Connect with us

রাজ্য

সংকট আরও গভীর হল বনগাঁ পুরসভায়

Bongaon Municipality

ওয়েবডেস্ক: বর্তমান পুরপ্রধান শংকর আঢ্যর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে গত শুক্রবার অনাস্থা এনেছিলেন বনগাঁ পুরসভার ১১ জন কাউন্সিলার। রাত পোহাতেই আরও তিন জন কাউন্সিলার বিক্ষুব্ধদের দলে যোগ দিলেন। সব মিলিয়ে তৃণমূলের হাতে থাকা বনগাঁ পুরসভায় সংকট আরও গভীর হল বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

এ দিন উপপুরপ্রধান কৃষ্ণা রায়-সহ তিন কাউন্সিলার বিক্ষুব্ধদের দলে যোগ দেন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বিক্ষুব্ধদের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪। ফলে ২২ ওয়ার্ডের বনগাঁ পুরসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল তৃণমূলের বর্তমান পুরবোর্ড। বনগাঁ পুরসভার ২২ আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে ২০, সিপিএম ১ এবং কংগ্রেস ১। কিন্তু ১৪ জন কাউন্সিলার পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা দেখানোয় পুরবোর্ডের অস্তিত্ব সংকট দেখা দিল। অন্য দিকে বিক্ষুব্ধরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা ভাবলে, বিষয়টি তারা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে বলে আগাম জানিয়ে রেখেছে গেরুয়া শিবির।

এ ব্যাপারে অবশ্য পুরপ্রধান শংকরবাবু জানান, দল যা নির্দেশ দেবেন, সেটাই তিনি করবেন। তবে বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলারদের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, শংকরবাবুকে সরিয়ে তাঁরা পরবর্তী পুরপ্রধান করতে চান মনোতোষ নাথকে। যিনি নির্দল হিসাবে জয়ী হওয়ার পর তৃণমূলে যোগ দেন। আপাতত দলবদলের পরিকল্পনা না-থাকলেও মনোতোষবাবুকে সামনে রেখে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন বিক্ষুব্ধরা।

যদিও ওই বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলাররা গত শুক্রবার জানিয়েছেন, তাঁরা এখনও তৃণমূলেই রয়েছেন। পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে সরব হয়ে তাঁরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক পুরসভায় যে ভাবে কাউন্সিলারদের দলবদল চলছে, তাতে যথেষ্ট অস্বস্তিতে রয়েছে রাজ্যের শাসক দল। সে ক্ষেত্রে বনগাঁর ‘ভাঙন’ তৃণমূল কী ভাবে আটকায়, সেটাই এখন দেখার।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার ভাটপাড়া পুরসভার দখল নিয়েছে বিজেপি। পুরপ্রধান হয়েছেন সৌরভ সিং।

পড়তে থাকুন
Advertisement
মন্তব্যের জন্য ক্লিক করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

রাজ্য

রাজ্যে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ছ’হাজার পেরোল

খবর অনলাইনডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে ৩৯৬ জন (Coronavirus) করোনায় আক্রান্ত হলেন। এর ফলে রাজ্যে মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ছ’হাজার পেরোল।

মঙ্গলবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৬,১৬৮-তে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৪ জন সুস্থ হওয়ার করোনামুক্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২,৪১০। দশ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৩৩৫। ফলে এখন রাজ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩,৪২৩।

গত ২৪ ঘণ্টায় সব থেকে বেশি আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে কলকাতা (Kolkata) থেকেই। শহরে নতুন করে ১১৬ জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২,২৯৫। সুস্থ হয়েছেন আরও ৪৫ জন। তবে কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও শহরে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা কমে এখন ১৬৩ হয়েছে। ফলে মনে করা হচ্ছে সব আক্রান্তের খোঁজই নির্দিষ্ট গণ্ডিবদ্ধ এলাকা থেকে পাওয়া যাচ্ছে।

এ দিকে উত্তরবঙ্গে সংক্রমণের সংখ্যায় খুব একটা লাগাম পড়ছে না। মনে করা হচ্ছে অভিবাসী শ্রমিকরা ফিরে আসায় এ রকম হুহু করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে সেখানে। এই মুহূর্তে কোচবিহারে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১৮। উত্তর দিনাজপুরে এখন মোট আক্রান্ত ১৬৬, মালদায় ১৪৩। দার্জিলিংয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮ হয়েছে। বীরভূমে মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬৬।

এ দিকে কিছুটা উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে উত্তর ২৪ পরগণায় করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানে নতুন করে ৭৪ জন আক্রান্ত হওয়ায় ওই জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৮২৭-এ। ৪৯ জন নতুন করে আক্রান্ত হওয়ায় হাওড়ায় এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১,১৫৬।

সোমবার থেকেই আনলক ১ শুরু হয়েছে রাজ্যে। মঙ্গলবারের তথ্য কিন্তু সোমবারের প্রতিফলন নয়। কারণ মানুষের শরীরে করোনার সংক্রমণ হয়েছে কি না, সেটা বুঝতে অন্তত তিন দিন থেকে এক সপ্তাহ সময় লাগেই। কাজেই আনলকের প্রভাব রাজ্যে কী ভাবে পড়ল, সেটা বোঝা যাবে আগামী সপ্তাহ থেকে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে ৯,৪৯৫টি নমুনা পরীক্ষা হওয়ায় মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা এখন পৌঁছে গিয়েছে ২ লক্ষ ২২ হাজার ৭২৬। ফলে রাজ্যে এখন ২.৭৭ শতাংশ নমুনার ফল করোনা-পজিটিভ বেরোচ্ছে।

পড়তে থাকুন

রাজ্য

নিসর্গর টানে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি

খবর অনলাইনডেস্ক: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ঝড়বৃষ্টি হল। কোথাও কোথাও কালবৈশাখী (Norwester) হলেও, অনেক জায়গাতেই ঝোড়ো হাওয়ায় সন্তুষ্ট থাকতে হল সাধারণ মানুষকে। সেই সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিও হয়েছে কিছু জায়গায়। এই ঝড়বৃষ্টি নামানোর পেছনে অনেকটাই হাত রয়েছে আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের (Cyclone Nisarga)।

ভাবতে অবাক লাগছে নিশ্চয়। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কত দূরে অবস্থিত আরব সাগর (Arabian Sea), সেখানে অবস্থিত ঘূর্ণিঝড় কী না বৃষ্টি নামাচ্ছে দক্ষিণবঙ্গে। কিন্তু এটাই সত্যি।

এই প্রসঙ্গে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়দার আল্টিমার কর্ণধার, আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা জানিয়েছেন, “তামিলনাড়ু থেকে ঝাড়খণ্ড পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত ছিল। ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ সেটাকে সক্রিয় করে তুলেছে। কারণ নিসর্গের প্রভাবে আরব সাগর থেকে জলীয় বাষ্প টানছে ওই অক্ষরেখাটি। এ ছাড়া বিহার আর উত্তরপূর্ব ভারতে দু’টো ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এই সব কারণে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঝড়বৃষ্টি হল দক্ষিণবঙ্গে।”

বর্ষা আসার ঠিক আগে, প্রাক বর্ষার সময়ে এই ধরনের ঝড়বৃষ্টি খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে বলে জানিয়েছেন রবীন্দ্রবাবু।

দক্ষিণবঙ্গে আগামী কয়েক দিন সন্ধ্যার দিকে রোজই ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়েদার আল্টিমা। তবে দিনের বেলায় অস্বস্তিকর গরমের হাত থেকে রেহাই মিলবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সপ্তাহের শেষের দিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৮ ডিগ্রির ঘরেও চলে যেতে পারে।

তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ওই নিম্নচাপের হাত ধরেই ১১-১২ জুন নাগাদ দক্ষিণবঙ্গে পৌঁছোতে পারে বর্ষা। তবে তার আগেই উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকে যেতে পারে।

পড়তে থাকুন

রাজ্য

ফের উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষার সূচি বদল

Madhyamik examination west bengal

কলকাতা: আবার একবার উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষার সূচি বদল করল রাজ্য সরকার। আগামী ২৯ জুন থেকে বাকি তিনটি পরীক্ষার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে পরিবহণ এবং আনুষঙ্গিক সমস্যার কারণে পরীক্ষাগুলি ২ জুলাই থেকে শুরু হবে। অর্থাৎ, আগামী ২৯ জুন নির্ধারিত পরীক্ষাগুলি হচ্ছে না।

মঙ্গলবার রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) জানান, আগামী ২, ৬ এবং ৮ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিকের (Higher Secondary) বাকি পরীক্ষাগুলি হবে। কোন দিনে কী পরীক্ষা হবে, তা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ জানিয়ে দেবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “২৯ জুন কোনো পরীক্ষা হচ্ছে না। তার পরিবর্তে ২, ৬ এবং ৮ জুলাই বাকি পরীক্ষা হবে। তবে আগের মতোই শারীরিক দূরত্ব, মুখে মাস্ক, স্যানিটাইজার এবং করোনাভাইরাস (Coronavirus) থেকে বাঁচতে যা যা দরকারি ব্যবস্থা, সবই নেওয়া হবে। পরীক্ষা নিয়ে পরীক্ষার্থীকেও সচেতনতা বজায় রাখতে হবে”।

ওই তিন দিন ফিজিক্স, কেমেস্ট্রি, ইকোনমিক্স-সহ আরও বেশ কয়েকটি পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে করোনা প্রতিরোধের বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে মেনে চলতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত যে পরীক্ষাগুলি বাকি রয়েছে সেগুলি হল ফিজিক্স, নিউট্রেশন, এডুকেশন ও অ্যাকাউন্টেন্সি, কেমিস্ট্রি, ইকোনমিক্স, জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন, সংস্কৃত, পার্শিয়ান, অ্যারাবিক এবং ফ্রেঞ্চ, স্ট্যাটিসটিকস, ভূগোল, কস্টিং অ্যান্ড ট্যাক্সেশন এবং হোম ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ফ্যামিলি রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট।

পড়তে থাকুন

নজরে