রাত পোহালেই ভোট! কয়েক ঘণ্টা আগে বিস্ফোরক অনুব্রত মণ্ডল

ওয়েবডেস্ক: “ভোটের আগের দিনটাই তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটা বুথে খোঁজ নেব, সব মাল সেখানে গিয়েছে কি না”! বক্তা আর অন্য কেই নন, বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। আগামী সোমবার লোকসভার চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ বীরভূমে। তার কয়েক ঘণ্টা আগে সংবাদ মাধ্যমের সামনে অনুব্রত “মাল” বলতে কী বোঝাতে চাইলেন, সেটা নিয়ে জোর জল্পনা।

ইতিমধ্যেই অনুব্রতর বিরুদ্ধে সরব হয়ে ভোটকর্মীদের একটি সংগঠন তাঁকে ভোটগ্রহণের দিন গৃহবন্দি করার দাবি তুলেছে। ভোটের দিন অনুব্রত বাড়ির বাইরে থাকলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। এ দিনই তিনি বলেন, শুধুমাত্র ঘরবন্দি করে কিছু হবে না। সব থেকে ভালো হবে যদি অনুব্রতকে বাংলার বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দিলীপবাবু জানান, “ওঁকে ঝাড়খণ্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হোক”। একই সঙ্গে তিনি অনুব্রতকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘উৎসাহ’ দেওয়ার বিষয়েও প্রতিবাদ করেন।

বরাবরই ভিন্নধর্মী মন্তব্যের জেরে রাজনৈতিক তরজায় সতেজ থাকেন অনুব্রত। সেটা ‘উন্নয়ন’, ‘গুড়-বাতাসা’, ‘চড়াম চড়াম’ বা হালের ‘নকুলদানা’ যাই হোক না কেন! এ সব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফতোয়াও তাঁকে দেখতে হয়েছে একাধিকবার। কিন্তু তিনি যে দমার পাত্র নন, সেটাই প্রমাণ করলেন ভোটগ্রহণের কয়েক ঘণ্টা আগেই। এ বার তাঁর অভিধানে নবসংযোজন ‘মাল’।

ভোটকর্মীদের সংগঠন অথবা বিরোধী রাজনৈতিক দল যখন তাঁরে গৃহবন্দি করার দাবি তুলছে, তখন তিনি আরও কয়েক কদম এগিয়ে বলছেন, “আজ, রবিবার দিন ও রাতে মুরারই থেকে সিউড়ি, খয়রাশোল চষে বেড়াব। ভোটের দিনও ১৪টা বিধানসভা কেন্দ্র ঘুরে বেড়াব। কমিশন পারলে আমায় আটকে দেখাক”।

তবে এ দিনই অনুব্রতকে নজরবন্দি ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.