রাজ্য যখন উত্তাল সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে, একবার দেখে নেওয়া যাক ঠিক কী কী কারণে সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণকে অবৈধ ঘোষণা করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত

  • সুপ্রিম কোর্ট বলেছে তৎকালীন রাজ্য সরকার ২০০৬ সালের জমি অধিগ্রহণ, আইন মেনে করেননি।
  • বিচারপতি গোপাল গৌড়ার মতে এই ভাবে কোন কোম্পানির স্বার্থে কৃষকের চাষ করার জমি অধিগ্রহন করা ‘জনস্বার্থ’-এর মধ্যে পড়েনা।
  • বিচারপতি অরুণ মিশ্র অবশ্য বলেছেন শিল্পের প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণ বেআইনি নয়, তবে সিঙ্গুরে এই জমি অধিগ্রহণ পুরোপুরি আইন মেনে, যথার্থ ভাবে হয়নি। তিনি এও বলেন টাটা গোষ্ঠীর স্বার্থে কৃষিজমি অধিগ্রহণ নিঃসন্দেহে জনস্বার্থের মধ্যেই পড়ছে।
  • ‘জমি অধিগ্রহণ আইন ১৮৯৪’এর প্রতিটি ধাপ নিয়ম মত মানা হয়নি, সে বিষয়ে গোপাল গৌড়া এবং অরুণ মিশ্র দুজনেই সহমত পোষণ করেছেন।
  • কোন সমীক্ষা এবং যথাযথ নোটিশ ছাড়াই জমি অধিগ্রহণ হয়েছে। যদিও নোটিশের বিষয়ে দুই বিচারপতির মধ্যে মতান্তর  আছে।
  • জমি দিতে অনিচ্ছুক কৃষকদের আপত্তিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৫-এ ধারা অনুযায়ী যা আইনসম্মত নয়।
  • সিঙ্গুরে জমি নেওয়ার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ন্যানো গাড়ির কারখানা তৈরি, গুজরাটের সানন্দে ইতিমধ্যেই কারখানা তৈরি হয়ে গেছে, অতএব সিঙ্গুরের এই জমির আর কোন গুরুত্ব নেই। সেই জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দিতে হবে।
dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন