কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবারই বলে থাকেন, তিনি ছোটো শিল্পকে অত্যান্ত গুরুত্ব দেন। কারণ এই ধরনের শিল্পে অনেক বেশি কর্ম সংস্থান হয়। বাড়ে বাজার। সেই মতো রাজ্য সরকার নীতি নির্ধারণে বরাবরই গুরুত্ব দিয়ে এসেছে ছোটো শিল্পকে। গোটা রাজ্যে তৈরি করেছে ছোটো শিল্পের জন্য ৫২টি শিল্প পার্ক বা এস্টেট। দেশ ও বিদেশের শিল্পপতিদের কাছে এই পার্কগুলিতে বিনিয়োগের আহ্বানও জানানো হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। ৫২টির মধ্যে ১৮টি শিল্পতালুক এতিমধ্যেই সক্রিয়। বাকি ৩৪টি এখনও ফাঁকা থাকলেও পরিকাঠামো তৈরি করে রেখেছে রাজ্য। অর্থাৎ জল, রাস্তা, আলো- কোনোটারই খামতি নেই। এই পরিস্থিতিতে ৩৮টি মহকুমায় শিল্পতালুক তৈরির জন্য আরও জমি খুঁজতে শুরু করল রাজ্য।

এই মর্মে রাজ্যের ২১জন জেলাশাসকের কাছে পুজোর আগেই চিঠি পৌঁছে গেছে। জমিরও খোঁজও শুরু হয়ে গিয়েছে। কোনো কোনো জেলা থেকে ইতিবাচক উত্তরও আসতে শুরু করেছে।

বেশ কিছু ফাঁকা এস্টেট পড়ে থাকলেও বাড়তি জমি খুঁজতে শুরু করার কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে। উৎপাদন স্থলের সঙ্গে পণ্যের দাম, বিপণন, চাহিদার সরাসরি সম্পর্ক আছে। কাঁচা মাল নি্য়ে আসার খরচের সঙ্গেও পণ্য তৈরির খরচ অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িত। এই পরস্থিতিতে আরও ব্যাপক ভাবে জমি খুঁজে শিল্পতালুক তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। কারণ, শিল্পতালুকে রাতারাতি বিনিয়োগ না এলেও, বিনিয়োগকারীদের যাতে এলাকাটি পছন্দ হয়, তার ব্যবস্থা রাখা জরুরি। সেই জন্যই নতুন করে এই জমি খোঁজা। এর সঙ্গে রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তিও জড়িয়ে রয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here