Bharat Bandh

কলকাতা: আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সারাদেশে পালিত হতে চলেছে ধর্মঘট। যা শব্দবিভ্রাটে ভারত বন্‌ধের আকার নিয়ে ফেলেছে। মূলত জাতীয় কংগ্রেসের ডাকা এই বন্‌ধে শামিল হয়েছে বামপন্থী দলগুলিও। একই ভাবে রাজ্যের শাসক দল এই একই ইস্যুতে প্রতিবাদে সরব হলেও ধর্মঘট বা বন্‌ধের পক্ষে তাদের সমর্থন নেই। যে কারণে বন্‌ধের প্রতিবাদে পাল্টা কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে।

গত শনিবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী সোমবার আমরা কর্মনাশা বন্‌ধের প্রতিবাদে নামব। ওই দিন রাজ্যের সমস্ত স্কুল-কলেজ-অফিস-দোকানপাট খোলা থাকবে। অন্য দিকে কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে মৌলালি থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করবে তৃণমূল।

একই ভাবে সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের তরফে সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে হাজিরা-সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশিকা জারি হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, ওই দিন সরকারি কর্মীরা কর্মস্থলে যোগদান না করলে কাটা যাবে বেতন এবং একই সঙ্গে কর্মীদের শোকজও করা হতে পারে | পাশাপাশি ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ওই দিন কোনো কর্মী ছুটিও নিতে পারবেন না। ছুটি নিলেও বেতন কাটা যাবে। তবে  চাইল্ড কেয়ার ছুটি, পিতৃত্বকালীন ছুটি, চিকিৎসা জনিত ছুটি, হাসপাতালে ভর্তি থাকলে ছুটি নিয়মানুযায়ীই মঞ্জুর হবে।

জানা গিয়েছে, বন্‌ধ ঘোষণার পরই রাজ্য সরকারের তরফে গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই নির্দেশিকা জারি করা হয়। যা রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতর-সহ স্কুল-কলেজগুলিতেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।


আরও পড়ুন: আমডাঙায় ঢুকতে দেওয়া হল না প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিকে

এমন নির্দেশের কথা শোনার পরই সরকারি কর্মীদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই দিন আদতে কী ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে সে বিষয়ে নিশ্চিত না হলেও বিজেপি বাদে সমস্ত রাজনৈতিক দলের মিছিলে ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা গ্রাস করেছে তাঁদের।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন