ওয়েবডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলা নতুন ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব পড়বে রাজ্যে। এর ফলে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঝিরিঝিরি হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী শনিবার থেকে পরবর্তী চার দিন এ রকম আবহাওয়া থাকতে পারে গোটা রাজ্যেই, বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গে।

আবহাওয়া দফতরের বৃহস্পতিবার দুপুরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে তামিলনাড়ু উপকূলের কাছে রয়েছে গভীর নিম্নচাপ। ক্রমে সেটি অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে শক্তিবৃদ্ধি করবে। এখনও পর্যন্ত আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন এই ঝড়ের সম্ভাব্য অভিমুখ অন্ধ্রপ্রদেশ। তবে শেষ মুহূর্তে দিক পরিবর্তনও করতে পারে সে। শুক্রবারের আগে ঘূর্ণিঝড়টির অভিমুখের ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না বলে মনে করে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমাও।

তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব রাজ্যে যে পড়বেই সেটা একপ্রকার নিশ্চিত। এর প্রভাবে শনিবার থেকেই মেঘাচ্ছন্ন হবে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের আকাশ। রবিবার সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। তবে ভারী বৃষ্টি নয়, হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সামনের মঙ্গলবার পর্যন্ত এর রেশ থাকতে পারে গোটা রাজ্যে।

আরও পড়ুন কুয়াশার জন্য রাজ্য থেকে উত্তরভারতগামী বেশকিছু ট্রেন বাতিল, জেনে নিন বিস্তারিত

এর প্রভাবে একদিকে যেমন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যাবে, তেমনই সাংঘাতিক পতন ঘটতে পারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার। ফলে সারাদিনই কনকনে শীত অনুভূত হতে পারে, আবহাওয়ার পরিভাষায় যাকে বলে শীতল দিন।

এর পিছনেই অবশ্য খুশির খবর রয়েছে। মঙ্গলবার থেকে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কেটে গেলেই হুহু করে কমতে শুরু করবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। যেহেতু উত্তর ভারতের তিন পাহাড়ি রাজ্যে ব্যাপক তুষারপাত হয়েছে, তার প্রভাবে শীতল বাতাস ঢুকতে শুরু করবে তাপমাত্রা। সামনের সপ্তাহে কলকাতার তাপমাত্রার রেকর্ড পতন হবে, এমন সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে বেশ কিছু বিদেশি আবহাওয়া সংস্থা।

পাশাপাশি এই ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাবে আগামী সোমবার এবং মঙ্গলবার দার্জিলিং অঞ্চল এবং সিকিমে ফের একদফা তুষারপাত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন