Connect with us

রাজ্য

মেলার নিরাপত্তাকে আঁটোসাঁটো করতে গঙ্গাসাগরে তৈরি হচ্ছে তীর্থসাথী

gangasagar

ওয়েবডেস্ক: গঙ্গাসাগর মেলায় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে একটি বিশেষ কন্ট্রোলরুম। তীর্থসাথী নামক এই মেগা কন্ট্রোলরুম থেকেই নজরদারি চালানো হবে গোটা মেলা চত্বরের ওপরে।

মেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আটোসাঁটো করতে মেলা চত্বরে বসছে প্রায় হাজারটি সিসিটিভি। তীর্থসাথী থেকেই এই সিসিটিভিগুলিকে মনিটরিং করা হবে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন।

এই মেগা কন্ট্রোলরুমে বসছে প্রায় ৫৫টি জায়ান্ট স্ক্রিন। এই সব স্ক্রিনেই ধরা পড়বে ওই সিসিটিভির ছবি। মেলা উপলক্ষ্যে কচুবেড়িয়া ঘাট থেকে শুরু করে কপিলমুনির মন্দির, সমুদ্র সৈকত-সহ মেলার প্রায় সব জায়গাই সিসিটিভিতে মুড়ে ফেলা হচ্ছে। কোথাও কোনো রকম বিশৃঙ্খলা ঘটলে, এই কন্ট্রোলরুম থেকে নির্দেশ যাবে পুলিশের কাছে।

আরও পড়ুন পলাশি, মায়াপুর, নবদ্বীপ নিয়ে বিশেষ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

গত বছর মেলাচত্বরে প্রায় ৬০০টি সিসিটিভি লাগানো ছিল। এ বার সেই সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। কোথাও কোনো তীর্থযাত্রী সমস্যায় পড়লে বা কোনো রকম বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই জায়গার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেওয়া হবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

তীর্থসাথী থেকে জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে মেলা চত্বরের বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি মনিটরিং করার পাশাপাশি সরাসরি নবান্ন থেকে গঙ্গাসাগর মেলার খুঁটিনাটি মনিটরিং করা যাবে, এমন ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা এখান থেকেই মেলা পরিচালনা করতে পারবেন বলে দাবি কর্মরত টেকনিশিয়ানদের।

সব মিলিয়ে গঙ্গাসাগর মেলাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এ বার আরও জোরদার করা হয়েছে।

রাজ্য

রাজ্যে করোনায় নতুন আক্রান্ত ৩৬৮, সুস্থতার হারে স্বস্তি

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রাজ্যে করোনায় (Coronavirus) নতুন করে ৩৬৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬,৮৭৬। যদিও কিছুটা স্বস্তি দিয়ে বৃহস্পতিবারই রাজ্যে সুস্থতার হার চল্লিশ শতাংশের গণ্ডি পেরিয়েছে।

এ দিন বিকেলে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৮ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। ফলে শরীর থেকে কোভিড ঝেড়ে ফেলে এখনও পর্যন্ত বাড়ি ফিরে গিয়েছে ২,৭৬৮ জন। তবে নতুন করে ১০ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৫৫। রাজ্যে এই মুহূর্তে সুস্থতার হার ৪০.২৫ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪ জন। ফলে এই মুহূর্তে শহরে মোট করোনারোগী রয়েছেন ২৪৮৮ জন। এর মধ্যে ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন ৯৯৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৩৪ জনের।

নতুন আক্রান্তের থেকে সুস্থ হওয়ার ব্যক্তিদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় যে যে জেলায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে সেগুলি হল, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পূর্ব বর্ধমান।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাওড়ায় ৫০, হুগলিতে ৪৭ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় আক্রান্ত হয়েছেন ২১ জন।

উল্লেখ্য, অভিবাসী শ্রমিকরা ফিরে আসায় রাজ্যে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা কার্যত হুহু করে বাড়ছে। এমন পরিস্থিতি যে তৈরি হবে, সেটা আগে থেকেই আশঙ্কা করেছিল রাজ্য। শ্রমিকদের ফিরে আসার ব্যাপারটি শেষ হলে, নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় কিছুটা লাগাম পড়ে কি না, সেটাই দেখার।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৯,৪৯৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা এখন বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষ ৩২ হাজার ২২৫। রাজ্যে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার এখন রয়েছে ২.৮৪%।

পড়তে থাকুন

দেশ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানালেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল মাকরঁ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে (Cyclone Amphan) ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমাবেদনা জ্ঞাপন করলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল মাকরঁ (Emmanuel Macron)।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) দীকে চিঠি লেখেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। সেই চিঠিতেই উম্পুনের প্রসঙ্গ রয়েছে।

কূটনৈতিক একটি সূত্র জানাচ্ছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা চিঠিতে ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের কথা উল্লেখ করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। ফ্রান্সের সব মানুষের হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে তাঁর সমাবেদনা জ্ঞাপন করেছেন আর ঘূর্ণিঝড়ে মৃতের প্রতি শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রেসিডেন্ট।”

উল্লেখ্য, গত ২০ মে সাগরদ্বীপে আছড়ে পড়েছে মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় উম্পুন। এখনও পর্যন্ত ঝড়ের দাপটে এ রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের, ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক লক্ষ মানুষ।

উত্তর ওড়িশাতেও উম্পুনের প্রভাব পড়েছে। সেখানে কারও মৃত্যু না হলেও পরিকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ভালোই হয়েছে। কিছুদিন আগেই মোদীকে ফোন করে উম্পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমাবেদনা জ্ঞাপন করেছেন ব্রিটেনের যুবরাজ চার্লসও। ফলে বিদেশি সংবাদমাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন নিয়ে হইচই পড়েছিল, চার্লস আর মাকরঁর অবস্থান থেকেই তা স্পষ্ট।

পড়তে থাকুন

রাজ্য

অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা উত্তরবঙ্গে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গে এখন প্রাক বর্ষার সময়। ফলে এখন এমনিতেই কমবেশি বৃষ্টি হয়। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের প্রভাবে আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গে।

ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ (Cyclone Nisarga) এখন দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। মধ্য ভারতে তার অবস্থান। সেই নিম্নচাপটি এখন নেপালের দিকে যাবে। এর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড আর উত্তরপূর্ব ভারতে দু’টি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে।

এর ফলে আরব সাগর আর বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প উত্তরবঙ্গ এবং সমদ্র উত্তরপূর্ব ভারতের দিকে জমা হচ্ছে। এর ফলে তৈরি হয়েছে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস।

আগামী তিন-চার দিন উত্তরবঙ্গের পাহাড় আর ডুয়ার্সের পাঁচ জেলাতেই ভারী বৃষ্টি হবে। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আলিপুরদুয়ার আর কোচবিহারে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এই অতি বৃষ্টির ফলে বর্ষা পৌঁছোনোর ঠিক আগেই উত্তরবঙ্গের নদীগুলি ফুলেফেঁপে উঠতে পারে।

স্বাভাবিক নিয়ম মেনে উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢোকার কথা ৮ জুন। মনে করা হচ্ছে, সঠিক নির্ঘণ্ট মেনেই এ বার বর্ষা প্রবেশ করবে ওই অঞ্চলে।

পড়তে থাকুন

নজরে