Connect with us

রাজ্য

রাজ্যে তিনটে নতুন পুলিশ জেলা তৈরির প্রস্তাব

Nabanna

ওয়েবডেস্ক: সীমান্তে চোরাচালান রুখতে মালদা এবং মুর্শিদাবাদে তিনটে নতুন পুলিশ জেলা তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিষয়টিতে অনুমোদনের জন্য রাজ্য মন্ত্রিসভার কাছে পাঠানো হবে।

মালদা ভেঙে দু’টি এবং মুর্শিদাবাদ ভেঙে তিনটি পুলিশ জেলা গঠনের উদ্যোগ শুরু হয়েছে। পুলিশ ডিরেক্টরেট থেকে এই প্রস্তাব জমা পড়েছে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরে।

আগামী বছর থেকেই রাজ্যে তিনটি নতুন পুলিশ জেলার আত্মপ্রকাশ ঘটতে চলেছে। প্রাথমিক ভাবে নতুন পুলিশ জেলাগুলিতে পুলিশ সুপার নিয়োগ করা হবে। তার পর থানাগুলির এলাকা পুনর্বিন্যাস করা হতে পারে।

এই মুহূর্তে পুলিশ জেলার সংখ্যা ৩২টি। সর্বশেষ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ভেঙে তিনটি পুলিশ জেলা গঠিত হয়- বারুইপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং সুন্দরবন। এ বার পালা মালদা এবং মুর্শিদাবাদের।

আরও পড়ুন এমনটা হলে আত্মহত্যা করবেন, জানালেন নীরব মোদী

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হওয়ায় এই জেলাগুলিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলা করা প্রশাসনের কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ। জাল নোট, চোরাচালান, গোরু পাচারের মতো অপরাধ প্রশাসনের কাছে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, মূলত বিশাল আয়তনের কারণে এই দুই জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সমস্যা হচ্ছিল প্রশাসনের। নতুন পুলিশ জেলাগুলি গঠিত হলে আইনশৃঙ্খলার কাজে বিশেষ সুবিধা হবে বলে মত নবান্নের আধিকারিকদের।

রাজ্য

সারা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকার সমস্যা অনেক কম: মুখ্যমন্ত্রী

জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ।

কলকাতা: একটি সমীক্ষা রিপোর্ট তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করলেন, সারা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্ব সমস্যা অনেকটাই কম।

সমীক্ষাটি করেছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (Centre for Monitoring Indian Economy) নামে মুম্বই-ভিত্তিক একটি সংস্থা। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী শনিবার একটি টুইটবার্তায় জানান, জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ। সেখানে ভারতে এই হার ১১ শতাংশ। তিনি জানান, কোভিড-১৯ সংকট এবং ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের তাণ্ডব কাটিয়ে উঠতে রাজ্য সরকার যে ইতিবাচক পদক্ষেপগুলি নিয়ে চলেছে, তার জেরেই রাজ্যে বেকারত্ব সমস্যা তুলনামূলক ভাবে কম।

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন টুইটারে লিখেছেন, আমরা কোভিড-১৯ (Conid-19) এবং উম্পুনের (Amphan) তাণ্ডবে সৃষ্টি হওযা ধ্বংসযজ্ঞের মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করেছি। যে কারণে সিএমআইই-র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ, সারা দেশে এই হার ১১ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে বেকারত্বের হার ৯.৬ শতাংশ এবং হরিয়ানায় ৩৩.৬ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে”।

আগের সমীক্ষায় কী বলা হয়েছিল?

সিএমআইই (CMIE)-র মে মাসের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, লকডাউনের জেরে সারা দেশে বেকারত্বের হার ঠেকেছে ২৩.৫ শতাংশে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে এই হার ১৭.৩ শতাংশ।

সংস্থাটি জানায়, গত মার্চ মাসে সারা দেশে বেকারত্বের (Unemployment) হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে যা তখন ছিল ৬.৯ শতাংশ।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৫ মার্চ দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হয়। তবে শুধু ভারত নয়, করোনার প্রভাবে গোটা বিশ্বই চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। কলকারখানা, প্রকল্প বন্ধ হওয়ার জেরে এক দিকে বেড়েছে বেকারত্ব অন্য দিকে আর্থিক টান। সব মিলিয়ে অভূতপূর্ব আর্থিক সংকটে পড়েছে বিশ্ব। ভারত লকডাউন অতিক্রম করে আনলক পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তবে স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কর্মসংস্থান এখনও পুরোপুরি অধরা।

গত বুধবার সিএমআইই নতুন সমীক্ষা রিপোর্টটি প্রকাশ করে। আনলক পর্যায়ে ধীরে ধীরে কলকারখানা, অফিস খোলার পর থেকে সারা দেশেই বেকারত্বের হার শেষ তিন মাসের তুলনায় ধীরে ধীরে কমছে বলে দাবি করা হয়েছে এই সমীক্ষা রিপোর্টে।

Continue Reading

রাজ্য

করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় কলকাতাকে পেছনে ফেলে দিল হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কলকাতাবাসী কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। কারণ করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় ইতিমধ্যেই শহরকে পেছনে ফেলে দিয়েছে এমন দু’টি শহর, যেখানে প্রথম দিকে করোনা-আক্রান্তের কার্যত খোঁজই পাওয়া যাচ্ছিল না। এদের মধ্যে একটি শহর তো আবার গোটা দেশের কাছে মডেলও হয়ে উঠেছিল।

এই দুই শহর হল বেঙ্গালুরু (Bengaluru) আর হায়দরাবাদ (Hyderabad)। গত কয়েক দিন ধরেই আক্রান্তের সংখ্যা বিপুল ভাবে বাড়ছে এই দুই শহরে। কিছু দিন আগেই কলকাতাকে পেছনে ফেলে দিয়েছিল হায়দরাবাদ। এ বার বেঙ্গালুরুরও পেছনে চলে গেল কলকাতা।

শনিবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী কলকাতায় মোট করোনা-আক্রান্ত রয়েছেন ৬,৬২২ জন। এদের মধ্যে অবশ্য সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪১৪২ জন। অর্থাৎ কলকাতায় এখন সুস্থতার হার ৬২.৫৪ শতাংশ।

বেঙ্গালুরুর পরিস্থিতি

গত ২৪ ঘণ্টায় বেঙ্গালুরুতে নতুন করে ৯৯৪ জনের শরীরে করোনার হদিশ মিলেছে। ফলে এই শহরে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭,১৭৩-এ উঠে এসেছে। এখনও পর্যন্ত বেঙ্গালুরুতে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭০০ জন।

উল্লেখ্য, প্রথম দিকে বেঙ্গালুরুতে করোনা-আক্রান্তের খোঁজই পাওয়া যায়নি কার্যত। গোটা দেশের কাছে বেঙ্গালুরু একটা মডেল হয়ে ওঠে। কিছু দিন আগেই শহরে মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের গণ্ডি অতিক্রম করে।

তার পর থেকে আর কার্যত কোনো লাগামই নেই। প্রায় রোজ ৮০০ থেকে ৯০০ জন করে মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন বেঙ্গালুরুতে। অন্য দিকে এখনও পর্যন্ত কলকাতায় দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা দু’শোর আশাপাশেই ঘোরাফেরা করছে।

উদ্বেগজনক হায়দরাবাদ

এ বার আসা যাক হায়দরাবাদের কথায়। বেঙ্গালুরুর ভাগ্যই হয়েছে হায়দরবাদের। গত কয়েক দিন ধরে দিনে হায়দরাবাদে গড়ে এক হাজার জন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছিলেন। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় সেই রেকর্ড ভেঙে খানখান হয়ে যায়। এক দিনে হায়দরাবাদে ১,৬৫৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে এই শহরে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৬,১৫৪-এ।

তেলঙ্গানার ক্ষেত্রে চিন্তার বিষয়টি হল এই রাজ্যে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা মারাত্মক কম। শনিবারই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ২০,৪৬২-তে পৌঁছে গিয়েছে। অথচ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মাত্র ১ লক্ষের কিছু বেশি। সেই দিকে পশ্চিমবঙ্গে নমুনা পরীক্ষা ৫ লক্ষ ২০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।

কোন শহরে, কত আক্রান্ত?

উল্লেখ্য, শহর হিসেবে করোনা-আক্রান্তের নিরিখে এই মুহূর্তে সবার ওপরে রয়েছে দিল্লি (Delhi)। এর পর রয়েছে মুম্বই (Mumbai) আর চেন্নাই (Chennai)। এর পরেই এ বার হায়দরাবাদ আর বেঙ্গালুরু ঢুকে গিয়েছে। ষষ্ঠ স্থানে এখন রয়েছে ঠানে। ফলে বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদের দৌলতে কলকাতা এখন সপ্তমে নেমে এসেছে।

তবে হরিয়ানার গুরুগ্রাম (Gurugram) আর ফরিদাবাদে (Faridabad) যে ভাবে দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে কলকাতা আরও নীচে চলে এলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। আসলে করোনার এই দৌড়টা বড়োই অদ্ভুত। এই প্রতিযোগিতায় কেউ শীর্ষে থাকতে চায় না। যে যত নীচে থাকবে, তার তত বেশি স্বস্তি।

Continue Reading

রাজ্য

রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার দিন আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতার হারও

খবরঅনলাইন ডেস্ক: এই প্রথম রাজ্যে দৈনিক নমুনা পরীক্ষা ১১ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল। স্বাভাবিক ভাবেই রেকর্ড সংখ্যক নমুনা পরীক্ষার দিন, আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড তৈরি হল। একই সঙ্গে পাঁচশোর বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে ওঠায় সুস্থতার হারে আরও কিছুটা উন্নতি এসেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে ৬৬৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা কুড়ি হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে এখন এসে দাঁড়িয়েছে ২০,৪৮৮তে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাজ্যে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার সময়সীমা এখন বেড়ে হয়েছে ২১ দিন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনামুক্তি ঘটেছে ৫৩৪ জনের। ফলে এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে করোনাকে জয় করে ফেলেছেন ১৩,৫৭১ জন। ১৮ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭১৭। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৬৬.২৩ শতাংশ। সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬,২০০।

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী চার জেলা

গত কয়েক দিনের তুলনায় কলকাতায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বেশ কিছুটা কম। এ দিন শহরের ১৮২ জন বাসিন্দা নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে শহরে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬,৬২২। যদিও কলকাতায় সুস্থতার হার বেশ ভালোই। কারণ এখনও পর্যন্ত ৪,১৪২ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কলকাতায় করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪০২। ফলে শহরে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২,০৭৮।

কলকাতার পরেই আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে উত্তর ২৪ পরগনা (১৩৪) আর হাওড়া (১০২)। অন্য দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগণা আর হুগলিতে আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ৬২ জন করে। এই চার জেলার মধ্যে শুধুমাত্র দক্ষিণ ২৪ পরগণাতেই সক্রিয় রোগীর সংখ্যা আগের দিনের থেকে কমেছে।

দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলা

পূর্ব মেদিনীপুর বাদে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা দশের কমেই রয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্তের খোঁজ মেলেনি ঝাড়গ্রাম, আর বীরভূমে। ঝাড়গ্রাম তো এমনিতেই করোনামুক্ত। অন্য দিকে বীরভূমে মোট আক্রান্তের সংখ্যা তিনশো ছাড়ালেও সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ২৮৫ জন।

বর্তমানে পুরুলিয়া আর বাঁকুড়ায় সক্রিয় রোগী রয়েছেন যথাক্রমে ৮ আর ৪৯। পূর্ব আর পশ্চিম বর্ধমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩১ আর ৩২। পূর্ব আর পশ্চিম মেদিনীপুরে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৯৯ আর ৫২। অন্য দিকে নদিয়া আর মুর্শিদাবাদে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা যথাক্রমে ৭৩ আর ৫২।

উত্তরবঙ্গ

উত্তরবঙ্গে মালদা আর দার্জিলিং নিয়ে চিন্তা রয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের। গত ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিংয়ে ২৬ আর মালদায় ৩৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দার্জিলিংয়ের সব আক্রান্তই শিলিগুড়ির। এর মধ্যে মালদায় বর্তমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৯৩ আর দার্জিলিংয়ে ১২৫।

আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, কালিম্পং আর দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো করোনা আক্রান্তের সন্ধান মেলেনি। এর মধ্যে করোনামুক্ত হওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে কোচবিহার। কারণ, ওই জেলায় এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন মাত্র এক জন। আলিপুরদুয়ারে সক্রিয় রোগী ৯ জন।

কালিম্পং এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ জন। উত্তর আর দক্ষিণ দিনাজপুরে যথাক্রমে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৫৮ আর ৩৫ জন।

নমুনা পরীক্ষার তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১১,০৫৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত দৈনিক সর্বোচ্চ। এর ফলে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৫ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়ে গেল। রাজ্যে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার বর্তমানে রয়েছে ৩.৯৪ শতাংশ।

Continue Reading
Advertisement
দেশ31 mins ago

করোনায় মৃত্যু ছেলের, আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন দম্পতি!

বিদেশ1 hour ago

আমেরিকার টাইমস স্কোয়ারে “ভারত মাতা কি জয়”, চিনা পণ্য বর্জনের দাবিতে হুঙ্কার

Income Tax
শিল্প-বাণিজ্য2 hours ago

আয়কর দাখিলের সময়সীমা বাড়ল

কলকাতার পুজো3 hours ago

চোরবাগান চট্টোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপূজায় ভোগ রান্না করেন বাড়ির পুরুষ সদস্যরা

বিনোদন3 hours ago

ময়দান: সৈয়দ আবদুল রহিমের বায়োপিক মুক্তির নতুন দিন জানালেন অজয় দেবগন

রাজ্য3 hours ago

সারা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকার সমস্যা অনেক কম: মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা5 hours ago

কলকাতায় অতিসংক্রমিত ১৬টি অঞ্চলকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়ার প্রস্তুতি

দেশ6 hours ago

৩ লক্ষ টাকায় সোনার মাস্ক, করোনা থেকে মুক্তি মিলবে কি না জানেন না

দেশ7 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২২,৭৭১, সুস্থ ১৪,৩৩৫

ক্রিকেট3 days ago

আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর, এ বার কি সৌরভ?

ক্রিকেট3 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: ফাইনালে খেলা ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসাবাদ শ্রীলঙ্কা পুলিশের

দেশ1 day ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড, সুস্থতাতেও রেকর্ড

ক্রিকেট2 days ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

শিল্প-বাণিজ্য3 days ago

পিপিএফ, এনএসসি-সহ অন্যান্য ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হার অপরিবর্তিত

ক্রিকেট2 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হল কুমার সঙ্গকারা, মাহেলা জয়বর্ধনকে

SBI ATM
শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

এসবিআই এটিএমে টাকা তোলার নিয়ম বদলে গেল

নজরে