Connect with us

রাজ্য

২১ জুলাই: পরের বছর আরও বড়ো করে উদ্‌যাপনে আত্মবিশ্বাসী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এ বারেই শেষ দেখছেন দিলীপ ঘোষ

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই তৃণমূলের শেষ শহিদ দিবস

Published

on

কলকাতা: করোনাভাইরাস মহামারির (Coronavirus pandemic) কারণে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দলের ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালন করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এ দিনের সভা থেকে আগামী বছর সব থেকে বড়ো ‘একুশে জুলাই’ উদ্‌যাপনের আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। উল্টো দিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) দাবি, “মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই ওনার শেষ ২১ জুলাই।”

মমতার এ দিনের বক্তব্যে ঘুরেফিরে আসে বিজেপির সমালোচনা। ২১ জুলাইয়ের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সংক্ষেপে সিপিএমের কথা টেনে আনলেও বর্তমানে বিজেপির কার্যকলাপ এবং বাড়বাড়ন্ত নিয়ে তীব্র সমালোচনা উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

মমতা বলেন, “সিপিএমের জমানায় আমাকে বারবার শারীরিক ভাবে নিগ্রহ করা হয়েছে। আর বিজেপি ক্রমাগত অপমান করে চলেছে। ওরা আমাকে অপমান করছে, বাংলাকে অপমান করছে, বাংলার মানুষকে অপমান করছে। ভুয়ো খবর ছড়িয়ে মানুষের মনে ভুল ধারণা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। কেন্দ্র দিনে-দুপুরে অপমান করছে। এর বদলা আমরা নেব, এর বদলা আমরা মানবিকতা দিয়ে নেব। বাংলার মানুষ জানিয়ে দেবে যে কোনো বহিরাগত বাংলাকে শাসন করবে না। গুজরাত বাংলা শাসন করবে না। বাংলা শাসন করবে বাংলাকে”।

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই শেষ একুশের সভা। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলনেত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “আগামী বছর জিতে এসে আরও বড়ো সভা করব”। একই সঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “নির্বাচনকে বিজেপি একটা নোংরা খেলায় পরিণত করেছে। টাকা দিয়ে ভোট কেনে। কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে বলে গায়ের জোর? কখনও বলছে এনকাউন্টার করো, কখনও বলছে হিংসা করো”।

তবে তার আগেই এ দিন সকালে ইকো পার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিমায় দিলীপবাবু দাবি করেন, “মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই ওনার শেষ ২১ জুলাই।”। তিনি বলেন, “যারা শহিদদের রক্তের বিনিময়ে সরকারে এসেছে, এখন তারা বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মী আর সাধারণ মানুষকে শহিদ করছে।”

তাঁর কথায়, “যাঁরা গণতন্ত্রের জন্য প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ দিবসের নামে প্রহসন করছেন। বিরোধীদের মেরে টাঙিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর উনি শহিদ দিবস পালন করছেন।”

আরও পড়তে পারেন: “আমাদের সরকার থাকলে আজীবন ফ্রি রেশন”, একুশের সভা থেকে ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দুর্গা পার্বণ

পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশিবাড়ি বৈষ্ণবধারার হলেও পুজোয় বলিদান হয় দেবীরই আদেশে

Published

on

বকশিবাড়ির দুর্গাপ্রতিমা।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

দুর্গাপুজোয় নানা রীতি, নানা আচার পালন করা হয় বিভিন্ন বনেদিবাড়িতে। কোথাও দেবীর ভোগে অন্ন থাকে, আবার কোথাও দেবীকে লুচিভোগ দেওয়া হয়। মৃন্ময়ী মূর্তির ক্ষেত্রেও বিশেষত্ব দেখা যায়। যেমন, কোথাও তিনি ব্যাঘ্রবাহিনী আবার কোথাও তিনি সিংহবাহিনী।

বঙ্গের পুজোয় কুলাচারের নিয়ম প্রতিটি বাড়িতেই বহু বছর ধরে পালিত হয়ে আসছে এবং এটাই বঙ্গের সংস্কৃতি যা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন অগণিত ভক্ত। তেমনই পশ্চিম বর্ধমানের বকশিবাড়িতে দেবীর পদতলে বিরাজ করেন সিংহের পরিবর্তে বাঘরাজ। এই বাড়ির পুজো প্রায় ২৬২ বছরের পুরোনো।

পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশি বংশের আদিপুরুষ কিশোরীমোহন দাস ছিলেন বৈষ্ণবভক্ত। বর্ধমানের মহারাজাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। নানা অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন কিশোরীবাবু। তাঁর সেই ক্ষমতা দেখে তাঁর সাধ্যমতো উপকার করার প্রতিশ্রুতিও দেন বর্ধমানের মহারাজা। এর পর কিশোরীমোহন দাস সস্ত্রীক বৃন্দাবনে যান এবং সেখানেই তাঁর স্ত্রী এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। পুত্রের নাম রাখা হয় গোবর্ধন। এই গোবর্ধন দাস ছিলেন বীর যোদ্ধা এবং প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী। বর্ধমানের মহারাজা তাঁর অসীম ক্ষমতা দেখে তাঁকে প্রধান সেনাপতির পদে নিযুক্ত করেন এবং তাঁকে বকশি উপাধি প্রদান করেন। গোবর্ধন দাসের সূত্রেই সূচনা হল বকশি বংশের।

১৭৫৭ সালের পরবর্তী সময়ে দেশীর রাজাদের সঙ্গে ইংরেজদের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। সেই সময় গোবর্ধন বকশি ছিলেন বর্ধমান মহারাজার প্রধান সেনাপতি। যুদ্ধ চলাকালীন গোবর্ধনবাবু একদিন মায়ের স্বপ্নাদেশ পান। মা তাঁর মূর্তিপূজা শুরু করতে বলেন। মা বলেন, তাঁর মূর্তিপূজা করলে তিনি তাঁকে এবং তাঁর বংশকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবেন। মা স্বপ্নাদেশেই জানিয়ে দেন, তাঁর যে মৃন্ময়ীরূপের পুজো হবে, সেই রূপ তিনি দাঁইহাটের এক শিল্পীকে স্বপ্নাদেশে বর্ণনা করে দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিজয়নগরের গাছতলায় তাঁর যে শিলামূর্তি রয়েছে, তা এনে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করারও আদেশ দেন মা।   

মায়ের মুখ।

এর পর দেবীর আদেশানুসারে গোবর্ধন বকশি শিলামূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন এবং দাঁইহাটের শিল্পীর সাহায্যে মূর্তি তৈরি করে শুরু করেন বংশের দুর্গাপুজো, যা আজও বংশপরম্পরায় চলে আসছে।

এই বাড়ির পুজো শুরু হয় রথের দিন মায়ের কাঠামোয় মাটি দিয়ে। এই বাড়ির মূর্তির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল দেবীর ডান পাশে থাকেন শ্রীলক্ষ্মী ও কার্তিক এবং বাঁ পাশে থাকেন দেবী সরস্বতী ও গণেশ। দেবীর দুর্গার আটটি হাত ছোটো, কাঁধে বসানো এবং বাকি দুটি হাত স্বাভাবিক। ছোটো আটটি হাতের অস্ত্র মাটির এবং ত্রিশূলটি রুপোর তৈরি। এই বকশিবাড়িতে মায়ের বাহন হলেন বাঘ।

বকশি পরিবার বৈষ্ণব হলেও দেবীর আদেশে বলিদান প্রথা পালন করা হয় বলে জানালেন পরিবারের সদস্য শুভদীপ বকশি। দুর্গাপুজোর সপ্তমী ও মহাষ্টমীতে একটি করে ছাগ এবং মহানবমীতে তিনটি ছাগ, একটি মহিষ, চালকুমড়ো এবং আখ বলিদান হয়। এই বাড়ির দেবীকে কোনো শাড়ি পরানো হয় না। পুরো সাজটাই হয় রাজস্থানী ঘাঘরা দিয়ে। মায়ের মন্দিরের ভেতরে কোনো বেদি নেই। দেবীর আদেশে মন্দিরের ভেতরের মেঝেটি পুরোটাই মাটির।

বকশিবাড়ির পুজোয় ১২০ জনেরও বেশি ঢাকি আসেন। ঢাকের লড়াই চলে গ্রামের সরকারবাড়ির সঙ্গে বকশিবাড়ির। এ এক চিরন্তন প্রথা। বকশিবাড়িতে পুজোর সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় – নাচ, নাটক, গান ইত্যাদি। বকশিবাড়ির খ্যাপা মাকে দর্শন করতে মানুষ ছুটে আসেন দূরদূরান্ত থেকে, জড়ো হন এ বাড়ির ঠাকুরদালানে। পুজোর চার দিন ঠাকুরদালানে ভক্তদের ভিড় দেখার মতন।

বকশিবাড়ির কুলদেবতা হলেন গোপাল। পুজোর সময় মায়ের সামনে গোপালকে রেখে তাঁর পুজো করা হয়। এই ভাবে পুজোর নানা প্রথা আঁকড়ে রেখে এবং সাবেক ঐতিহ্য মেনে আজও পুজো হয় বকশিবাড়ির খ্যাপা মায়ের।

খবর অনলাইনে আরও পড়তে পারেন

উধাও হয়ে যাওয়া শ্রীরাধারমণ বিগ্রহ ফিরে পেতেই শান্তিপুরের বড়ো গোস্বামী বাড়িতে শুরু হয় কাত্যায়নীর আরাধনা

Continue Reading

মুর্শিদাবাদ

সাগরদিঘিতে তৈরি হবে দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র

পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্পোরেশন লিমিটেড (WBPDCL) এই বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করবে।

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক: দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র (floating solar plant) তৈরি হবে সাগরদিঘিতে (Sagardighi)। ৫ মেগাওয়াট শক্তিসম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরিতে অনুমোদন দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রীসভা। মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (SgTPP) অঙ্গ হিসাবে গড়ে উঠবে এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গ ক্যাবিনেটের ওই বৈঠকে প্রসঙ্গটি তোলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিষয়টি মন্ত্রীসভার অনুমোদন লাভ করে।

পরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “৫ মেগাওয়াট শক্তিসম্পন্ন এই ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের সব চেয়ে বড়ো এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে। এর আগে তিরুপতির কাছে চিত্তুরে এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হয়, যার ক্ষমতা ৪ মেগাওয়াট।”

স্বরাষ্ট্র সচিব আরও জানান, এই ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করতে রাজ্য সরকারের ২২ কোটি টাকা খরচ হবে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি চালু হয়ে যাওয়ার পরে ১ লক্ষেরও বেশি পরিবারে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক সিনিয়র আধিকারিক জানিয়েছেন, কোভিড মহামারির বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরিতে বিলম্ব হতে পারে। এই প্রকল্পের কাজ ২০২০-এর এপ্রিলেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিডের জন্য সব কিছু আটকে গেছে। এখন এই প্রকল্পের কাজ শেষ হতে ঠিক কতটা সময় লাগতে পারে তা বলা যাচ্ছে না।

পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্পোরেশন লিমিটেড (WBPDCL) এই বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করবে। ভাসমান হাইড্রোলিও মঞ্চের উপরে সোলার মডিউল বসবে। ভাসমান হাইড্রোলিও মঞ্চ তৈরি করছে ফরাসি কোম্পানি সিল অ্যান্ড টেরে।

সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাঁচা জলের ৩ নম্বর পুকুরে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে।

খবর অনলাইনে আরও পড়তে পারেন

উত্তরবঙ্গে আরও দু’দিন অতি বৃষ্টির আশঙ্কা, দক্ষিণে বিক্ষিপ্ত

Continue Reading

রাজ্য

শিকেয় উঠছে করোনা সতর্কতা, বাইরে বেরিয়ে এই ৫টি কাজ মোটেই করবেন না

লকডাউন উঠে আনলক চালু হলেও ভাইরাস কিন্তু পালায়নি!

Published

on

ওয়েবডেস্ক: দেশে দৈনিক করোনাভাইরাস (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা এখনও যথেষ্ট। যদিও সুস্থতার হারও ঊর্ধ্বমুখী। তবে সংক্রমণ ঠেকাতে কোভিড-১৯ (Covid-19) সুরক্ষাবিধি মেনে চলা উচিত। বিশেষত, এই পাঁচটি ‘ভুল কাজ’ যেন মোটেই করবেন না।

রাস্তাঘাট, দোকানবাজার, এমনকি হাসপাতাল চত্ত্বরেও এখন মাস্কবিহীন মানুষের আনাগোনা। পুলিশও যে আর আগের মতো সুরক্ষাবিধি বজায় রাখার উপর নজরদারি চালাচ্ছে না, সেটা বাইরে বেরোলেই স্পষ্ট। সরকারি ভাবে সংবাদ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়াস জারি থাকলেও বড়ো অংশের মানুষের যে তাতে আগ্রহ নেই, সেটাও একাংশের মানুষের আচরণে সহজে বোঝা যাচ্ছে।

১. ভাইরাস কিন্তু পালায়নি!

[এমন ছবিই যত্রতত্র এবং সর্বত্র]

লকডাউন পার করে আনলক পর্বে লকডাউনের কড়াকড়ি শিথিল হলেও করোনাভাইরাস কিন্তু এখনও স্বমহিমায় মজুত। স্বাভাবিক ভাবেই আগের মতোই শারীরিক দূরত্ব (Social Distancing) বজায় রাখার বিষয়টি মোটেই ভুলে গেলে চলবে না। অফিস-কারখানা খুলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চালু হয়েছে বাস-অটো। ফলে রাস্তায় থাকার সময় শারীরিক দূরত্ব যতটা বেশি সম্ভব মেনে চলতে হবে।

২. ছোঁয়াছুঁয়ি যতটা এড়ানো যায়

[বাসে গাদাগাদি ভিড়]

কাজের জন্য বাইরে বেরোনোয় ততটা বিধিনিষেধ এখন আর নেই। কিন্তু তাই বলে যত্রতত্র স্পর্শ করার অভ্যেস এখনই ফিরিয়ে নিয়ে এলে মুশকিল। রাস্তা অথবা কর্মস্থলে মানুষের আনাগোনা বেড়েছে। বাসেও গাদাগাদি করে কর্মস্থলে পৌঁছোতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ফলে বাইরে বেরিয়ে কোনো বস্তু-সামগ্রীতে হাত না দেওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে চলাই ভালো। আবার দীর্ঘ দিন বাদে পরিচিতের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার পর শুভেচ্ছা বিনিময়ও দূরত্ব বজায় রেখেই করতে হবে।

৩. সারাটা দিন কোভিড-খবর

কোভিড-১৯ পরিস্থিতির ধারাবাহিক খবর দেখার অথবা পড়ারই বা কী দরকার! দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় করোনা আক্রান্তের যাবতীয় পরিসংখ্যানে চোখ বুলিয়ে নিলেই চলে। আগের মতোই কোভিড-১৯-এর ২৪x৭ আপডেটে ডুবে থাকার থেকে স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে নিজের কাজে মন দেওয়াই ভালো।

৪. মাস্ক ছাড়ার সময় এখনও আসেনি

[এই ছবিও এখনই অতীত]

আনলক শুরু হওয়ার পরই রাস্তাঘাটে বহু মানুষকে মাস্ক ছাড়াই ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সংক্রমণ যে ভাবে বাড়ছে, তাতে মাস্কের প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি। এখন তো রাস্তাঘাটে অধিকাংশ মানুষকেই মাস্ক ছাড়াই দেখা যাচ্ছে। মাস্ক তো নেই-ই, উল্টে বিধি শিকেয় উঠেছে প্রায় সর্বত্র। হ্যান্ড স্যানিটাইজেশনের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা চলে।

৫. পকেটের হাল

[ব্যয় বাড়ছে, কমছে আয়]

করোনাভাইরাস এবং লকডাউনের (Lockdown) জোড়া ফলায় ক্ষতবিক্ষত অর্থনীতি। যার জোরালো প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের উপার্জনে। ফলে এই সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় অথবা জরুরি পণ্যগুলি ছাড়া বাকি কিছু কেনার ইচ্ছে দমন করাই ভালো। চাহিদার তালিকা লম্বা, কিন্তু নিজের পকেটের কথা ভুললে চলবে না। অযথা, খরচের বহর না বাড়িয়ে আগামী দিনের জন্য সঞ্চয়ের কথা মাথায় রাখতে হবে।

Continue Reading
Advertisement
mike ryan
বিদেশ48 mins ago

করোনায় আরও ১০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে, উদ্বেগের কথা শোনাল ‘হু’

প্রবন্ধ50 mins ago

প্রগতিশীল সামাজিক-রাজনৈতিক সাংবাদিকতার অন্যতম প্রবর্তক ও পথপ্রদর্শক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

কলকাতা2 hours ago

বিধানসভায় বিদ্যাসাগরের জন্মদিন উদ্‌যাপন

দেশ2 hours ago

হরিয়ানায় আজ খুলল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিপুরায় ৫ অক্টোবর খুলছে স্কুল

paytm train ticket booking
প্রযুক্তি3 hours ago

পেটিএমে কী ভাবে ট্রেনের টিকিট কাটবেন?

দুর্গা পার্বণ5 hours ago

পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশিবাড়ি বৈষ্ণবধারার হলেও পুজোয় বলিদান হয় দেবীরই আদেশে

বিজ্ঞান5 hours ago

কোভিড ভ্যাকসিন: প্রারম্ভিক পরীক্ষায় উতরে গেল জনসন অ্যান্ড জনসন

গ্রেবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক
পরিবেশ5 hours ago

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নৈহাটিতে ফ্রাইডে ফর ফিউচারের প্রতীকী ধর্মঘট

কেনাকাটা

কেনাকাটা19 hours ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা2 days ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা4 days ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা1 week ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা1 week ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা2 weeks ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা3 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা3 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

কেনাকাটা4 weeks ago

ঘর সাজানোর ও ব্যবহারের জন্য সেরামিকের ১৯টি দারুণ আইটেম, দাম সাধ্যের মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘর সাজাতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু তার জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এ দোকান সে দোকান ঘুরে উপযুক্ত...

কেনাকাটা1 month ago

শোওয়ার ঘরকে আরও আরামদায়ক করবে এই ৮টি সামগ্রী

খবর অনলাইন ডেস্ক : সারা দিনের কাজের পরে ঘুমের জায়গাটা পরিপাটি হলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। সুন্দর মনোরম পরিবেশে...

নজরে