ওয়েবডেস্ক: বীরভূমের লাভপুরের বিজেপি নেতা সুপ্রভাত বটব্যালের বছর বাইশের মেয়েকে অপরহণের অভিযোগ ওঠে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই ওই যুবতী নিখোঁজ ছিলেন বলে দাবি। তবে ডালখোলা স্টেশন থেকে পুলিশ যুবতীকে উদ্ধার করার পর প্রকাশ্যে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

এ দিন তৃণমূলের বিজেপি জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “এই ঘটনা যে পুরোটাই সাজানো নাটক তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিজেপির কিছু নেতা নিজেরাই অপহরণের নাটক করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছিল”।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, “এই ঘটনায় সুপ্রভাত বটব্যালের সঙ্গে তৃণমূলের বিধায়ক মনিরুল ইসলামও জড়িত। কারণ মহিলা জানিয়েছেন, আমাকে বাবা এবং মনিকাকু যেতে বলেছিল। এই মনিকাকু আর অন্য কেই নন, আমাদের দলের বিধায়ক। দলের বিধায়ক বলে তো সত্য চাপা থাকবে না। তৃণমূলের বদনাম করার জন্যই এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে”।

পুলিশ জানিয়েছে, ডালখোলা স্টেশন থেকে রাজু সর্দার ও দীপঙ্কর মণ্ডল নামে দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়ি থানা এলাকার  ২ যুবককে গ্রেফতার করা হয়। সঙ্গে সুপ্রভাতবাবুকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি অভিযোগে তদন্ত চলছে। সম্ভবত সেটাকে ধামাচাপা দিতেই এই পূর্বপরিকল্পিত অপহরণ।

এ ব্যাপারে অবশ্য মনিরুলসাহেবের কোনো বক্তব্য এখনও জানা যায়নি। তবে গত শনিবার ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ফেরত লাভপুরের ওই বিজেপি নেতার মেয়ে ফেরত না আসায় জনরোষের মুখে পড়ে নিজের গ্রামের খুব কাছ থেকে পালাতে হয়েছিল তাঁকে। ভাঙচুর করা হয়েছিল তাঁর গাড়িটিও।

[ আরও পড়ুন: বিজেপি নেতার মেয়ের অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা! উদ্ধার ডালখোলা স্টেশন থেকে ]

মনিরুলসাহেব পরে জানিয়েছিলেন, “মেয়েটিকে অপহরণ করা হয়েছে, এটা ঠিকই। আমার এলাকায় হওয়ায় ছুটে এসেছিলাম। বিজেপি আমার গাড়ি লক্ষ করে আক্রমণ করে। তবে আমাকে ছুটে পালাতে হয়নি। এ সবই ভিত্তিহীন কথা”।

অর্থাৎ তৃণমূল বিধায়ক নিজেই স্বীকার করেছিলেন যুবতীকে ‘অপরহণ’ই করা হয়েছিল।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here