election

কলকাতা: শনিবার সারাদিনের টানাপোড়েনের পর পঞ্চায়েতের মনোনয়ন জমার অতিরিক্ত দিন ঘোষণা করতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এমনটাই দাবি করেছেন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি সৌরভ দাস। সূত্রের খবর, সোমবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত মনোনয়ন পেশের বিজ্ঞপ্তি জারি করবে কমিশন। কিন্তু ভোটের নতুন নির্ঘণ্টের কী হবে?

এ ব্যাপারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ে কথা বললেও চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি কমিশন। পুরনো ভোটসূচি বাতিল করে নতুন নির্ঘণ্ট প্রস্তুতের জন্য আগামী সোমবার বিশেষ বৈঠকে বসার কথা জানা গিয়েছে। নির্বাচন নির্বিঘ্নে করার জন্য একাধিক বিষয়ের উপর আগে থেকেই আলোকপাত করতে চাইছে কমিশন। সিপিএম,কংগ্রেস বা বিজেপি এখনও পর্যন্ত ভোটের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি তুলে আসছে। তাদের দাবিকে যথাযথ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করেই নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। একটি পক্ষ যে ভাবে একদিনে ভোট করানোর দাবি তুলছে, তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কী করণীয়, সে ব্যাপারেই চিন্তাভাবনা করছেন কমিশন কর্তারা।

দুপুরে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়েও বৈঠক না করে ফিরে যান বিজেপি নেতা মুকুল রায়। হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে দেখা করে ফের তিনি চলে আসেন কমিশনের দফতরের সামনে। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিজেপিকে বাদ দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাঁরা ফের আদালতের দ্বারস্থ হবেন। কিন্তু নাটকীয় ভাবে সন্ধ্যায় জানান, নির্বাচন কমিশন যে দিন ভোট করবে, তাতে তাঁদের সম্মতি রয়েছে। তবে কমপক্ষে দু’দফায় ভোট কারনোর পক্ষে তাঁরা। কারণ একদিনে ভোট করাতে যত সংখ্যক পুলিশ দরকার, তা রাজ্যের নেই। ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর এই দাবি বহুলাংশে মিলে গিয়েছে সিপিএম নেতা রবিন দেবের সঙ্গে।

স্বাভাবিক ভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে নিরাপত্তার বিষয়টি। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগামী সোমবার নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি দিক পুনরায় বিবেচনা করেই নতুন নির্ঘণ্ট তৈরি করা হবে। আপাতত শাসক দলের এক দিনে ভোটগ্রহণের প্রস্তাবেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে পুরোটাই আলোচনা সাপেক্ষ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here