বনগাঁ পুরসভা দখলে রাখল তৃণমূল

0
বনগাঁ পুরসভার আস্থাভোটের দিন

ওয়েবডেস্ক: ভিতরে টানটান নাটক এবং বাইরে উত্তেজনার মধ্যে দিয়েই বনগাঁ পুরসভা দখলে রাখল তৃণমূল। মঙ্গলবার বেলা তিনটেয় আস্থাভোট শুরু হওয়ার পর বিকেল চারটে নাগাদ তৃণমূল দাবি করে, বনগাঁ পুরসভা তাদের দখলেই থাকল। যদিও পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট মন্তব্য করেননি।

চেয়ারম্যান শংকর আঢ্য জানান, এ দিনের ভোটাভুটিতে ছিলেন না বিজেপি কাউন্সিলাররা। শম্ভু দাসকে প্রেসিডেন্ট করে এ দিনের আস্থাভোট হয়। কয়েক জন বিজেপি কাউন্সিলার আসেননি। তাঁদের জন্য অপেক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা আসেননি।

রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, তিনটের মধ্যে হাজির হওয়ার কথা ছিল অভিযুক্ত দুই কাউন্সিলারের। কিন্তু তাঁরা সময়মতো পৌঁছাননি।

অন্য দিকে বিজেপি কাউন্সিলার হিমাদ্রী মণ্ডল এবং কার্তিক মণ্ডল দাবি করেন, তাঁদের গ্রেফতারের উপর হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

বিজেপির দাবি, দলের ন’জন কাউন্সিলারকে ঘরে তালাবন্ধ করে রাখা হয়। এমনকী এই দাবিকে সামনে রেখে ধরনায় বসেন বিজেপি কর্মীরা। এর পরই পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। উত্তেজিত হয়ে ওঠেন বিজেপিকর্মীরা। পুরসভার সামনে শুরু হয় ইটবৃষ্টি।

তবে বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায় বনগাঁ পুরসভা চত্বরে। রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। বিজেপি কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন। রাস্তার ধারে একটি হোটেল ভাঙচুর চলে। পুলিশের লাঠিচার্জকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায় বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় র‍্যাফ নামিয়ে পরিস্থি্তি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু র‍্যাফের সামনেই এ দিন বোমাবাজি চলে একের পর এক। ঘটনাস্থলে রয়েছেন এলাকার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস এবং বিজেপি নেতা দেবদাস মণ্ডল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.