tmc

ওযেবডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার ২২টি জেলা পরিষদের মধ্যে ২০টির ফলাফলের আভাস মিলেছে। এগুলির প্রত্যেকটিতেই এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। একই ভাবে সমিতির মোট ২৬৪টি আসনের মধ্যে ১৪১টি আসনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে ১৪০টিতেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল। অন্য দিকে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ হওয়া ১৪৯৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১৩২১টি আসন থেকে ১২৮০টিতেই জয়লাভ করেছেন শাসক দলের প্রার্থীরা। ‌এই ট্রেন্ড বজায় থাকলে তৃণমূল যে জেলার প্রায় ৯৮ শতাংশ আসন দখল করে নিতে চলেছে সে বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহল।

এত দিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর শক্তঘাঁটি হিসাবে পরিচিত মুর্শিদাবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের এহেন জয়জয়কারের নেপথ্য পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরকেই কৃতিত্ব দিচ্ছেন। গত গত লোকসভা নির্বাচনের প্রায় পর থেকেই ওই জেলার দায়িত্বভার যায় তৃণমূলের যুবনেতা শুভেন্দুবাবুর হাতে। তার পর জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে ঘটে গিয়েছে আমূল পরিবর্তন।

আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত রায় লাইভ

শুভেন্দুবাবুর হাত ধরে জেলার একাধিক কংগ্রেস বিধায়ক ইতিমধ্যেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শুভেন্দুবাবুর একাধিক বার সফরে কার্যত জাতীয় কংগ্রেস শিবির উজাড় করে তৃণমূল শিবিরে যোগ দেওয়ার হিড়িক পড়ে যায়।

উল্লেখ্য, ২০১৩-র পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিপত্য কায়েম হলেও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর তথাকথিত ‘গড়’ হিসাবে পরিচিত মুর্শিদাবাদ জেলায় সে ভাবে সাফল্য লাভ করতে পারেনি শাসক দল। সে বার বামফ্রন্ট পেয়েছিল ২৭টি আসন। কংগ্রেস পরিচালিত পরিষদে সভাধিপতি নির্বাচিত হন কংগ্রেসের শিলাদিত্য হালদার। কিন্তু তার পরই রাজনৈতিক পটের পরিবর্তন ঘটে যায় দ্রুত। মাত্র তিন বছরের মধ্যে কংগ্রেস থেকে ২৮ জন এবং বামফ্রন্ট থেকে ১৪ জন সদস্য যোগ দেন তৃণমূলে। নির্বাচনে মাত্র একটি আসনে জয়ী তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩-এ।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন