subharngshu-roy

ওয়েবডেস্ক: কখনও নরেন্দ্র মোদী-ভজনা আবার কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজের বাবাকে তীব্র কটাক্ষে করেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের তৃণমূল বিধায়ক পুত্র শুভ্রাংশু রায়। গত নভেম্বরে মুকুলবাবু দল বদলের পর মাঝে কেটে গিয়েছে অর্ধেক বছর। কিন্তু শুভ্রাংশু বরাবর শীতলই থেকেছেন। সম্প্রতি মামা সৃজন রায়ের গ্রেফতারির পর আচমকা কেন তিনি এতটা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছেন বাবার রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে?

গত মাস দেড়েকের মধ্যে বীজপুরের রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে আমূল। বীজপুরের থানার ওসি আনন্দময় চট্টোপাধ্যায়কে স্থানান্তরিত করা হয়েছে রুটিন বদলির যুক্তিকে সামনে রেখে। জমি মাফিয়ারা কেন সক্রিয় হয়ে উঠছে এমন অভিযোগ কিন্তু শোনা গিয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর মুখে।

সব থেকে বড়ো বদল হয়েছে বীজপুরে তৃণমূলের দু’টি টাউন কমিটির সর্বোচ্চ পদে। তৃণমূল সূত্রের খবর, মুকুলবাবু তো বটেই শুভ্রাংশুর ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত এই দুই সভাপতিকে অপসারণ করা হয়েছে এই সময়কালের মধ্যেই। কাঁচরাপাড়া টাউন তৃণমূলের সভাপতি নির্মল তপাদারকে সরিয়ে ওই স্থানে বসানো হয়েছে স্থানীয় পুরসভার প্রধান সুদামা রায়কে। আবার হালিশহর টাউন তৃণমূলের সভাপতি দীপ্তি বিশ্বাসকে সরিয়ে ওই জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে স্থানীয় পুরপ্রধান অংশুমান রায়কে।

আরও পড়ুন: শুভ্রাংশুর বরাতে কী আছে, কপালে চিন্তার ভাঁজ মুকুলের!

এর পরেও কি নির্ভাবনায় থাকতে পারছেন স্থানীয় বিধায়ক! অন্তত মাথার উপর যখন রয়েছে বিজেপি নেতা পিতার পরিচয়! শুভ্রাংশুর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দলের বিরুদ্ধে বিধায়ক এমন কিছু কাজ করেননি যা, তাঁকে বহিষ্কারের মতো চূড়ান্ত জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। আবার দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সঙ্গে এমন কোনো আচরণ করেননি যার জেরে তৃণমূল কংগ্রেস শুভ্রাংশুকে দল ছাড়তে বাধ্য করতে পারে।

তবুও তো চলছে কানাঘুষো। বিজেপির এত নেতা থাকতে বারবার কেন নিজের পিতৃদেবেরই সমালোচনা করছেন বীজপুরের বিধায়ক? এক শুভ্রাংশু ঘনিষ্ঠের সহাস্য উত্তর-“ও তৃণমূল তাই”!

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন