রাইসমিলে নজরদারি করতে পশ্চিমবঙ্গে সিভিক ভলেন্টিয়ার

0

রাজ্যের রাইসমিলগুলির নজরদারি চালানোর জন্য এবার এক হাজার সিভিক ভলেন্টিয়ার নিচ্ছে খাদ্য দফতর। ইতিমধ্যেই নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে। প্রতি জেলায় পুলিশ সুপারের অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হচ্ছে। এই সিভিক ভলেন্টিয়ারদের এক বছরের জন্য নেওয়া হবে। মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে। এক বছর পর তাঁদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হবে। শনিবার খাদ্য দফতরে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রতি রাইসমিলে এক জন করে সিভিক ভলেন্টিয়ার নেওয়া হবে। এই ভলেন্টিয়ারদের বিশেষ ট্রেনিংও দেবে খাদ্য ভবন। ট্রেনিং দেওয়ার পরই তাঁদের রাইসমিলে নিয়োগ করা হবে। আবার বড়ো রাইসমিলগুলিতে দু’ জনকে নিয়োগ করা হবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এই সিভিক ভলেন্টিয়াররা রাইসমিল খোলার সময় থেকেই বসে থাকবেন। আর রাইসমিল বন্ধ হওয়ার পর বাড়ি ফিরে যাবেন। কত ধান রাইসমিলে এসেছে, রাইসমিলে কত ধান থেকে চাল তৈরি হয়েছে, কত চাল রাইসমিল থেকে বের হল, কোন চাল কোন গাড়িতে বের হল ইত্যাদি সমস্ত বিস্তারিত তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে সিভিক ভলেন্টিয়াদের। আর সেই তথ্যগুলি খাদ্য দফতর তার ওয়েবসাইটে আপডেট করবে। খাদ্য দফতরকে তাঁরা প্রতিদিনই সব তথ্য দেবেন। রাইসমিল মালিকদের কালোবাজারি রুখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এদিন জ্যোতিপ্রিয়বাবু আরও বলেন, রাজ্যের সব জেলাতেই এই সিভিক ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করা হবে। যিনি যে জেলার বাসিন্দা তাঁকে সেই জেলাতেই নিয়োগ করা হবে। প্রতি জেলার জেলাশাসক ও এসপি-কে এই নিয়োগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এদিন তিনি আরও জানান, কৃষকদের থেকে ধান কিনলে কৃষকদের হাতে আর চেক দেওয়া হবে না। চেকের বদলে এবার কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানো হবে। কৃষক রাজ্যের যে জেলাতেই ধান বিক্রি করুন না কেন, তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে খাদ্য দফতর আরটিজিআই করবে। রাজ্যে কৃষকদের থেকে ধান কিনে সমবায় ব্যাংকগুলি কৃষকদের টাকা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া কিষান বাজারগুলি থেকেও ধান বিক্রি করার পর চেক বিলি নিয়েও একাধিক সমস্যা দেখা গিয়েছিল। তার পরই এবার এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন