tmc

ওয়েবডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফলে প্রায় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে মালদহ জেলায় জাতীয় কংগ্রেসের ক্ষয়িষ্ণু অস্তিত্বের ছবি। গত ৫ জুন বিজয়ী পঞ্চায়েত প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করতে গিয়ে তৃণমূলের জেলা পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মালদহ জেলা বিরোধী শূন্য হয়ে যাবে। তবে তাঁর এই দাবির সঙ্গে যে জড়িয়ে রয়েছে কংগ্রেসের দুই হেভিওয়েট সাংসদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, সেটাও ক্রমশ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।

mousam

মালদহ জেলার রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে দুই সাংসদ মৌসম বেনজির নুর এবং আবু হাসেম খান চৌধুরীর নাম। ‘হাত’ ছেড়ে তাঁরা যে ‘ঘাসফুল’ শিবিরে যোগ দেওয়ার প্রহর গুনছেন, সে গুঞ্জনই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে আনাচে-কানাচে।

abu

মালদহ জেলার কংগ্রেসের স্তম্ভস্বরূপ প্রয়াত আবু বরকত গনি খানচৌধুরীর এই দুই উত্তরসূরি ঠিক কারণে আগামী লোকসভা ভোটের আগে শিবির পরিবর্তনের আগ্রহ দেখাচ্ছেন, সেটাও বেশ স্পষ্ট। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সদ্য শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটে ৮০ শতাংশের উপর আসন দখল করতে সক্ষম হয়েছে তৃণমূল। এমনকী মাত্র ২টি জেলাপরিষদ আসনে কংগ্রেস জিতলেও সেগুলি ভবিষ্যতে থাকবে কি না, তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। এ রকম পরিস্থিতিকে সঙ্গী করে লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অর্থ কী, তা হয়তো ভালো ভাবেই টের পাচ্ছেন তাঁরা।

তবে ওই দুই সাংসদের ঘনিষ্ট মহল সূত্রে দলবদলের ইঙ্গিত মিললেও তাঁরা নিজেরা এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে মুখ খোলেননি। যদিও শুভেন্দু দাবি করেছেন, তৃণমূলে আসার জন্য মালদহের বেশ কয়েক জন কংগ্রেস নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here