mann ghishing

ওয়েবডেস্ক: পাহাড়ে ‘উন্নয়নমূলক কাজের’ জন্য আরও একটি কমিটি তৈরি করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই ব্যাপারে নির্দেশিকাও জারি করেছে রাজ্য।

‘হিল এরিয়া ডেভেলপমেন্ট কমিটি’ নামক নতুন এই কমিটিটি মূলত জিএনএলএফকে কেন্দ্র করেই তৈরি করা হয়েছে। গোর্খা জনমুক্তির মোর্চার পরেই পাহাড়ে দ্বিতীয় শক্তিশালী দল জিএনএলএফ। তাদের প্রশাসনিক ক্ষমতা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত।

এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা গত ২১ নভেম্বর প্রকাশ করে রাজ্য। সেখানে দেখা গিয়েছে কমিটির প্রধান হয়েছেন জিএনএলএফের সভাপতি মন ঘিসিং। দলের সাধারণ সম্পাদক মহেন্দ্র ছেত্রী হয়েছেন এই কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান।

এই নিয়ে ১০৪ দিনের বন্‌ধের শেষে দ্বিতীয় এ রকম প্যানেল গঠন করল রাজ্য। গত ২০ নভেম্বর বিমল গুরুং-এর বিরোধীদের নিয়ে নতুন করে জিটিএ বোর্ড গঠন করে দেয় রাজ্য। জিটিএ-এর মাথায় বসানো হয় মোর্চার সভাপতি বিনয় তামাংকে। জিটিএ-এর নতুন বোর্ডে মন ঘিসিংদের ঢোকাতে চেয়েছিল রাজ্য, কিন্তু ‘জিটিএ বেআইনি’ এই যুক্তি দেখিয়ে বোর্ডে আসেনি জিএনএলএফ নেতারা। জিএনএলএফ-এর মূল দাবি জিটিএ প্রত্যাহার করে দার্জিলিংকে সংবিধানের ষষ্ঠ তফশিলে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা নিক রাজ্য।

জিএনএলএফ-এর মুখপাত্র নীরজ জিম্বা বলেন, “জিটিএ উন্নয়নমূলক কাজের ওপরে নজরদারি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এই কমিটিকে।” তবে বিনয়-শাসিত জিটিএ-এর নতুন বোর্ডের সঙ্গে কোনো রকম ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে যে তারা নামবে না সে কথাও সাফ জানিয়ে দিয়েছে জিএনএলএফ।

গত মঙ্গলবার পাহাড় নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে, পাহাড়ের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ কমানোর উদ্দেশ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনে মৃতদের ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি বন্‌ধের সময়ে কাজ করা সরকারি কর্মীদের পনেরো দিনের সবেতন ছুটিও দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটন এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির জন্যও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here