Connect with us

পশ্চিম মেদিনীপুর

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সাংসদ তহবিল থেকে এক কোটি টাকা দিলেন দেব

ওয়েবডেস্ক: করোনাভাইরাস (Coronavirus) মহামারীর জেরে বিপর্যস্ত সাধারণ জনজীবন। দেশ জুড়ে লকডাউনের কারণে কর্মসংস্থান হারিয়ে অনেকেই পড়েছেন চরম আর্থিক সংকটে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিশেষ ত্রাণ তহবিল গঠন করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ দীপক (দেব) অধিকারীও নিজের সাংসদ তহবিল থেকে বড়ো অঙ্কের একটি টাকা তুলে দিলেন ঘাটালের মানুষের জন্য।

AITC Ghatal নামের একটি ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে, “নোবেল করোনা ভাইরাস 2019(COVID-19)ঘাটাল লোকসভার সংসদ দীপক অধিকারী (দেব) ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে ঘাটালের হসপিটালগুলিতে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার /আইসোলেশন ওয়ার্ড নির্মাণের জন্য, পর্যাপ্ত চিকিৎসার জন্য এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয়ের জন্য সাংসদ তহবিল থেকে এক কোটি টাকা প্রদান করলেন ঘাটালের মাননীয় সাংসদ শ্রী দীপক অধিকারী (দেব)”।

আরও পড়ুন: লকডাউনে আটকে পড়া ১১ কর্মীকে আশ্রয় দিলেন প্রকাশ রাজ

অভিনেতা-রাজনীতিক দেবের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। পাশাপাশি ফেসবুকে ওই পোস্টে অনেকেই এমনও মন্তব্য করেছেন, শুধুমাত্র সাংসদ তহবিল নয়,মানুষের স্বার্থে ব্যক্তিগত ভাবেও কিছু টাকা ব্যয় করুন টলিউড হিরো।

পশ্চিম মেদিনীপুর

ইদের দিন দুঃস্থ আদিবাসী ও মুসলিম বিধবাদের হাতে সাহায্য তুলে দিল ‘সিমপ্যাটিকো’

খবর অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস (coronavirus) জনিত পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে দু’ মাসেরও বেশি হয়ে গেল চলছে লকডাউন (lockdown)। কর্মহীন বহু পরিবার অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। খড়গপুরের (Kharagpur) এমনই কিছু আর্ত মানুষের সেবায় এগিয়ে এল ‘সিমপ্যাটিকো’ (SIMPATICO) অর্থাৎ ‘সমমনস্ক’।

বেলুড় ও নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তনী ও পেশায় শিক্ষক খড়গপুরের সুমন কল্যাণ ধাড়া তাঁর সহকর্মী, সহপাঠী, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তনী ও অধ্যাপক এবং নিকট মানুষদের একত্রিত করে গড়েছেন ‘সিমপ্যাটিকো’।

‘সিমপ্যাটিকো’ পবিত্র ইদের দিন খড়গপুর অঞ্চলের পৃথিমপুর, বহড়াপাট, আশাপুর, কুশমাবাগ, কামারপাড়া ও গোকুলপুর গ্রামের সর্বমোট ২২৫ জন সহায়সম্বলহীন আদিবাসী ও মুসলিম বিধবার হাতে ১২টি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দিল।

সুমনবাবুর আবেদনে সাড়া দিয়ে মেদিনীপুর হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (Medinipur Homoeopathy Medical College &Hospital) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ শ্রীমন্ত সাহা নিজে উপস্থিত থেকে তাঁর মেডিক্যাল টিমের তত্ত্বাবধানে কোভিড ১৯-এর (Covid 19) প্রতিষেধক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ‘আর্সেনিক অ্যালবাম ৩০’ (Arsenic Album 30) বিতরণ করেন। ডাঃ সাহা এই ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে আরও মানুষকে এই কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সুমনবাবু এর আগেও লকডাউন চলাকালীন ব্যক্তিগত ভাবে ৫৪টি আদিবাসী পরিবারকে সাহায্য করেছিলেন ও তাঁর পরিচিতদের সহযোগিতায় ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের দিন ৮৮টি আদিবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ১২টি নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করে।

Continue Reading

পশ্চিম মেদিনীপুর

নিরন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ালেন খড়গপুরের শিক্ষক

খবর অনলাইন ডেস্ক: আর্ত মানুষের সেবায় এগিয়ে এলেন খড়গপুরের (Kharagpur) শিক্ষক। করোনাভাইরাস (coronavirus) জনিত পরিস্থিতির মোকাবিলায় টানা প্রায় দেড় মাস ধরে চলছে লকডাউন (lockdown)। এই অবস্থায় বহু পরিবারের মুখে ভাতটুকু জুটছে না। বেঁচে থাকার জন্য তাঁদের ভরসা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দান। এ বার এই সামাজিক কাজে এগিয়ে আসছেন ব্যক্তিবিশেষ। তেমনই একজন মানুষ এই শিক্ষক।

পেশায় শিক্ষক সুমন কল্যাণ ধাড়া খড়গপুর ২ নম্বর ব্লক-এর বাসিন্দা। লকডাউন চলাকালীন ৪টি দফায় তিনি খড়গপুরের আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত নিরন্ন পরিবারগুলির হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস তুলে দিলেন।

তখন বিতরণ চলছে।

গত ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের দিন সর্বমোট ৮৮টি আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত পরিবারের হাতে পরিবারপিছু ১২টি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য তুলে দিয়েছেন সুমনবাবু।

এর আগে ৩ এপ্রিল, ১৪ এপ্রিল ও ১৭ এপ্রিল, এই তিন দিন সর্বমোট ৫২টি আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত পরিবারের হাতে ৯-১০টি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য তুলে দেওয়া হয়েছিল খড়গপুর গ্রামীণ এলাকার অন্তর্ভুক্ত সামরাইপুর, আম্বা পশ্চিম ও আম্বা পূর্ব অঞ্চলে।

আরও পড়ুন: পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেন সফরের খরচ দেবে কংগ্রেস, ঘোষণা সনিয়া গান্ধীর

সুমনবাবু নরেন্দ্রপুর ও বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তনী। তাই স্বাভাবিক ভাবেই আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের দিন তাঁর পাশে দাঁড়ান নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের কয়েক জন প্রাক্তনী ও অধ্যাপক। পাশে ছিলেন তাঁর কিছু সহকর্মী ও এলাকার পরিচিতজনেরাও। খড়গপুর লোকাল থানার প্রতিনিধিরা এই বিতরণপর্বে আমন্ত্রিত ছিলেন।

খড়গপুর লোকাল থানার তরফে তাঁর এই উদ্যোগের প্রশংসা করা হয় ও বন্টনের সময় প্রতিনিধি পাঠিয়ে সুমনবাবুকে সহায়তা করা হয়। পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের অন্যদের প্রতি আহ্বান জানান সুমনবাবু। পরবর্তীতে তাঁর পাশে থাকা মানুষজনকে নিয়ে বৃহত্তর সামাজিক কাজে নামারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

Continue Reading

পশ্চিম মেদিনীপুর

দিঘা থেকে হেঁটে মুর্শিদাবাদের পথে পরিযায়ী শ্রমিকের দল, আংশিক সুরাহা শালবনীতে

শালবনী: লকডাউনের (lockdown) জেরে কাজ বন্ধ এক মাসেরও বেশি হয়ে গেল। হাতে পয়সাকড়িও নিঃশেষ। শেষ পর্যন্ত উপায়ান্তর না দেখে হেঁটেই কর্মস্থান থেকে রওনা হল পরিযায়ী শ্রমিকের দল। গন্তব্য গ্রামের বাড়ি। দিঘা (Digha) থেকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। শেষ পর্যন্ত শালবনীতে (Shalbani) এসে তাঁদের পরিশ্রমের কিছুটা লাঘব হল।

বুধবার সকালে শালবনীর কালীমন্দিরের কাছে একদল মানুষকে হেঁটে যেতে দেখা যায়। এলাকার শিক্ষক তন্ময় সিংহ তাঁদের পরিচয় জানতে চান। তাঁরা জানান, তাঁরা পরিযায়ী শ্রমিক। আসছেন দিঘা থেকে, বাড়ি মুর্শিদাবাদ। সাত জনের দলে একটি ছয় বছরের শিশু এবং একজন শ্রমিকের মা-ও ছিলেন।

দলের শিশুটি।

তাঁরা জানান, আজ নিয়ে চার দিন তাঁরা ক্রমাগত হেঁটে চলেছেন। এঁদের কোনো ভাবে সাহায্য করা যায় কি না, সেই চিন্তা থেকেই তন্ময়বাবু যোগাযোগ করেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ নেপাল সিংহের সঙ্গে।

খবর যায় শালবনী পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সন্দীপ সিংহের কাছে। সন্দীপবাবু তাঁদের দেখা পান আড়াবাড়ি বন সংলগ্ন একটি টেলিফোন কোম্পানির অফিসের সামনে। পরিযায়ী শ্রমিকদলের হেঁটে মুর্শিদাবাদ যাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই ওই এলাকাতেই তাঁদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এবং  পথের জন্য শুকনো খাবারের ব্যাবস্থা করে দেন অতনু সিংহ ও সুদীপ সিংহ।

ইতিমধ্যে সন্দীপবাবু যোগাযোগ করেন চন্দ্রকোনা রোড ফাঁড়ি, শালবনী থানা, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাধিপতি উত্তরা সিংহ হাজরা ও শালবনীর বিডিও সঞ্জয় মালাকারের সঙ্গেও। পরিযায়ী শ্রমিকেরা জানান, তাঁরা মুর্শিদাবাদের সুতি ও ধুলিয়ান থানার বাসিন্দা। তাঁদের আবেদন, তাঁদের কোয়ারান্টাইনে না রেখে অন্তত অন্তত বর্ধমান জেলার সীমানার কাছাকাছি এগিয়ে দেওয়া হোক। ওখান থেকে তাঁদের বাড়ির লোকেরা তাঁদের নিয়ে যাবে বলে জানান তাঁরা।

আরও পড়ুন: ১০ জুনের পর উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষা, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ওই আবেদনে সাড়া দিয়ে তাঁদের বর্ধমান জেলার সীমানার কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এখন দেখার এই পরিযায়ী শ্রমিকরা কখন তাঁদের বাড়ি পৌঁছোতে পারেন।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং