injured in jhargram
ঝাড়গ্রামে আহত। নিজস্ব চিত্র।

সমীর মাহাত: ঝাড়গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী আসার প্রাক্কালে ফের সন্ত্রস্ত হয়ে উঠল সাঁকরাইল ব্লকের রগড়া গ্রাম।

গত কিছু দিনে ধরেই এই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। তারই ফাঁকে ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত পরিস্থিতি হয়ে ওঠে উত্তপ্ত। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ওই সময় রগড়া গ্রামের তৃণমূল কর্মী অমৃত দাসের বাড়িতে হামলা চালায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারা তাঁর বৃদ্ধামা কে মারধর করে, স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করে। মুড়িমুড়কির মতো বোমাবাজিও চলে। ওই ঘটনায় আক্রান্ত হন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি পঞ্চানন দাস-সহ দেবব্রত দাস, মানিক চৌধুরী ও হরি শীট প্রমুখ। এদের কয়েক জন ঝাড়গ্রাম জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিজেপি অবশ্য ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে।

আরও পড়ুন জেলে পুরলে জেল থেকে ভোট করিয়ে দলকে জেতাব, বার্তা অনুব্রত মণ্ডলের

বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি সুখময় শতপথী সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাটি তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল ও অন্তর্দ্বন্দ্ব। বিজেপির সমর্থকেরা আগে থেকেই মার খাচ্ছে। হাসপাতাল, জেলে, কোর্টে যাচ্ছে। বিজেপি এই সমস্ত করে না। এটি তৃণমূলের অন্তর্কলহ। অশান্ত পরিবেশকে শান্ত রাখার দায়িত্ব পুরোপুরি প্রশাসনকে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন দায় এড়াতে পারে না।

তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, এই এলাকার মানুষ যাতে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় যেতে না পারে, সে কারণেই বিজেপি এলাকায় সন্ত্রাস জারি রেখেছে। এর উত্তরে বিজেপি জেলা সভাপতি বলেন, কয়েক দিন আগে জামবনি এলাকায় প্রচুর মাওবাদী পোস্টার পড়ে ছিল। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ঝাড়খণ্ড থেকে লোক ঢুকে এই সব করছে। মুখ্যমন্ত্রীর সভাতেও কি ঝাড়খণ্ড থেকে লোক আসবে?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here