প্রধানমন্ত্রীর দাবি মতো ৪০ জন বিধায়ক কোথায়?

0
mukul Roy
ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: গত এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচনে প্রচারে বাংলায় এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করেছিলেন, তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। কিন্তু সেই মন্তব্যের মাস দুই ঘুরতে গেলেও বিজেপিতে যোগ দেওয়া তৃণমূল বিধায়কের সংখ্যা তো দুই অঙ্কে পৌঁছাল না!

বিজেপি নেতা মুকুল রায় এমন প্রশ্নের উত্তরে জানান, রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের বেশ কয়েকজন বিধায়ক এখন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং বিজেপির জাহাজে লাফাতে চাইছেন। কিন্তু বিজেপি সূত্রেই খবর, এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ভিন দল থেকে ১৪ জন বিধায়ক গেরুয়া শিবিরে নাম নিখিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কংগ্রেস-বামফ্রন্ট বিধায়করাও রয়েছেন।

মুকুলবাবু বলেন, “রাজ্যের শাসক দলের একটা বড়ো অংশের বিধায়ক বিজেপিতে আসার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। কিন্তু দলত্যাগ-বিরোধী আইনের জন্য তাঁদের পিছু হঠতে হচ্ছে। কিন্তু একই সঙ্গে তো আমরা দেখতে পাচ্ছি, জেলার নিচু স্তরের যেমন জেলা পরিষদ থেকে পঞ্চায়েত স্তরেও দলবদল ঘটছে”।

একই ভাবে পুরসভা স্তরেও রদবদল ঘটছে। মুকুলবাবু বলেন, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে উৎখাত করতে বিজেপি নির্দির্ষ্ট রূপরেখা ধরেই এগোচ্ছে। যে কারণে, ২০২১ বিধানসভা ভোটের আগেই ২০২০-র পুরসভাগুলির ভোটকে ‘মিনি জেনারেল ইলেকশন’ হিসাবেই দেখছে বিজেপি। পুরভোটে কী রকম সাফল্য পেতে পারে বিজেপি?

মুকুলবাবু জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পুরভোট হতে চলেছে ধরে নিয়েই যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আগামী পুরভোটে কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডেই জেতার লক্ষ্য স্থির করেছে বিজেপি। একই সঙ্গে শিলিগুড়ি, আসানসোল, হাওড়া-সহ অন্যান্য পুরসভাগুলির দখলও যাবে বিজেপির হাতেই।

এ ব্যাপারে মুকুলবাবু বলেন, পুরসভা ভোটেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রচারে আসবেন। সে সমস্ত বিস্তারিত তালিকা তৈরির কাজ এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এখন থেকেই পুরভোট অবাধ ও সুষ্ঠু করার দাবি তুলতে শুরু করেছে বিজেপি।

তিনি বলেন, “সর্বোপরি, রাজ্য নির্বাচন কমিশন পুরসভা নির্বাচন পরিচালনা করেব। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসে পুরসভা নির্বাচন নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো উচ্চবাচ্য করছেন না মুখ্যমন্ত্রী”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here