Connect with us

রাজ্য

বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট, সোমেন মিত্রের পর কে হচ্ছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি?

সোমেন মিত্রের মৃত্যুর পর রীতিমতো ‘অভিভাবকহীন’ হয়ে রয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস।

সদ্যপ্রয়াত সোমেন মিত্র স্মরণে। সংগৃহীত ছবি

কলকাতা: গত বৃহস্পতিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমেন মিত্রের মৃত্যুর পর রীতিমতো ‘অভিভাবকহীন’ হয়ে রয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এর পর কার হাতে বর্তাবে দলের দায়িত্ব?

তিনটি পর্যায়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হয়েছিলেন সোমেন মিত্র (Somen Mitra)। কংগ্রেস ছেড়ে নিজের দল গঠন অথবা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরে ফের কংগ্রেসে ফিরে আসার পর সভাপতিপদের দায়িত্ব তাঁর হাতে তুলে দেওয়ার নেপথ্যে বড়োসড়ো ভূমিকা ছিল রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi)। কংগ্রেসের একটি মহলের মতে, নামের সঙ্গে ‘বিতর্ক’ জড়িয়ে থাকলেও সোমেনকে ফের সভাপতিপদে বসানো হলেও প্রদেশ কংগ্রেসে তাঁকে নিয়ে তেমন কোনো দ্বন্দ্ব-সংঘাতের নজির নেই। কারণ, রাহুল গান্ধী-সহ দলের জাতীয় স্তরের নেতৃত্বের কড়া নজরদারি।

যদিও সোমেন প্রয়াত হওয়ার পর, প্রদেশ সভাপতিপদে কোনো প্রবীণ, না কি নবীন নেতাকে বসানো হবে, তা নিয়ে এখনও কোনো স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছোনো যায়নি বলেই প্রদেশ সূত্রে খবর। আবার এমনটাও শোনা যাচ্ছে, স্থায়ী সভাপতি হিসেবে আপাতত কাউকে বেছে নেওয়া সম্ভব না হলে, অন্তর্বর্তীকালীন ভাবে যোগ্য কোনো নেতার হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হতে পারে।

আলোচনায় যাঁদের নাম

কংগ্রেসের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে ‘দ্য স্টেটসম্যান’ সংবাদপত্রে লেখা হয়েছে, নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্য তরুণ নেতার অভাব থাকায় প্রবীণদের উপরেই ফের ভরসা করা হতে পারে। এই তালিকায় রয়েছেন তিন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা।

রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য, লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী এবং বিধানসভায় বিরোধী নেতা আবদুল মান্নান। এঁদের মধ্যে প্রদীপ এবং অধীর এর আগেই প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিপদে দায়িত্ব সামলেছেন।

অন্য দিকে নবীনদের মধ্যে আছেন অমিতাভ চক্রবর্তী এবং শুভঙ্কর সরকারের মতো বেশ কয়েকজন।আবার দেবপ্রসাদ রায়ের মতো লড়াকু নেতার নাম উঠে এসেছে। কিন্তু এখনই তাঁদের স্থায়ী ভাবে সভাপতিপদের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে একমাত্র এআইসিসি।

ভোটের জোট

যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছে বামফ্রন্ট-কংগ্রেস। বিধানসভা ভোটে বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট বেঁধেই লড়াই যেতে চলেছে কংগ্রেস। পুরসভার ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটতে চলেছে। এ ব্যাপারে যাবতীয় বিবাদ-বিতর্ক এড়িয়ে বামেদের সঙ্গে কংগ্রেসের হাত ধরাধরি মসৃণ করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন সোমেন।

কংগ্রেস তো বটেই, ববামফ্রন্টের শরিকদের নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছে একাধিকবার। সে সমস্ত ক্ষেত্রে সোমেনের হস্তক্ষেপে জটিলতা কেটে গিয়েছে, সাম্প্রতিককালে এমন উদাহরণ রয়েছে।

স্বাভাবিক, সভাপতিপদে নতুন যিনি আসবেন, তাঁর ক্ষেত্রেও বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধে চলার বিষয়টিতে সাবলীল হতে হবে। সোমেনের শুরু করা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে নতুন সভাপতিকেও একই পথে হাঁটতে হবে।

এআইসিসির পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গৌরব গগৈ গত বৃহস্পতিবারই কলকাতায় এসে পৌঁছোন। ধারণা করা হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর আলোচনা চলছে।

অতীতে প্রদেশ কংগ্রেসের অন্তর্কলহ বারবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। তবে সোমেন মিত্র সভাপতিপদে বসার পর সেই পরিস্থিতির কিছুটা হলেও বদল হয়। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেই হাইকম্যান্ড কার উপর ভরসা করেন, এখন সেটাই দেখার।

রাজ্য

রাজ্যের কোভিড-তথ্যের জেলাওয়াড়ি হিসেব

বেশ কিছু জেলায় কোভিডে কারও মৃত্যু হয়নি। এর মধ্যে দুটি জেলা এমনও রয়েছে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১০০০ পেরোলেও কারও মৃত্যু হয়নি।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রাজ্যে রোজই বাড়ছে কোভিড (Covid 19) আক্রান্তের সংখ্যা। তবে সুস্থতাও যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী দিনে সুস্থতার হার আরও কিছুটা বাড়বে। একই সঙ্গে মৃত্যুহারও কমছে লক্ষণীয় ভাবে।

রবিবার সন্ধ্যার কোভিড রিপোর্টের পর রাজ্যে বর্তমানে কোভিড-তথ্যের জেলাওয়াড়ি হিসেব তুলে ধরা হল। দেখা যাচ্ছে, বেশ কিছু জেলায় কোভিডে কারও মৃত্যু হয়নি। এর মধ্যে দু’টি জেলা এমনও রয়েছে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১০০০ পেরোলেও কারও মৃত্যু হয়নি। বিস্তারিত তথ্য দেখে নিন।

১) কলকাতা

আক্রান্ত – ২৭,৮৫৬

সুস্থ – ১৮,৮৬৭

মৃত্যু – ৯৪৮

সক্রিয় রোগী – ৭,০৪১

সুস্থতার হার – ৬৭.৭%

মৃত্যুর হার – ৩.৪০%

২) উত্তর ২৪ পরগণা

আক্রান্ত – ২০,৫৫৫

সুস্থ – ১৪,৩০৩

মৃত্যু – ৪৭৮

সক্রিয় রোগী – ৫,৭৭৪

সুস্থতার হার – ৬৯.৫৮%

মৃত্যুর হার – ২.৩২%

৩) হাওড়া

আক্রান্ত – ৯,৭৩৫

সুস্থ – ৭,৩৫৫

মৃত্যু – ২৪৯

সক্রিয় রোগী – ২,১৩১

সুস্থতার হার- ৭৫.৫৫%

মৃত্যুর হার- ২.৬৬%

৪) দক্ষিণ ২৪ পরগণা

আক্রান্ত- ৬,৯৯৪

সুস্থ- ৫,০৫০

মৃত্যু- ১১৪

সক্রিয় রোগী- ১,৮৩০

সুস্থতার হার- ৭২.২০%

মৃত্যুর হার- ১.৬২%

৫) হুগলি

আক্রান্ত- ৪,৫৮৩

সুস্থ- ৩,২৩৯

মৃত্যু- ৭২

সক্রিয় রোগী- ১,২৭২

সুস্থতার হার- ৭০.৬৭%

মৃত্যুর হার- ১,৫৭%

৬) মালদা

আক্রান্ত- ৩,০৫৮

সুস্থ- ২,৩৩২

মৃত্যু- ১৭

সক্রিয় রোগী- ৭০৯

সুস্থতার হার- ৭৬.২৫%

মৃত্যুর হার- ০.৫৫%

৭) দার্জিলিং

আক্রান্ত- ২,৯৭৭

সুস্থ- ২,১১২

মৃত্যু- ৩৯

সক্রিয় রোগী- ৮২৬

সুস্থতার হার- ৭০.৯৪%

মৃত্যুর হার- ১.৩১%

৮) পূর্ব মেদিনীপুর

আক্রান্ত- ২,৫৫১

সুস্থ- ১,৪৮৯

মৃত্যু- ১৮

সক্রিয় রোগী- ১,০৪৪

সুস্থতার হার- ৫৮.৩৬%

মৃত্যুর হার- ০.৭০%

৯) দক্ষিণ দিনাজপুর

আক্রান্ত- ১,৮০৬

সুস্থ- ১,১০৩

মৃত্যু- ১৩

সক্রিয় রোগী- ৬১৩

সুস্থতার হার- ৬১.০৭%

মৃত্যুর হার- ০.৮৮%

১০) জলপাইগুড়ি

আক্রান্ত- ১,৭৭৯

সুস্থ- ১,২৯৬

মৃত্যু- ১৪

সক্রিয় রোগী- ৪৬৯

সুস্থতার হার- ৭৩.০১%

মৃত্যুর হার- ০.৭৮%

১১) পশ্চিম বর্ধমান

আক্রান্ত- ১,৬৬৩

সুস্থ- ৮৪৮

মৃত্যু- ১৪

সক্রিয় রোগী- ৮০১

সুস্থতার হার- ৫০.৯৯%

মৃত্যুর হার- ০.৮৪%

১২) নদিয়া

আক্রান্ত- ১,৬৪৩

সুস্থ- ১,০৩৩

মৃত্যু- ১৫

সক্রিয় রোগী- ৫৯৫

সুস্থতার হার- ৬২.৮৭%

মৃত্যুর হার- ০.৯১%

১৩) পশ্চিম মেদিনীপুর

আক্রান্ত- ১,৫২০

সুস্থ- ১,১৬৫

মৃত্যু- ১৮

সক্রিয় রোগী- ৩৩৭

সুস্থতার হার- ৭৬.৬৪%

মৃত্যুর হার- ১.১৮%

১৪) পূর্ব বর্ধমান

আক্রান্ত- ১,৪৯২

সুস্থ- ৯৬০

মৃত্যু- ৭

সক্রিয় রোগী- ৫২৫

সুস্থতার হার- ৬৪.৩৪%

মৃত্যুর হার- ০.৪৬%

১৫) কোচবিহার

আক্রান্ত- ১,৩৬৭

সুস্থ- ৮২৫

মৃত্যু- ০

সক্রিয় রোগী- ৫৪২

সুস্থতার হার- ৬০.৩৫%

মৃত্যুর হার- ০

১৬) উত্তর দিনাজপুর

আক্রান্ত- ১,৩৫৬

সুস্থ- ১,১২২

মৃত্যু- ১৩

সক্রিয় রোগী- ২২১

সুস্থতার হার-৮২.৭৪%

মৃত্যুর হার- ০.৯৫%

১৭) মুর্শিদাবাদ

আক্রান্ত- ১,৩৩৭

সুস্থ- ৮১৪

মৃত্যু- ১৫

সক্রিয় রোগী- ৫০৮

সুস্থতার হার- ৬০.৮৮%

মৃত্যুর হার- ১.১২%

১৮) বাঁকুড়া

আক্রান্ত- ১,০৪৯

সুস্থ- ৭৬০

মৃত্যু- ০

সক্রিয় রোগী- ২৮৯

সুস্থতার হার-৭২.৪৪%

মৃত্যুর হার- ০

১৯) বীরভূম

আক্রান্ত- ৯৭০

সুস্থ- ৫৬৫

মৃত্যু- ৭

সক্রিয় রোগী- ৩৯৮

সুস্থতার হার- ৫৮.২৪%

মৃত্যুর হার- ০.৭২%

২০) আলিপুরদুয়ার

আক্রান্ত- ৬৪০

সুস্থ- ৩৭৩

মৃত্যু- ৪

সক্রিয় রোগী- ২৬৩

সুস্থতার হার- ৫৮.২৮%

মৃত্যুর হার- ০.৬২%

২১) পুরুলিয়া

আক্রান্ত- ৩৪৫

সুস্থ- ২৪২

মৃত্যু- ০

সক্রিয় রোগী- ১০৩

সুস্থতার হার- ৭০.১৪%

মৃত্যুর হার- ০

২২) কালিম্পং

আক্রান্ত- ১৩৩

সুস্থ- ৯১

মৃত্যু- ১

সক্রিয় রোগী- ৪১

সুস্থতার হার- ৬৮.৪২%

মৃত্যুর হার- ০.৭৫%

২৩) ঝাড়গ্রাম

আক্রান্ত- ৭৯

সুস্থ- ৩৬

মৃত্যু- ০

সক্রিয় রোগী- ৪৩

সুস্থতার হার- ৪৫.৫৬%

মৃত্যুর হার- ০

Continue Reading

রাজ্য

এক দিনে আক্রান্ত ২৯৩৯, রাজ্যে সুস্থতার হার ৭০.২৪ শতাংশ

প্রতীকী ছবি।

কলকাতা: রাজ্যে শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাস (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার ছুঁইছুঁই। রবিবার দৈনিক বুলেটিনে তেমনটাই জানাল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

দফতরের পরিসংখ্যানে জানানো হয়, শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯৩৯ জন। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৫ হাজার ৫৫৪-য়।

এক দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯৯৬ জন। ফলে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ আক্রান্তের সংখ্য়া ৬৭ হাজার ১২০। বর্তমানে সক্রিয় কোভিড-১৯ (Covid-19) রোগী রয়েছেন ২৬ হাজার ৩৭৫ জন।

শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৫৯ জন।

[রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের সৌজন্যে]

সুস্থতা এবং মৃত্যুহার

এ দিন রাজ্যে সুস্থতার হার ঠেকেছে ৭০.২৪ শতাংশ। যা গত শনিবারের তুলনায় অতিসামান্য কম। শনিবার এই হার ছিল ৭০.৩২ শতাংশ। অন্য দিকে এ দিন মৃত্যুহার স্বল্প হলেও কমে হয়েছে ২.১৫ শতাংশ। যা গত শনিবারে ছিল ২.১৬ শতাংশ।

নমুনা পরীক্ষা

লকডাউন, শারীরিক দূরত্ব পালনের পাশাপাশি ট্রেসিং, ট্র্যাকিং, টেস্টিংয়ের মাধ্যমেও করোনাকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য। যে কারণে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যাও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানায়, সারা রাজ্যে একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৬ হাজার ২৪২টি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১১ লক্ষ ৫ হাজার ৮৯৯টি।

প্রতি ১০ লক্ষে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ২৮৮ জনের। মোট নমুনা পরীক্ষার ৮.৬৪ শতাংশ ক্ষেত্রে রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহে চালু হওয়া নতুন তিনটি মিলিয়ে মোট ৬০টি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা চলছে। অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে একটি।

জেলাওয়াড়ি পরিসংখ্যান

এ দিনেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় কলকাতাতে আক্রান্ত ৬১৫ জন। এর পরেই উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৮৮। পরবর্তী তিনটি স্থানে রয়েছে যথাক্রমে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৩০৬, ১৮৫ ও ১৭৭।

[রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের সৌজন্যে]

আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে পশ্চিম বর্ধমানে। সেখানে এক দিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১০৮। এ ছাড়া হুগলি এবং কোচবিহারে আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৯৫ এবং ৯২।

Continue Reading

দঃ ২৪ পরগনা

বারুইপুরে সাড়ে চারশোর বেশি বিজেপি কর্মী যোগ দিলেন তৃণমূলে

সামনে ভোট, দলবদলের হিড়িক।

ক্যানিং বাসস্ট্যান্ডের অনুষ্ঠান।

ওয়েবডেস্ক: এ বার ভাঙন বারুইপুরে। রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargana) বারুইপুরে (Baruipur) গেরুয়া শিবির থেকে তৃণমূলে (TMC) যোগ দিলে সাড়ে চারশোর বেশি কর্মী। এ দিনের ঘটনায়, আগামী ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এলাকায় রাজ্যের শাসক দলের ভিত আরও কিছুটা মজবুত হল বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।

এ দিন সকালে ক্যানিং বাসস্ট্যান্ডে তৃণমূলের তরফে একটি সভায় এই দলবদল হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের দুই সদস্য তপন সাহা এবং সুশীল সরদার। এ ছাড়া স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানরাও হাজির ছিলেন। মঞ্চে ওই দলত্যাগী বিজেপি (BJP) কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কো-অর্ডিনেটর পরেশরাম দাস।

তৃণমূলের দাবি,ক্যানিং-১ ব্লকের গোপালপুর, নিকারিঘাটা, মাতলা-১, তালদি এবং বাঁশড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সাড়ে চারশোর বেশি বিজেপি কর্মী এ দিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

একই সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেন, জেলার আরও কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যোগ দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। শীঘ্রই তাঁরা দলবদল করবেন।

বিজেপির দলত্যাগী কর্মীরা তৃণমূলে যোগ দিয়ে বলেন, “বিজেপি বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছে। যে কারণে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজে শামিল হতেই দলবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন”।

সামনে ভোট, দলবদলের হিড়িক

গত শুক্রবার সোনারপুরের শতাধিক বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যোগ দেন বলে দাবি করে শাসক শিবির। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পুরুলিয়ার রঘুনথপুর শহরে পুরসভার কমিউনিটি হলে বিধানসভা এলাকার প্রায় তিনশো পরিবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। বুধবার নরেন্দ্র মোদীর অযোধ্যায় রামমন্দিরের ভূমিপুজোর পরের দিনই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর আবার তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

গত সপ্তাহে বহরমপুরে তৃণমূল নেতা শৌমিক হোসেনের উপস্থিতিতে কয়েকশো বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যোগ দেন। অন্য দিকে, সম্প্রতি আসানসোলের বিশিষ্ট সমাজকর্মী চন্দ্রশেখর কুণ্ডুও যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে।

Continue Reading
Advertisement
Advertisement

রবিবারের খবর অনলাইন

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 days ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা4 days ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা4 days ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা1 week ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা2 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা2 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা3 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা3 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

laptop laptop
কেনাকাটা4 weeks ago

ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ২৫ হাজার টাকার মধ্যে এই ৫টি ল্যাপটপ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : কোভিভ ১৯ অতিমারির প্রকোপে বিশ্ব জুড়ে চলছে লকডাউন ও ওয়ার্ক ফ্রম হোম। অনেকেই অফিস থেকে ল্যাপটপ পেয়েছেন।...

নজরে

Click To Expand