ওয়েবডেস্ক: বারাসতের বিজেপি প্রার্থী মৃণালকান্তি দেবনাথের প্রচারে এসে ফের ধর্মীয় মেরুকরণের তাস খেলে গেলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। লোকসভার শেষ দফার ভোটগ্রহণের আগে দুর্গাপুজো এবং মহরম নিয়ে যোগীর এই মন্তব্য বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধীদের সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অভিযোগকেই মান্যতা দিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুর্গাপুজো এবং মহরম এক সঙ্গে পড়ায় বিজয়া এবং তাজিয়া বের করার সময় নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিয়ম মেনে চলতে হয়েছিল। সেই নিয়মকেই কটাক্ষ করতে গিয়ে যোগী যে কথা বলেন, তা নিয়েই বেঁধেছে বিতর্ক। যোগী বলেন, “বাংলা ও উত্তরপ্রদেশ উভয় জায়গাতেই পুজো ও মহরম একসঙ্গে পড়েছিল। আমরা পুজোর দিনক্ষণ নির্দিষ্ট রেখে মহরমের দিন চূড়ান্ত করেছি। সেই মতো আমরা মহরমের তাজিয়া বেরনোর সময় বদলে দিয়েছিলাম”।

প্রসঙ্গত, দুর্গাপুজোর বিজয়া এবং মহরম একই সময় পড়ে যাওয়া বিশৃঙ্খলা এড়াতে রাজ্য সরকার স্থির করেছিল মহরমের দিন শুধুমাত্র বনেদি বাড়ির প্রতিমা বিসর্জন হবে৷ এবং তা করতে হবে ওই দিন বিকেলের মধ্যে। তার পরই রাস্তায় বের হবে মহরমের তাজিয়া৷ তবে পরের দিন থেকেই আবার প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বারোয়ারি পুজোগুলিকে। এ নিয়ে সাময়িক দ্বিমতের সৃষ্টি হলেও সে ভাবে কোনো বড়োসড়ো বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। সেই ইস্যুতেই ফের সরব হলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি দিয়ে গেলেন তাঁর নিজস্ব নিদানও।

[ বিহারের অবস্থা! আরও অশান্তি আসছে, তৈরি হও কলকাতা ]

একই সঙ্গে গত মঙ্গলবার বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের রোড শো নিয়ে ঘটে যাওয়া অশান্তির ঘটনা নিয়েও সরব হন তিনি। যোগী বলেন, “অমিত শাহের মিছিলে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী হামলা চালিয়েছে৷ বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙচুরও তারাই করেছে৷ বিজেপি ক্ষমতায় এলে তৃণমূলের ওই গুন্ডারা জেলে যাবে”।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here