কে আগে যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে? ভাঙড়ের দুই দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতার মন্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

0
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: কে আগে বিজেপিতে যাবেন, সেটা নিয়েই চলছে বাকযুদ্ধ। লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরই রাজ্যরাজনীতিতে ঘটে যাচ্ছে দ্রুত পরিবর্তন। এমনকী যাদবপুর থেকে তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী জেতার পরেও ভাঙড়ের দুই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার ‘ছায়াযুদ্ধ’ যেন আরও তুঙ্গে! বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা নিতে চলেছেন উচ্চনেতৃত্ব।

ভাঙড়ের ‘বাহুবলী’ নেতা হিসাবে পরিচিত আরাবুল ইসলাম এবং কাউজার আহমেদের মধ্যে ফের নতুন করে ভাঙন ধরালো বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গই। বিদায়ী সাংসদ সুগত বসুর পরিবর্তে এ বার যাদবপুরে প্রার্থী করা হয়েছিল টলি-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে। দলীয় সূত্রে খবর, এর নেপথ্যে কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলেছিল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিও। তবে ভোটের ময়দানে নেমে একত্রে কাজ করলেও ভোট মিটতেই সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যেন নতুন করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠল। সেই সঙ্গে জুড়ে গেল দলবদলের বিষয়টিও।

দলীয় নেতা আরাবুল ইসলামকে একাধিক নিয়ম বহির্ভুত কাজে অভিযুক্ত ঠাওরে তীব্র ভাষায় তাঁকে আক্রমণ করেন তাঁরই ‘একদা অনুগামী’ হিসাবে পরিচিত তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ। বলেন, “আরাবুলের জন্যই তৃণমূলের বদনাম হচ্ছে”। একই সঙ্গে প্রকাশ্যসভায় তিনি দাবি করেন, “বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন করে রেখেন আরাবুল”।

এমন মন্তব্য আরাবুলের কানে পৌঁছানোর পর বাক্যবোমা ফাটান আরাবুলও। তিনি দাবি করেন, “কাইজারের বাবা সিপিএম করতেন। এখন ওরা তৃণমূল করে। এখন কাইজার আর ওর ভাই তলে তলে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। যে কোনো দিন ওরা বিজেপিতে চলে যাবে”।

ভাঙড়ের এই দুই নেতার পরস্পর দোষারোপে অস্বস্তিতে পড়েছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের নিচু তলার কর্মীদের কাছেও এ ধরনের মন্তব্য যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে, সেটাও নজর এড়াচ্ছে না তাঁদের। সব মিলিয়ে জেলা নেতৃত্ব আরাবুল-কাইজারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here