cpm-rally-kolkata

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী কাল ৬ ডিসেম্বর, ওই দিনটিতে অযোধ্যার বিতর্কিত সৌধ ধ্বংসের পর কেটে গিয়েছে ২৫ বছর।কিন্তু মানুষের মনে সেই ঘটনার রেশ রয়ে গিয়েছে চলমান রাজনীতির বিতর্ক-প্রবাহেই। এ রাজ্যে বিভিন্ন বামপন্থী দল ও বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস এই দিনটিতে বিশেষ কর্মসূচি নিয়ে থাকে। শহর জুড়ে ধিক্কার পোস্টার বা আগামী কালের মিছিল, সেই ঘটনা মনে করাতে বাধ্য। বিজেপির কাছে কি আদৌ কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে এই দিনটি?

বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা দলের জাতীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য রাহুল সিনহা এ বিষয়ে বলেন, “এর মধ্যে অন্য কোনও কারণ নেই। নিছক মুসলিম ভোট কাছে টানতেই ওরা এই দিনটিকে নিয়ে হইচই করছে। মানুষের মন থেকে সিপিএম হোক বা তৃণমূল ধীরে ধীরে মুছে যাচ্ছে। আগামী ভোটে ওরা কূল পাবে না। যে কারণে সংখ্যালঘু ভোটকে ধরে রেখে কোনও রকমে টিকে থাকার চেষ্টা চালাচ্ছে।“ তাঁর কথায়, দিনটি যদি সত্যিই ‘অভিশপ্ত’ হতো তাহলে মানুষ স্বাভাবিক নিয়মেই ভুলে যেত। অন্তত মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি তাই বলে। তিনি আরও বলেন, “সিপিএম-তৃণমূলের কাছে গড়বড় পাকানোর মতো তেমন কোনও ইস্যু নেই। তাই হাতের কাছে পাওয়া ৬ ডিসেম্বর নিয়েই মাঠে নামছে। আসলে ওই দুই দল মুসলিম ভোট নিয়ে যা করছে তা দেখে মানুষের মনে পড়ে যাচ্ছে বাঁদরের পিঠে ভাগ করার গল্পটা।“

rahul-sinha

প্রকৃত অর্থে কি তাই? সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার এরিয়া কমিটির সদস্য তাপস সাহার কথায়, মোটেই তা নয়। তিনি বলেন, “দিনটি যে অভিশপ্ত সে বিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই। আমরা প্রতি বছর নিয়ম করে ওই দিনটিকে নিয়ে বিশেষ কর্মসূচি নিয়ে আসছি একটি কারণেই, তা হল-যাতে ওই রকম দ্বিতীয় একটা দিন আর ফিরে না আসে।এর মধ্যে সংখ্যালঘুর মন জয়ের কোনও ব্যাপার নেই।“

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র  বলেছেন, ভারতের সংবিধানের উপর আক্রমণ ঠেকাতে এই প্রতিবাদে মানুষ সামিল হবেন। ধর্মতলা থেকে রাজাবাজার পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছে সিপিএম সহ বামফ্রন্টের সহযোগী দলগুলি। আগামী কাল রাজ্য জুড়ে ‘কালা দিবস’ পালন করবেন সূর্যবাবুরা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here