কলকাতা: আগামী মাঘ মাসেই বিয়ে ঠিক হয়েছিল৷ সম্পর্কের টানাপোড়েনে তার আগেই আত্মঘাতী নবম শ্রেণির এক ছাত্রী৷ ঘটনাটি ঘটেছে নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার গোপালনগরে৷

আত্মঘাতী ওই ছাত্রীর নাম সাথী বৈদ্য৷ সন্তোষপুর গার্লস স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে৷ সাথীর মা অণিমা বৈদ্যর অভিযোগ, এক সপ্তাহ আগে তাঁর মেয়ের সঙ্গে বুবাই নস্কর নামে একটি ছেলের বিয়ে ঠিক হয়৷ বুবাইয়ের বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ঘুটিয়ারি শরিফ এলাকায়৷ মাঘ মাসের ২ তারিখে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল তাদের৷ সম্প্রতি ফোন করে ছেলেটি জানায় সে বিয়ে করতে রাজি নয়৷ অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে৷

আরও পড়ুন ভোটের আগে হঠাৎ বসুন্ধরার প্রশংসায় সচিন পায়লট, কেন?

এ দিকে সাথী স্কুলে গেলে বা বাইরে বেরোলেই তাকে বুবাই বিরক্ত করত বলে অভিযোগ৷ প্রতিবেশীরাও এই সব ব্যাপার মেয়েটির বাবা সুজন বৈদ্যকে জানান৷ আগামী সোমবার থেকেই পরীক্ষা ছিল মেয়েটির৷ গতকাল রাতে অণিমা দেবী তার মেয়েকে বকাবকি করেন৷ প়ড়াশোনায় মন দেওয়ার কথা বলেন৷ রাত্রি ৯টা নাগাদ বাথরুমে যায় সাথী৷ দীর্ঘক্ষণ না বেরোনোয় তার খোঁজ শুরু হয়৷ দেখা যায় বাথরুমের মধ্যেই ওড়নার সাথে ফাঁস দিয়ে ঝুলছে সে৷ নরেন্দ্রপুর থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে৷ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেয়েটি টিভি দেখছিল বলে তার মা বকাবকি করায় আত্মঘাতী হয়েছে সাথী।

তবে নবম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে কী ভাবে এত তাড়াতাড়ি ঠিক হয়েছিল, সে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here