trinamul leader killed
তৃণমূল নেতা খুন। ফাইল ছবি।

শুভদীপ চৌধুরী, পুরুলিয়া: আগ্নেয়াস্ত্র-সহ দুই সন্দেহজনক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করল আদ্রা থানার পুলিশ। পুরুলিয়া জেলার আদ্রায় শুক্রবার খুন হন তৃণমূল নেতা হামিদ আনসারি। আর এই খুনের ঘটনার পর পাঁচ দিন কাটতে না কাটতেই এক সঙ্গে দু’টি আলাদা জায়গা থেকে সন্দেহজনক দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল আদ্রা থানার পুলিশ।

জানা যায়, সোমবার গভীর রাত্রে রেলশহর আদ্রার মোহনপুরা তথা কং ফরেস্টের ক্রসিংয়ের সামনাসামনি দেখা যায় এক সন্দেহজনক ব্যাক্তিকে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সেই ব্যক্তি তার পরিচয় বলতে পারেনি। তখন তাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় একটি দেশি একনলা বন্দুক ও একটি গুলি। জানা যায় ব্যক্তির নাম বাবান খান, তার বাড়ি আদ্রারই লোয়ার বেনিয়াশোলে।

আরও পড়ুন দলীয় কর্মসূচিতে আগামী সপ্তাহে জয়নগরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়

অন্য দিকে, এ দিনই প্রায় ঠিক একই সময়ে আদ্রা থানার অন্তর্গত ঝনকাইসেনি মন্দিরের কাছ থেকে আরেক সন্দেহজনক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছে থেকে একই ধরনের বন্দুক ও গুলি মেলে। জানা যায়, ওই ব্যক্তির নাম বিজয় সাউ, তার বাড়ি আদ্রার পলাশকোলায়। পুলিশ ইতিমধ্যেই ওই দুই ব্যক্তিকে জেরা করা শুরু করেছে। হামিদ খুনের দিন পাঁচেকের মধ্যেই একই রকম আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরি করা সন্দেহজনক ওই দুই ব্যক্তির উদ্দেশ্য কী ছিল তা জানার চেষ্টা করছে আদ্রা পুলিশ।

শিক্ষক খুনে ধৃত ১।

পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের শিক্ষক খুনের ঘটনায় পুলিশ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল। ধৃতের নাম মহম্মদ মাজার, ওরফে নেহার। বাড়ি পুরুলিয়া জেলার রেলশহর আদ্রার লোয়ার বেনিয়াশোলে। মঙ্গলবার তাকে রঘুনাথপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, নভেম্বর মাসের ২৩ তারিখ রাতে বাড়ির অদূরে অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর গুলিতে খুন হন রঘুনাথপুর শহরের বারিকবাঁধ এলাকার বাসিন্দা শহরের একটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক বছর সাতাশের চিন্ময় মণ্ডল। কাজকর্ম সেরে রঘুনাথপুর মহকুমা স্টেডিয়াম থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সেই সময় রঘুনাথপুর-চেলিয়ামা রাস্তায় বারিকবাঁধের কাছে খুব কাছ থেকে দুষ্কৃতীরা পর পর গুলি করে তাঁকে খুন করে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here