হাওড়ায় জোম্যাটো কর্মীদের বিক্ষোভে ধর্ম বা খাবারের কোনো যোগ নেই: প্রতিষ্ঠাতা

0

ওয়েবডেস্ক: গত রবিবার থেকে হাওড়া জেলায় কর্মরত ১৫ জনের বেশি জোম্যাটো ডেলিভারি কর্মী গ্রাহকদের অর্ডার মতো শুয়োরের মাংস এবং গোমাংস সরবরাহ করতে অস্বীকার করে ধর্মঘটে বসেন বলে জানা যায়। যদিও এই প্রতিবাদের সঙ্গে কোনো রকমেরই ধর্মীয় অথবা খাবার সম্বন্ধীয় যোগাযোগ নেই বলেই দাবি করলেন জোম্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা দীপিন্দ্র গয়াল।

তিনি এনডিটিভি-কে বলেন, “হাওড়ার কয়েকটা জোম্যাটো ডেলিভারি অংশীদাররা প্রকৃতপক্ষে প্রতিবাদ করেছিলেন মূলত সাম্প্রতিক সংশোধিত রেট কার্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ের জন্যই। এর সঙ্গে গোমাংস এবং শুয়োরের মাংস সরবরাহ করার কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ কাউকেই গো-মাংস অথবা শুয়োরের মাংস সরবরাহে বাধ্য করা হচ্ছে না”।

তাঁর মতে, “এই ইস্যুটি নিয়ে হাওড়ার একজন স্থানীয় রাজনীতিবিদের অংশগ্রহণেই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। গয়াল আরও দাবি করেছেন, যাবতীয় তথ্য চেক করার পরে দেখা গিয়েছে গত তিন মাসে হাওড়ার কোনো বাড়িতে গোমাংস বা শুয়োরের মাংসযুক্ত কোনো খাবার জোম্যাটো সরবরাহ করেনি”।

যদিও কর্মীদের মূল অভিযোগ ছিল, জোম্যাটো সংস্থা ডেলিভারি কর্মীদের দিয়ে গোমাংস এবং শুয়োরের মাংস গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে বাধ্য করছে। যাঁরা প্রতিবাদ করছিলেন তাঁদের মধ্যে হিন্দু এবং মুসলিম উভয় ধর্মের কর্মীরাই ছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, না চাইলেও জোর করেই তাঁদের দিয়ে এই ডেলিভারি দেওয়ায় জোম্যাটো। কিন্তু সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ঠিক উল্টো কথাটাই বললেন!

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জোম্যাটো কর্মীদের বিক্ষোভের পিছনে প্রধান ভূমিকা নিয়েছেন উত্তর হাওড়ার বিজেপি নেতা ও দলীয় সম্পাদক সঞ্জীব কুমার শুক্লা এবং জনৈক বজরং নাথ ভার্মা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.