তাণ্ডব অব্যাহত মোর্চার, পাহাড়ে আরও বাহিনী পাঠানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

0
219

দার্জিলিং: রাজ্য তো বটেই কেন্দ্রের তরফ থেকেও গোর্খাল্যান্ডের ব্যাপারে কোনো আশ্বাসবাণী পায়নি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। তার ওপর দলের কট্টরপন্থীদের চাপ। সব দিক থেকে কোণঠাসা মোর্চা ফের তাণ্ডবের পথই বেছে নিয়েছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবার রাতেও আগুন লাগানো হল বিভিন্ন জায়গায়। পাশাপাশি পাহাড়ে শান্তি ফেরানোর জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্যকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার রাতে পাহাড়ের তিনটে জায়গায় আগুন লাগানো হয়। এর মধ্যে একটি হল মিরিকে একটি সরকারি গ্রন্থাগার। শতাব্দী প্রাচীন এই গ্রন্থাগারে অনেক দুষ্প্রাপ্য বই ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগুনের গ্রাসে সব কিছু ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। গ্রন্থাগারের পাশাপাশি আগুন লাগানো হয় কার্শিয়াং-এ আরপিএফের ক্যাম্পে এবং সুখিয়াপোখরিতে একটি চেকপোস্টে। এর পাশাপাশি আগুন লাগানো হয় দার্জিলিং-এর লোধমায় একটি বনবাংলোয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় শেষ হচ্ছে পাহাড়ের বিভিন্ন উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানদের ইস্তফা দেওয়ার সময়সীমা। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন। সন্ধ্যার মধ্যে আরও কয়েক জন ইস্তফা দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে পাহাড়ে শান্তি ফেরানোর জন্য কেন্দ্রকে আরও চার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই বাহিনীকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ে অশান্তির কারণ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক, এমনই মত হাইকোর্টের। তারা বলে, “পাহাড়ে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে, পড়ুয়ারা স্কুল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে, অথচ রাজনৈতিক দলগুলির কোনো হেলদোল নেই।” এর পরেই হাইকোর্টের তরফ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, কেন্দ্র বা রাজ্য পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে ব্যর্থ হলে আদালত নিজেই পদক্ষেপ করবে।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here