৯ বছর পর গড়বেতায়! সুশান্ত ঘোষ বললেন, ‘রাজনীতির ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের শুরু’

0

খবর অনলাইন ডেস্ক: ২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকে আর বাড়ি ফিরতে পারেননি সুশান্ত। জেলায় হয়তো গিয়েছেন, ভোট দিয়েছেন, কিন্তু বাড়ি ফেরা আর হয়নি। জামিনে মুক্তির পর রবিবার তিনি বাড়ি ফিরছেন।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে হাজির হয়েছিলেন অসংখ্য কর্মী-সমর্থক। তাঁর উপর ফুলবর্ষণ করা হয়। এই ঘটনাকে মানুষের ভালোবাসা এবং আবেগের জয় হিসেবে অভিহিত করেন সুশান্ত। তিনি বলেন, মানুষের ভালোবাসা ছাড়া আমাদের মতো কমিউনিস্ট আর বড়ো কিছুই পাওয়ার নেই। যাঁরা লাল পতাকাকে ভালোবাসেন, তাঁদের মধ্যে আর কতটা ভালোবাসা অবশিষ্ট রয়েছে, আজকেই প্রমাণ হচ্ছে। কারণ, যাঁরা লাল পতাকাকে ভালোবাসেন, তাঁরা আমাকেও ভালোবাসেন।

এ দিন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এবং তন্ময় ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেন সুশান্ত। তিনি বলেন, “মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে জেলে ভরে দেওয়া হয়েছিল, এলাকার বাইরে করে দেওয়া হয়েছিল। তাদের মুখোশ একে একে খুলছে। আজ যে উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে তাতে স্পষ্ট, মানুষ কোনো মিথ্যাকে গ্রহণ করেননি। কোনো রকমের প্রচার ছাড়াই হাজার হাজার মানুষ অপেক্ষা করছেন। হ্যান্ডবিল, পোস্টার, ব্যানার- কোনো রকমের প্রচারই হয়নি। মানুষ মুখে মুখে খবর পেয়েই ভালোবাসা এবং আবেগের টানে ছুটে আসছেন। আজ বাংলার রাজনীতির ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সংযোজন হবে এখান থেকেই”।

বাড়ি ফেরার অনুভূতি সম্পর্কে সুশান্ত বলেন, “১০ দিন বাড়ির বাইরে থাকলে মনে হয়, কত দিন বাড়ি ফিরিনি। আর আমি প্রায় ন’বছর বাড়িতে যেতে পারিনি। ফলে দীর্ঘদিন বাইরে থেকে বাড়ি ফিরলে যে অনুভূতি হয়, সেটাই হচ্ছে”।

প্রসঙ্গত, কঙ্কালকাণ্ডে নাম জড়িয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাপুটে সিপিএম নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। এ দিন তাঁর চন্দ্রকোনায় সভা করার কথা রয়েছে। বলেন, “সভা থেকেই কঙ্কালকাণ্ড নিয়ে মুখ খুলব”।

সপ্তাহ দুয়েক আগে দলের সদর দফতরে দীর্ঘ বৈঠকে অংশ নেন সিপিএমের এক সময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা। আরও পড়তে পারেন: আলিমুদ্দিনে পৌঁছে সূর্যকান্ত মিশ্রের সঙ্গে বৈঠকে সুশান্ত ঘোষ

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন