল তৃণমূল। অবশিষ্ট একটি আসন দখলে রেখেছে বিজেপি।

দার্জিলিং জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী গৌতম দেবের হাত থেকে পতাকা গ্রহণের মাধ্যমে ওই তিন প্রাক্তন সিপিএম নেতা-নেত্রী দলত্যাগের কারণ হিসাবে তুলে ধরেছেন এলাকার উন্নয়ন কর্মসূচিকেই। তাঁদের মতে, শাসক দলে নাম লেখালে এলাকার উন্নয়ন সুষ্ঠু ভাবে সম্ভব। কিন্তু স্থানীয় সিপিএম নেতা মাধব সরকারের দাবি, “ওঁদের তৃণমূলে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে”।

আরও পড়ুন: শেয়ার বাজারে বাড়ছে অস্থিরতা, সংবেদনশীলতার কেন্দ্রে কর্নাটক নির্বাচন

উল্লেখ্য, সম্প্রতি শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সদস্য ছোটন কিস্কু সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় অঙ্কের হিসাবে পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসার ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তার পরেই নকশালবাড়ির এই তিন নেতার দলবদল দার্জিলিংয়ে সিপিএমের সাংগঠনিক শক্তি হ্রাসের নমুনা হয়েই রইল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here