ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, তীব্র চাঞ্চল্য

0
Suicide
প্রতীকী ছবি

দাঁতন (পশ্চিম মেদিনীপুর): পুরুলিয়ার পর এ বার পশ্চিম মেদিনীপুর। ফের গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মিলল বিজেপি কর্মীর দেহ। বিজেপির দাবি, তৃণমূল কর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন ওই ব্যক্তি। অন্য দিকে তৃণমূল বলছে এটি আত্মহত্যা।

মৃত বিজেপি কর্মীর নাম বর্ষা হাঁসদা। শুক্রবার সকালে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় তাঁর দেহ।

উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই দাঁতন উত্তপ্ত। বার বার তৃণমূল আর বিজেপির মধ্যে গোলমালের খবর এসেছে দাঁতন থেকে। মঙ্গলবারও তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা বিজেপি সভাপতি সুমিত দাস বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবার সন্তোষপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীদের একটা পিকনিক ছিল। পিকনিকের পরে রাতে আর বর্ষা হাঁসদা বাড়ি ফেরেননি। আজ সকালে তাঁর ঝুলন্ত দেহ মিলল।’’

রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের লোকজনই তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল বলে বিজেপির অভিযোগ। খুন করে দেহ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে তাঁরা দাবি করছেন।

লোকসভা নির্বাচনের আগে কিন্তু প্রায় একই ভাবে একের পর এক বিজেপির কর্মীর ঝুলন্ত দেহ মিলতে শুরু করেছিল পুরুলিয়া থেকে। ত্রিলোচন মাহাতো, দুলাল কুমার এবং শিশুপাল সহিস, এই তিন বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছিল ঝুলন্ত অবস্থায়।

তৃণমূলের দাবি, এই মৃত্যুর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগই নেই। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বলেছেন, ‘‘পারিবারিক কারণে ওই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। এটা কোনো খুন নয়, এর পিছনে কোনো রাজনীতিও নেই।’’

আরও পড়ুন টালা সেতু বন্ধের মধ্যে শহরের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু বন্ধের সম্ভাবনা, যানজটের আশঙ্কা

এমনকি যাঁর দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় মিলেছে, তিনি কোনো কালেই বিজেপি কর্মী ছিলেন না বলেও অজিত মাইতি দাবি করেন।

তবে শুধু বিজেপিই নয়, বর্ষা হাঁসদার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হতেই জনজাতি সমাজের সংগঠনও প্রতিবাদে শামিল হয়েছে। মাঝি-মাড়ওয়াদের সংগঠনের নেতারাও এ দিন দাঁতনে গিয়েছেন। বিক্ষোভ আরও বড়ো আকার নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

তবে তৃণমূলের দাবি, খড়গপুরের বিধানসভা উপনির্বাচনে ফায়দা তুলতে ইচ্ছে করে ব্যাপারটিকে অন্য মাত্রা দিচ্ছে বিজেপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.