insurance

নিজস্ব সংবাদদাতা: পঞ্চায়েত ভোটের আগে দুর্ঘটনা বিমার সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে অভিনব উদ্যোগ স্বনির্ভর ও স্বনিযুক্তি দফতরের। এবার গ্রাম-বাংলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মানুষরা যাতে এই বিমার আওতায় আসতে পারেন, তার জন্য গ্রামে গ্রামে পৌঁছে যাবে ‘মোবাইল ভ্যান’। রাজ্যের সব জেলা, পুরসভা ও গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ঘুরবে এই গাড়ি। এই প্রকল্পকে কার্যকর করার জন্য ১ বছরের সময়সীমা ধার্য করা হয়েছে। অর্থাৎ আর ১ বছরের মধ্যেই সমস্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে নিয়ে আসা হবে দুর্ঘটনা বিমার আওতায়। স্বনির্ভর ও স্বনিযুক্ত দফতর সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।

দফতর জানিয়েছে, যদি কোনো স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য দুর্ঘটনায় মারা যান, সেক্ষেত্রে তাঁর পরিবারের হাতে ১ লক্ষ টাকা অবধি আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। আর যদি কোনো দুর্ঘটনায় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হন সদস্য, তাহলে এককালীন চিকিৎসার জন্য তাঁকে দেওয়া হবে ৪০,০০০ টাকা। শুধু তাই নয়। যাতে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ব্যক্তির দিন পিছু মজুরি স্থগিত না থাকে, সে জন্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দৈনিক ১০০ টাকা করে মজুরি ভাতাও দেওয়া হবে।

স্বনির্ভর গোষ্ঠীর এই মোবাইল ভ্যানে কী থাকবে?

এই মোবাইল ভ্যানে থাকবে দুর্ঘটনা বিমার বিস্তারিত তথ্য। যা ছাপা থাকবে লিফলেট, বিশেষ ডায়েরি, খাতা-সহ একাধিক ফরম্যাটে। সবকটিতেই বলা থাকবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দুর্ঘটনা বিমা কীভাবে করাতে হবে। কে বিমার কোন আওতায় আসবেন, কোথা থেকে ফর্ম পাবেন, সেই ফর্ম কোথায় জমা দিতে হবে- এই সব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য থাকবে এগুলিতে। ফর্ম ভর্তি করতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য বেশ কিছু মডেল ফর্মও বিতরণের জন্য রাখা হবে ভ্যানে।

এছাড়াও চালু করা হয়েছে একটি টোল-ফ্রি নম্বর। নম্বরটি হল- ১৮০০৩৪৫ ৭২৭৬। এই নম্বরে ফোন করলেও দুর্ঘটনা বিমা সংক্রান্ত সব তথ্য পাওয়া যাবে।

দফতরের প্রধান সচিব সৌরভ কুমার দাস বলেন, “ইতিমধ্যেই দফতরের পক্ষ থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলা শাসকদের এই মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমে জেলায় প্রচারের বিশেষ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। আমরা রাজ্যের সমস্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের ১ বছরের মধ্যে বিমার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি। খুব দ্রুত প্রচার অভিযানও শেষ হবে। মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের নির্দেশেই এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here